খুঁজুন
বুধবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঐতিহাসিক ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ঘোষণা আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
ঐতিহাসিক ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ঘোষণা আজ

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক দলিল ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ঘোষণা করা হবে আজ। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করবেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশন জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করবে। অভ্যুত্থানের শরিক রাজনৈতিক দল ও পক্ষগুলো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবে। অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করবে।

তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১৫৮ জন সমন্বয়ককে দাওয়াত না দেওয়ায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।

সোমবার (৪ আগস্ট) দিনগত রাত ২টায় নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন তিনি।

এদিকে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠের দিন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে উদযাপিত হবে ‘৩৬ জুলাই’। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এদিন থাকছে নানান অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

অনুষ্ঠানসূচি নিয়ে এরই মধ্যে একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এতে দিনব্যাপী আয়োজনের বিস্তারিত জানানো হয়েছে। ঐতিহাসিক এই দিবস উদযাপনে দেশের শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী, বয়োজ্যেষ্ঠ নারী- পুরুষ সবাইকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ‘জুলাই প্রক্লেমেশন’ বা ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ ঘোষণার উদ্যোগ নেয় তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তবে শিগগির সরকার তা ঘোষণা করবে, সরকারের এমন আশ্বাসে সেদিন জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র দেননি শিক্ষার্থীরা।

এরপর অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই ঘোষণাপত্রের খসড়া প্রণয়ন করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে সংলাপে উঠে আসা বিষয়গুলো নিয়ে খসড়াটি প্রস্তুত করা হয়। গত ২৮ জুলাই রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে সনদের খসড়া পাঠায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

পরে ৫ আগস্ট বিকেল ৫টায় গণঅভ্যুত্থানের সব পক্ষের উপস্থিতিতে জুলাই ঘোষণাপত্র জাতির সামনে উপস্থাপন করার সিদ্ধান্ত হয়।

Feb2

কর্ণফুলি টানেলকে কার্যকর করতে পণ্যবাহী যাতায়াত বাড়ানো প্রয়োজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
কর্ণফুলি টানেলকে কার্যকর করতে পণ্যবাহী যাতায়াত বাড়ানো প্রয়োজন

কর্ণফুলি টানেল দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এই টানেলকে আরও কার্যকর করতে পণ্যবাহী যাতায়াত ও লজিস্টিক সুবিধা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন, সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত কর্ণফুলী টানেলের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সেতু সচিব।

তিনি টানেলের আয় বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনের সময় কর্ণফুলী ড্রাই ডক লিমিটেডের জেটি সরেজমিনে দেখেন এবং পরে টানেলের টোল আয় বাড়াতে জেটির বহুমুখী ব্যবহারসহ রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

যাত্রাবাড়ী ও উত্তরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৬২
দূষণকারীদের রেহাই নেই, গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ ইটভাটা
সেতু সচিব বলেন, কর্ণফুলী ড্রাই ডক জেটির সঙ্গে টানেলের সংযোগ ও সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে টানেলের ব্যবহারকারী বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারে রাজস্বের পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্রুত একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

টানেলের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব ও কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উন্নত প্রযুক্তির হেলথ মনিটরিং ইকুইপমেন্ট স্থাপন করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে টানেলের বায়ু চলাচল, ভূমিকম্পন সহনশীলতা এবং ফাটল বা ত্রুটি রিয়েল-টাইম ডাটার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। তিনি প্রকৌশলীদের বলেন, টানেলের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণে কোনো ধরনের ত্রুটি কাম্য নয়। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বের উন্নত দেশের মতো আমাদের এই মেগা প্রকল্পের সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এবং যথাযথ মান বজায় রেখে এই সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ স্থাপনের কাজ শেষ করতে হবে।

পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন, কর্ণফুলী ড্রাই ডক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রশিদ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, কর্ণফুলী টানেল সাইট অফিসের কর্মকর্তারা এবং কর্ণফুলী ড্রাই ডক লিমিটেডের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

টাইমের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
টাইমের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত সাময়িকী টাইম-এর বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম। বুধবার ২০২৬ সালের বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির ওই তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন এ সাময়িকী। এতে ‘লিডারস’ ক্যাটাগরিতে ১৬তম অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

টাইমের এ বছরের বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছেন খ্রিস্টান ধর্মের রোমান ক্যাথলিক শাখার সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ। এরপর লিডারস ক্যাটাগরির এই তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছেন যথাক্রমে মেক্সিকোর মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। আর এরপরই চতুর্থ স্থানে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

