খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে দুই ‘সন্ত্রাসী’ গ্রুপের গোলাগুলি, দুজন খুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫, ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে দুই ‘সন্ত্রাসী’ গ্রুপের গোলাগুলি, দুজন খুন

অবৈধ বালুর মহালকে কেন্দ্র করে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানা এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুটি ‘সন্ত্রাসী’ গ্রুপ। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন একপক্ষের চারজন। এদের মধ্যে দুজন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা সড়কের চন্দনপুরায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন—আবদুল্লাহ্ এবং মানিক। গুলিবিদ্ধ একজনের নাম রবিন অন্যজনের নাম জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,শনিবার মধ্যরাত থেকেই কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু এলাকায় বালু মহালের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অবস্থান করছিলো সন্ত্রাসীদের দুটি গ্রুপ। এর মধ্যে চট্টগ্রামের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী সারোয়ার বাবলার নেতৃত্বে একটি প্রাইভেটকারে ছিলেন নিহত মানিক, আবদুল্লাহ, ইমন এবং রবিনসহ ৬ জন।

আরেকটি গ্রুপে খোরশেদ হাসানের নেতৃত্বে ছিলেন হাসান, রায়হানসহ আরও কয়েকজন। তাদের কাছে ছিল ভারী অস্ত্রশস্ত্র। মূলত রাউজান-রাঙ্গুনিয়া কেন্দ্রীক ‘ডন’ হিসেবেই পরিচিত তারা।

গোলাগুলির ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে থাকা একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘আমি কয়েকজন বন্ধুসহ চন্দনপুরা মোড়ে চা পান করছিলাম। হঠাৎ করে দেখি একটি বাইকে তিনজন প্রাইভেটকারকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ছে। তার অদূরেই দাঁড়ানো ছিল একটি পুলিশের টহল গাড়ি। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মোটরসাইকেল আরোহীরা চলে যায়। আমরাও আকস্মিকতায় আরেকটি কুলিং কর্নারে আশ্রয় নিই। এরপর সেখানে দুজনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। প্রাইভেটকারের চালকের আসনে রক্ত ছড়ানো ছিল।’

জানা গেছে, গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত দুজন বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের পায়ের রানে এবং অপরজন হাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে দুজনেই শঙ্কামুক্ত আছেন।

এ বিষয়ে জানতে বাকলিয়া ও চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং নগর পুলিশের চকবাজার জোনের সহকারী কমিশনারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা সাড়া দেননি।

তবে নগর পুলিশের উত্তর জোনের উপ-কমিশনার আমিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বালুর মহালকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী সারোয়ার বাবলার সাথে সন্ত্রাসী খোরশেদ, রায়হান এবং হাসানের গ্রুপের দ্বন্দ্ব ছিল। আজ (শনিবার) বাবলা গ্রুপ ৬ জন নিয়ে একটি প্রাইভেটকারে ছিল। চার-পাঁচটি মোটরসাইকেল নিয়ে খোরশেদ গ্রুপ তাদের রাজাখালী ব্রিজ থেকে ধাওয়া করে। তাদের মধ্যে পারস্পরিক গোলাগুলি হয়েছে। তাদের কাছে ভারী অস্ত্র ছিল।’

এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘একপর্যায়ে চন্দনপুরা এলাকায় পুলিশের টহল গাড়ি দেখে সারোয়ার গ্রুপের একজন সাহায্য চাইতে যায়। এর মধ্যে মোটরসাইকেলে এসে অন্য গ্রুপ প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয় এবং গুলিবিদ্ধ হন আরও দুজন। ইমন নামে একজন পুলিশ হেফাজতে আছে। সারোয়ার বাবলা পলাতক।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যতটুকু জেনেছি, খোরশেদ গ্রুপ রাউজান-রাঙ্গুনিয়ার দিকে মুভ করেছে। আমরা চট্টগ্রামের সকল স্থানে চেকপোস্ট বসানোর নির্দেশ দিয়েছি। বিশেষ করে হাটহাজারী এবং রাউজান রাঙ্গুনিয়া লাইনে। তাদেরকে আটক বা অস্ত্র উদ্ধার করা এখনো সম্ভব হয়নি। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি জড়িতদের গ্রেপ্তারে।’

