খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন রূপে কুবির ‘ইভিনিং’ কোর্সের আত্মপ্রকাশ!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২০, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
নতুন রূপে কুবির ‘ইভিনিং’ কোর্সের আত্মপ্রকাশ!

কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) উপাচার্যের সন্ধ্যাকালীন কোর্স বন্ধের ঘোষণার পর এবার নতুন করে চালু করা হয়েছে সপ্তাহান্ত (উইকেন্ড) কোর্স।

প্রতি শুক্র ও শনিবার দিনের বেলায় এই কোর্সের অধীনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেয়া হবে বলে জানা গেছে। ‘পুরাতন বোতলে নতুন মদের মতো’ এই প্রাইভেট প্রোগ্রাম চালু থাকলেও বিষয়টি জানা নেই খোদ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, গত ১৩ এবং ১৬ ডিসেম্বর বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: আমজাদ হোসেন সরকার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীনে চারটি বিভাগে ‘উইকেন্ড প্রোগ্রাম’ কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়া হবে। এই কোর্সে আবেদনের শেষ সময়সীমা জানুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

যদিও এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে সন্ধ্যাকালীন কোর্স বন্ধের ঘোষণা আসে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পক্ষ থেকে।

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো: আবু তাহের বলেছিলেন, ‘উপাচার্য মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে সন্ধ্যাকালীন কোর্সে শিক্ষার্থী বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে বর্তমানে যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি আছেন তারা নিয়মানুযায়ী তাদের কোর্স সমাপ্ত করতে পারবেন। কিন্তু নতুন করে আর কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়া হবে না।’
তবে সন্ধ্যাকালীন কোর্স বন্ধের ঘোষণা দিয়ে দিনের বেলায় এই উইকেন্ড কোর্স চালু যেন নতুন মোড়কে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বলে মতামত অনেক শিক্ষার্থীর।

এ প্রসঙ্গে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধ করতে বলা মানে আমার মনে হয় তিনি শুধু রাতের বেলা কোর্স বন্ধ করতে বলেছেন এমনটি নয়। বরং আমি মনে করি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধের প্রতিই ইঙ্গিত দিয়েছেন। এখন নাম পাল্টে দিনের বেলায় একই কোর্স চালু রাখা পুরনো পণ্যের মোড়ক পাল্টানো ছাড়া কিছুই নয়।’

লোক প্রশাসন বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী রিজওয়ান কবির বলেন, ‘নগদ সুবিধা প্রাপ্তির আশায় এই ধরনের কোর্স চালু হলে শিক্ষার পরিবেশের পাশাপাশি সার্বিক পরিবেশ বিঘ্নিত হবে। আমরা চাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশিষ্ট্য ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে এমন কোর্স যাতে নতুন করে চালু না হয়।’

এই উইকেন্ড কোর্স এর ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্যবসা অনুষদের ডিন ড. আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, ‘আমরা সন্ধ্যাকালীন কোর্স বন্ধের কোনো অফিসিয়াল নোটিশ পাইনি। আমরা যে কোর্সের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি সেটি সন্ধ্যাকালীন কোর্স নয়। এটি উইকেন্ড প্রোগ্রাম। যেখানে শুধু শুক্র ও শনিবার দিনের বেলায় ক্লাস হবে।’

এ প্রসঙ্গে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের বলেন, ‘এর আগে উপাচার্য মহোদয় বলেছিলেন সন্ধ্যাকালীন কোর্স চলবে না। তবে এখন আবার নতুন করে যে উইকেন্ড কোর্স চালু হয়েছে সেটি আমার জানা নেই। আমি খোঁজ নিয়ে উপাচার্য স্যারের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলে বিস্তারিত জানাতে পারবো।’

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…