লিডারস ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় বেছে নেওয়ার বিষয়ে টাইম ম্যাগাজিনের এডিটর অ্যাট-লার্জ ক্যাম্পবেল বলেছেন, মাত্র কয়েক মাস পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায়, তারেক রহমান দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের গাছপালায় ঘেরা নিরিবিলি পরিবেশে চিন্তামুক্ত এক নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু ২০২৪ সালে বাংলাদেশের স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন ৫৭ বছর বয়সী এই রাজনীতিককে বিরোধী দলের আন্দোলনকারী থেকে দেশের প্রতীক্ষিত এক জাতীয় নেতায় পরিণত করেছে; স্বদেশ থেকে দীর্ঘ ১৭ বছর দূরে থাকার পর গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের মধ্য দিয়ে তার সেই নিয়তি পূরণ হয়েছে।

টাইমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে লেখা প্রোফাইলে বলা হয়েছে, নির্বাচনে জয়ের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান তার মা খালেদা জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করেন, যিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমানের ঢাকা ফেরার মাত্র পাঁচ দিন পর মারা যান বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

গত জানুয়ারিতে ‘টাইম’ ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তারেক রহমান। সেই সময় তার মাকে হারানোর শোক ছিল একদম টাটকা। তবে তিনি এই শোককে সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের দেশকে ঐক্যবদ্ধ ও দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে আবারও চাঙা করার কাজে ব্যবহারের অঙ্গীকার করেন। বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও তরুণ বেকারত্বের সমস্যায় জর্জরিত এবং আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এ সবকিছুরই দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন।

টাইম লিখেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘হানিমুন পিরিয়ড’ বা প্রাথমিক স্বস্তির সময়টুকু হয়তো অন্যদের তুলনায় সংক্ষিপ্ত হবে। কিন্তু অনেক বছর রাজনৈতিক নির্বাসনে থাকার পর তিনি আর বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। টাইম ম্যাগাজিনকে তারেক রহমান বলেছেন, ‘‘আমাদের একসাথে কাজ করা ও ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন; যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।’’

উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২শ’ কোটি (২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস অনলাইন সামিটে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি জরুরি পদক্ষেপ, ঐক্যবদ্ধ এবং দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি রাখে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা আমাদের সম্মিলিত এজেন্ডার শীর্ষে থাকা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই আহ্বানে দ্রুত ও ইতিবাচক সাড়া দেওয়ারও অনুরোধ জানাই।’

চলমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এই সংকট আমাদের পারস্পরিক নির্ভরতা ও দুর্বলতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে। কোনো দেশ এককভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে না। আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার সমস্যা সমাধানে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত ও দূরদর্শী পদক্ষেপ প্রয়োজন।

জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর প্রভাব মোকাবিলায় সরকার বেশ কিছু স্বল্পমেয়াদী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে : সরকারি অফিস ও বাজারের সময়সূচি পরিবর্তনের মাধ্যমে চাহিদা ব্যবস্থাপনা; জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি ও বিকল্প উৎসের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ভোক্তা নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি রেশনিং ও খুচরা বিক্রয়ে সীমা নির্ধারণ। এছাড়া মজুতদারি ও আতঙ্কজনিত কেনাকাটা রোধে ‘ফুয়েল অ্যাপ’-এর মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এই সংকটের মাত্রা ও পরিণতি ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে, যা ১৯৮০ এর দশকের উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির করে দিয়েছিল।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তবে বর্তমান সংকট সেই অর্জনকে পিছিয়ে দেওয়ার বাস্তব ঝুঁকি তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একা এমন সংকটে পড়েনি; তাই একক প্রচেষ্টায় এটি মোকাবিলা করা সম্ভব না। চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাব নিয়ন্ত্রণে বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশসহ ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে এর ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় থেকে সুরক্ষায় একটি দৃঢ় ও সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ প্রয়োজন।

তারেক রহমান সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ এ সম্মেলন আয়োজনের জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে ধন্যবাদ জানান।

ভার্চুয়ালি আয়োজিত এই সম্মেলনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমসহ জাপান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও পূর্ব তিমুরের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা অংশ নেন। সমাপনী বক্তব্য রাখেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুপুরের পর সংসদ ভবন থেকে সম্মেলনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা এম হুমায়ুন কবির সেখানে উপস্থিত ছিলেন।