কে এই সারোয়ার হোসেন বাবলা

চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর এইট মার্ডার মামলার আসামি আসামি ‘শিবিরক্যাডার’ হিসেবে পরিচিত সাজ্জাদ আলী খানের একসময়ের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ সারোয়ার হোসেন বাবলা। তিনি নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার খোন্দকার পাড়ার কালা মুন্সির বাড়ির আব্দুল কাদেরের ছেলে।

চার বছর জেল খেটে পালিয়ে যান ভারতে। সেখানে পালিয়ে থাকা ‘বড়ভাই’ সাজ্জাদের দেখভালে ছিলেন দুবছর।

২০২০-এ দেশে ফিরেই গ্রেপ্তার হন ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। পরে বের হয়ে চার বছর পালিয়ে ফের গ্রেপ্তার হন ২০২৪ সালের জুলাইয়ে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, নগরের ডবলমুরিং, পাঁচলাইশ ও বায়েজিদ বোস্তামি থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ১৮টি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সবগুলোতে জামিনে রয়েছেন তিনি।

সবশেষ গত বছরের ২৭ জুলাই সারোয়ারকে গ্রেপ্তার করেছিল চান্দগাঁও থানা পুলিশ। পরে তিনি জামিনে বেরিয়ে আবারও জড়িয়ে পড়েন পুরোনো অপকর্মে।

Feb2

শান্তর সেঞ্চুরির পর মুস্তাফিজের ফাইফার, সিরিজ বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
শান্তর সেঞ্চুরির পর মুস্তাফিজের ফাইফার, সিরিজ বাংলাদেশের

নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে ঘরের মাঠের এই ওয়ানডে সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে পরের ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা। ফলে শেষ ম্যাচটি হয়ে উঠে সিরিজ নির্ধারণী। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে সেঞ্চুরি পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার ব্যাটে ভর করে আড়াইশ ছাড়ানো সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ব্যাটারদের পর কিউইদের ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছেন বোলাররাও। বিশেষ করে মুস্তাফিজুর রহমান। এই বাঁহাতি পেসারের ফাইফারে কোনোরকমে দুইশ ছুঁয়ে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। ৫৫ রানের জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে টাইগাররা।

চট্টগ্রামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০৫ রান করে নাজমুল হোসেন শান্ত। জবাবে ৪৪ ওভার ৫ বলে ২১০ রান করে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। টাইগারদের হয়ে ৩০ রানে ৫ উইকেট শিকার করে সেরা বোলার মুস্তাফিজ।

২৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। নতুন বলে বাংলাদেশকে ব্রেকথ্রু এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে কিউই শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন এই বাঁহাতি পেসার। দ্বিতীয় বলে মুস্তাফিজের বাউন্স সামলাতে পারেননি হেনরি নিকোলস, টপ এজ হয়ে বল জমা পড়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে। ৪ রান করে নিকোলস ফেরায় ভাঙে ৮ রানের উদ্বোধনী জুটি।

আরেক ওপেনার উইল ইয়াং উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। নাহিদ রানার করা অফ স্টাম্পের বাইরের লেংথ বলে খোঁচা দিতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন ইয়াং। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ২৫ বলে ১৯ রান।

৫৪ রানে ২ উইকেটে হারানোর পর বড় দায়িত্ব ছিল টম ল্যাথামের কাঁধে। কিন্তু উল্টো দলের বিপদ বাড়িয়েছেন অধিনায়ক। ইনিংসের ১৭তম ওভারের পঞ্চম বলটি মিডল স্টাম্পের ওপর করেছিলেন মিরাজ, সেখানে সুইপ করতে গিয়ে টপ এজ হয়ে বল চলে যায় শর্ট ফাইন লেগে দাঁড়িয়ে থাকা শরিফুলের হাতে। ১৩ বলে ৫ রান করেছেন ল্যাথাম।

৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপদে তখন হাল ধরেন নিক কেলি ও মোহাম্মদ আব্বাস। বিশেষ করে ক্যালি দারুণ ব্যাটিং করছেন। ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি। এই মাইলফলক ছুঁতে খেলেছেন ৬৮ বল। তবে ফিফটির পর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৫৯ রান করে মুস্তাফিজের বলে আউট হয়েছেন তিনি। তাতে ভাঙে ৪৭ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি।

