খুঁজুন
, ,

জুলাই গণঅভ্যুত্থান যাতে ব্যর্থ না হয় : নাহিদ ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 April, 2025, 1:01 pm
জুলাই গণঅভ্যুত্থান যাতে ব্যর্থ না হয় : নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা ৯০ গণঅভ্যুত্থানের কথা বইয়ে পড়েছি, কিন্তু যে আকাঙ্ক্ষায় জনগণ রাস্তায় নেমে আসে, সে আকাঙ্ক্ষাগুলো বিভিন্ন সময় আমরা দেখেছি, ব্যর্থ হয়েছে। সেই ব্যর্থতার ফলেই ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের শাসন ব্যবস্থার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল। তাই আমরা চাই, এবারের জুলাই গণঅভ্যুত্থান যেন কোনোভাবেই ব্যর্থ না হয়।

তিনি বলেন, জনগণের মধ্যে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা অবশ্যই পূরণ করতে হবে। এটা জাতির প্রতি আমাদের সবারই অঙ্গীকার।

শনিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান আজকের বৈঠকে বসার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, যে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসককে পলায়ন করতে বাধ্য করেছিল বাংলাদেশের জনগণ। হাজারো মানুষের শাহাদাত বরণ ও আহত হওয়ার বিনিময়েই আজকের এই প্রেক্ষাপট।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় একটি নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এনসিপি। যে দলের প্রধান শক্তি ও ভিত্তির জায়গাটা হচ্ছে এই দেশের তরুণরা। সেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের যে বক্তব্য ছিল, আমরা ফ্যাসিবাদের বিলোপ ও একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

নাহিদ ইসলাম বলেন, এই গণঅভ্যুত্থান কেবল কোনো ব্যক্তির পরিবর্তন নয়, ক্ষমতা থেকে একটি দলকে সরিয়ে আরেকটি দলকে বসানোর পরিকল্পনা ছিল না। বরং কীভাবে রাষ্ট্র কাঠামোর মৌলিক ও গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার রক্ষা করবে, এরকম একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা ছিল।

এনসিপি সংস্কার বলতে মৌলিক সংস্কার বোঝানো হচ্ছে। নাহিদ আরও বলেন, যে সংস্কার করলে রাষ্ট্র কাঠামো গুণগত আমূল পরিবর্তন সম্ভব হবে। কারণ আমরা দেখেছি, বিগত সময়ে আমাদের সংবিধান থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দলীয়করণ ঘটেছিল। আমাদের সংবিধানে এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক কাঠামোর বীজ বপন ছিল। ফলে সেই রাষ্ট্র কাঠামোকে অক্ষুণ্ন রেখে যে ক্ষমতায় যাক, তার ভেতরেও ফ্যাসিবাদী প্রবণতা থাকবে, স্বৈরতান্ত্রিক হয়ে উঠার প্রবণতা থাকবে। সেই জায়গায় রাষ্ট্রের সংস্কার, সংবিধান, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা, বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয়ে আমরা এনসিপি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে যে সুপারিশ আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে, সেগুলোতে আমরা আমাদের মতামত দিয়েছি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা একমত হয়েছি। যে সব জায়গায় আমরা আংশিক একমত বা দ্বিমত হয়েছি, সেখানে আমরা আমাদের সুপারিশ সংক্ষিপ্তভাবে দিয়েছি। আজকে হয়তো আমরা বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ পাবো। সেই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

এনসিপির ভাবনার কথা উল্লেখ করে দলটির আহ্বায়ক বলেন, এইবার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে আমাদের জাতির সামনে, জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন, জুলাই সনদ প্রয়োজন। জাতির সামনে আমাদের সবাই সেই অঙ্গীকার রাখতে হবে যেন আরেকটি স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা, আরেকটি ফ্যাসিবাদ বাংলাদেশে আসবে তার সব রাস্তা আমরা বন্ধ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাবো। একটি গণতান্ত্রিক সংবিধান ও রাষ্ট্র কাঠামো তৈরিতে আমরা সবাই যার যার জায়গা থেকে কাজ করবো।

বৈঠকে আরও উপস্থিত আছেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী, হাসনাত আব্দুল্লাহ, শামান্তা শারমীন, নাহিদা সারওয়ার নিভা, জাবেদ রাসিন এবং সারোয়ার তুষার।

Feb2
Feb2

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 5:31 pm
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী সেপ্টেম্বরে মাসে ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলন অংশগ্রহণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে (ভারত সফরের আমন্ত্রণপত্র) এসেছে। আমরা সেটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছি।

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ফোনালাপ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার ফোনালাপের নির্দিষ্ট তথ্য নেই, বিষয়টি তদন্ত করবে সরকার। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির ফোনালাপের বিষয়ে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেনি। তথ্য প্রমাণ পেলে এ বিষয়ে তদন্ত করবে বাংলাদেশ।

গন্তান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ চায় আলোচনার মাধ্যমে ভারতের চলমান উত্তেজনা সমাধান হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক সবসময় ভালো আছে। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়েই আলোচনা হবে।

বিভিন্ন দেশে ভিসা বন্ধ আছে, এজন্য একাধিক বার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। নানা সমস্যা অ্যাড্রেস করে ভিসা সমস্যা সমাধানে কাজ করছে সরকার বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

ঊর্ধ্বতন ১৭ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 4:33 pm
ঊর্ধ্বতন ১৭ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আলোচিত যুগ্ম কমিশনার ফরিদা ইয়াসমিনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‍পুলিশ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন- হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহীল বাকী, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি বিধান ত্রিপুরা, পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ) সারদার ডিআইজি মো. ওয়ালিদ হোসেন, এপিবিএনের অতিরিক্ত ডিআইজি সহেলী ফেরদৌস, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি রেবেকা সুলতানা ও রাজশাহী সারদার অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ্‌।

এ ছাড়াও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত ডিআইজি হাসিনা রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সল মাহমুদ ও কানিজ ফাতেমা, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সুলতানা নাজমা হোসেন, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জেসমিন বেগম, টিডিএস ঢাকার পুলিশ সুপার আব্দুর রহিম শাহ চৌধুরী, সিআইডির ডিআইজি সানা শামীনুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন।

এ বিষয়ে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের বর্ণিত কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর (২০১৮ সালের ৫৭ নম্বর আইন) ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 23 July, 2026, 4:09 pm
২৭ জুলাই থেকে পুনরায় শুরু হবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা

বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পূর্বনির্ধারিত অবশিষ্ট পরীক্ষা আগামী ২৭ জুলাই থেকে আবার শুরু হবে। পরীক্ষার্থীরা নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেবেন। আর আগে যেসব পরীক্ষা অন্যত্র অনুষ্ঠিত হয়েছে কিন্তু চট্টগ্রামে স্থগিত হয়েছে, সেগুলো পরে নতুন রুটিন প্রকাশ করে আবার নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি সৈয়দ আক্তারুজ্জামনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা, পরীক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক পরিস্থিতি, অংশীজনদের মতামত এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এবং এর আওতাধীন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার জেলা প্রশাসকদের প্রতিবেদন এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের আবেদনের ভিত্তিতে আগামী ২৭ জুলাই থেকে অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো যথারীতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বন্যার কারণে যেসব পরীক্ষা স্থগিত হয়েছিল, সেগুলোর নতুন সময়সূচি পরবর্তীতে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থী, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

এর আগে, বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক পরিস্থিতি এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার বিঘ্নের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট সব পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।

একইসঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার অবশিষ্ট বিষয়গুলোর পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ছাড়া দেশের অন্য সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হচ্ছে।