ভালো শুরু করা আব্বাসকে বোল্ড করেন শরিফুল। ৩৬ বলে ২৫ রান করেছেন তিনি। তাতে ১২৪ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে অনেকটাই দূরে সরে যায় কিউইরা। এরপর ডিন ফক্সকর্ফট ছাড়া আর কেউ দাঁড়াতেই পারেননি। তার ৭৫ রানের ইনিংস কেবলই হারের ব্যবধান কমিয়েছে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শুরুতেই সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার সাইফ হাসান। উইলিয়াম ও’উরকের বলে কট বিহাইন্ড হন তিনি। আউট হওয়ার আগে রানের খাতাই খুলতে পারেননি এই ডানহাতি ব্যাটার।

ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি আগের ম্যাচে হাফ-সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান তামিম। ৫ বলে ১ রান করেন তিনি। ৯ রানে ২ উইকেট হারানো দলের হাল ধরান চেষ্টা চালান নাজমুল হোসেন শান্ত ও সৌম্য সরকার। কিন্তু এই জুটিটাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেনি। ২৬ বলে ১৮ রান করে আউট হন সৌম্য।

চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন কুমার দাস। শুরুতে দেখে-শুনে ব্যাট করতে থাকলেও ক্রমেই কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হতে থাকেন তারা। তাতেই বাড়তে থাকে বাংলাদেশের ইনিংস। জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ১৬০ রান। তাতেই ভালো সংগ্রহের ভিত পেয়েছে টাইগাররা। ফিফটি পূরণের পর ৭৬ রানে থামেন লিটন।

এ দিকে ফিফটির পূরণের পর সেঞ্চুরিও তুলে নেন শান্ত। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতরানের ইনিংস। শান্তর ইনিংস থামে ১০৫ রানে। ১১৯ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ৯টি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো।

এ ছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ ২২, শরিফুল ইসলাম ১, তানভীর ইসলাম শূন্য রানে আউট হন। এ ছাড়া ৩৩ রানে তাওহীদ হৃদয় ও ৩ রানে মুস্তাফিজুর রহমান অপরাজিত থাকেন।

দ্বিতীয় তেল শোধনাগার তৈরি করা জরুরি: সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
দ্বিতীয় তেল শোধনাগার তৈরি করা জরুরি: সেনাপ্রধান

স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছর পার হলেও দেশে দ্বিতীয় কোনো জ্বালানি তেল শোধনাগার (রিফাইনারি) গড়ে না ওঠায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধে সৃষ্ট সংকট সমাধানে জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি সক্ষমতা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে স্পষ্ট। নিজস্ব শোধনাগার না থাকায় অপরিশোধিত তেল থাকা সত্ত্বেও বিদেশ থেকে বেশি দামে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে, যার ফলে জ্বালানি খরচ বাড়ছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) ক্যাপস্টোন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য, সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিসহ মোট ৪৫ জন ফেলো এই কোর্সে অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারী ফেলোরা জানান, কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা জোরদার এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা সুদৃঢ় করা এবং দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান সেনাপ্রধান।

জ্বালানি সংকট নিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দেশে একটি মাত্র রিফাইনারি (ইস্টার্ন রিফাইনারি) রয়েছে যা চাহিদার মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মেটাতে পারে। বাকি জ্বালানি আমাদের পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করতে হয়, যার ফলে খরচ অনেক বেশি পড়ে।

শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এবং শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

ছাত্রছাত্রীদের পাঠাভ্যাস তৈরি করতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে সরকারের কাজ করার সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানাল, এ লক্ষ্যে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদসহ শিক্ষা, প্রাথমিক, গণশিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সরকারপ্রধান। এ সময় কর্মসূচিটি কীভাবে সারাদেশের পড়ুয়াদের মধ্যে বিস্তৃত করা যায়, সে বিষয়েও হয়েছে বিস্তারিত আলোচনা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কক্ষে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, জাহেদ উর রহমান ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন অধ্যাপক আবু সায়ীদ।