খুঁজুন
রবিবার, ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনআইডি রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করলেন তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
এনআইডি রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করলেন তারেক রহমান

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাওয়ার জন্য আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টায় নির্বাচন কমিশনে (ইসি) তিনি আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ দিয়েছেন।

এনআইডি মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের বলেন, তারেক রহমান অনলাইনে ফরম পূরণ করেছেন। এখন আমাদের কাছে এসে শুধু আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করেন।

এনআইডি ডিজি বলেন, এরপর সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার তথ্য সার্ভারে অনুসন্ধান করে দেখবে সেটি কারও সঙ্গে মিলছে কিনা। মিল না হলে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এনআইডি নম্বর জেনারেট হবে। এটি আমাদের কারও হাতে নেই। এক্ষেত্রে তিনি আমাদের কাছ থেকেও এনআইডি বা স্মার্ট কার্ড নিতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, আবার তারেক রহমানের মোবাইলে এসএমএস যাবে, সেখান থেকেও ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আজ দুপুরেই তার নিবন্ধন সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।

ভোটার নিবন্ধনের (রেজিস্ট্রেশন) আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ত্যাগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার দুপুর ১টার পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের ইটিআই (ইলেকশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট) ভবনে প্রবেশ করেন তিনি। সেখানে প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া শেষে ১টা ২০মিনিটের দিকে তিনি ইসি ত্যাগ করেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ইটিআই ভবনে গিয়ে তারেক রহমান ভোটার নিবন্ধনের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ গ্রহণ ও তথ্য যাচাইসহ প্রচলিত নিয়মে তার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নিবন্ধন শেষে দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে তারেক রহমানের গাড়িবহর নির্বাচন কমিশন এলাকা ত্যাগ করে। এ সময় আগারগাঁও এলাকায় বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পুরো এলাকা কার্যত নেতা-কর্মীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে।

এ সময় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়। তারা তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে দলীয় স্লোগান দেন। গাড়িবহর বের হওয়ার সময় তারেক রহমান হাত নেড়ে নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। এতে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়।

এর আগে তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন ভবন ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পুলিশ, র‍্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন থাকতে দেখা যায়। নিরাপত্তাজনিত কারণে সাংবাদিকসহ সাধারণ কাউকে নির্বাচন কমিশন ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর তিন মাস নির্বাসন শেষে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে তার নাগরিক অধিকার প্রয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শেষ হলো।

Feb2

অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ
অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আবুল কাশেম ফজলুল হক শুধু কৃষক সমাজের নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা। তার সংবেদনশীলতা, মমতা ও রাজনৈতিক আপসহীনতা তাকে সর্বভারতীয় রাজনীতির উচ্চ শিখরে পৌঁছে দিয়েছিল।

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া এক বার্তায় ফজলুল হককে অবিভক্ত বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম বিশিষ্ট নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেছেন।

ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতি, কৃষি, অর্থনীতি ও কৃষকদের স্বার্থে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের অবদান স্মরণ করে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এই অঞ্চলের রাজনৈতিক উন্নয়নে প্রয়াত নেতার অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন তিনি।

তার ঐতিহাসিক ভূমিকার ওপর আলোকপাত করে তারেক রহমান বলেন, ১৯৪০ সালে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের মাধ্যমে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এই উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন। প্রস্তাবটি আজও ঐতিহাসিকদের মধ্যে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এটি তার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতিফলন।

প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের কল্যাণের প্রতি ফজলুল হকের অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন এবং তাকে বাংলার কৃষকদের প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে বর্ণনা করেন।

তিনি বলেন, ফজলুল হক ছিলেন বাংলার অবহেলিত কৃষক সমাজের বন্ধু। তিনিই প্রথম উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন, অবিভক্ত বাংলার রাজনীতি বাংলার কৃষিনির্ভর অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দূরদর্শিতা এবং অর্ন্তদৃষ্টির মাধ্যমে তিনি কৃষক সমাজের স্বার্থকে রাজনৈতিক কাঠামোয় নিয়ে আসতে সক্ষম হন।

তারেক রহমান বলেন, ফজলুল হক প্রশাসনকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কৃষক-শ্রমিকবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। একইসঙ্গে তিনি শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার পথ সুগম করেন।

শেরে বাংলা ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরের সাতুরিয়া গ্রামের মিঞা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর, যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী, কলকাতা সিটি করপোরেশনের প্রথম মুসলিম মেয়র এবং আইনসভার সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনেও তার অবদান ছিল। ১৯৪০ সালে তিনি ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি ২১ দফারও প্রণেতা ছিলেন।

সারা দেশে বজ্রাঘাতে ১৩ জনের প্রাণহানি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
সারা দেশে বজ্রাঘাতে ১৩ জনের প্রাণহানি

দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রাপাতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গাইবান্ধায় ৫ জন, সিরাজগঞ্জে ২, বগুড়ায় ১ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ২ জন এবং পঞ্চগড়ে ১ চা শ্রমিক ও জামালপুরে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন।

গাইবান্ধা

গাইবান্ধায় বজ্রপাতে রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে ৫ জন নিহত হয়েছেন।

এদের মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নে ৩ জন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো একজন। উপজেলার দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় একই সময় পৃথক বজ্রপাতে ফুলছড়ির জামিরার চরের ১ যুবক ও সাঘাটায় উপজেলায় ১ বৃদ্ধ নিহত হন।

সুন্দরগঞ্জে নিহতরা হলেন- ধোপাডাঙ্গা এলাকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ওরফে সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ (১৪), ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি (১৫) এবং নবীর হোসেনের ছেলে মিজান (২০)।

এদিকে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বজ্রপাতে নম্বার আলী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামের বাসিন্দা।

অন্যদিকে প্রায় একই সময়ে ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের জামিরা চরে বজ্রপাতে নিহত মানিক হোসেন (২২) ওই এলাকার শুক্কুর আলীর ছেলে।

তিনি একটি ঘোড়া নিয়ে বালু চর ধরে বাড়ি ফিরছিলেন। বজ্রপাতে তিনিসহ ঘোড়াটিও মারা যায়। স্থানীয় একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার মাহফুজা জান্নাতি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বজ্রাঘাতে নারী-পুরুষসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার বিকেলে উপজেলার কোষাডাঙ্গীপাড়া ও নিয়ামতপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের রশিদুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা আক্তার দুপুরে ফসলি মাঠে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলে মারা যান। অপরদিকে কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামের আকবর আলীর ছেলে ইলিয়াস আলী (৩৭) বিকেলে নিজ জমির ফসল দেখতে যান। এসময় বজ্রাঘাতে তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম জানান, পীরগঞ্জে বজ্রাঘাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

পঞ্চগড়

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে চা-বাগানে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে সোহরাওয়ার্দী (৩৫) নামের এক চা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুই চা শ্রমিক। আজ সকালে আটোয়ারী উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের সোনাপাতিলা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, সোহরাওয়ার্দীসহ কয়েকজন শ্রমিক চা-পাতা তুলতে বাগানে যান। কাজ করার সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে সোহরাওয়ার্দী তিনজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু হয়।

আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মতিয়ার রহমান জানান, বজ্রাঘাতে নিহত চা শ্রমিকের সুরতহাল করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পৃথক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে কৃষক আব্দুল হামিদ (৫০) ও রায়গঞ্জ উপজেলা ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিক চাঁন গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে কৃষক হাসান আলী (২৪)। মাধাইনগর ইউপির সদস্য শফিকুল ইসলাম শফি বলেন, কৃষক আব্দুল হামিদ বৃষ্টির মধ্যে বাড়ির পাশে মাঠে কাজ করছিলেন। ওই সময় বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

জামালপুর

জামালপুরের সদর ও মেলান্দহ উপজেলায় পৃথক স্থানে বজ্রাঘাতে এক কৃষক ও গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন মেলান্দহ উপজেলার কড়ইচড়া গ্রামের মর্জিনা বেগম (৪০)। তিনি ওই এলাকার রাজীবের স্ত্রী। আরেকজন সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকার কৃষক হাসমত আলী (৪৫)। তিনি ওই এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায় , মর্জিনা বেগম বাড়ির উঠানে রান্নাঘরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকায় কৃষক হাসমত আলী মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মারা যান।

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশের জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
পুলিশের জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, পুলিশসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহিনীর ওপর আরোপিত জ্বালানি তেলের সীমাবদ্ধতা বা রেশনিং ইতোমধ্যে তুলে নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনগণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে দুই দিন আগেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর পয়েন্ট অব অর্ডারে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

কুমিল্লার একজন কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যার ঘটনা এবং পুলিশের টহল কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে ‘তেল সংকট’ ও ‘রেশনিং’ এর বিষয়টি সংসদে উত্থাপিত হলে প্রধানমন্ত্রী ফ্লোর নেন।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্য যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বিষয়টি আমরা এরই মধ্যে অ্যাড্রেস করেছি। পুলিশসহ ইমার্জেন্সি বাহিনী যারা আছে, পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার ব্রিগেড, তাদের ওপর যে এমবার্গো (নিষেধাজ্ঞা) ছিল, তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দুই দিন আগেই এই সিদ্ধান্ত আমরা গ্রহণ করেছি এবং বিষয়টি ক্লিয়ার করে দেওয়া হয়েছে। আশা করি এই সমস্যা আর হবে না।

এর আগে সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী অভিযোগ করেন, জ্বালানি তেলের রেশনিংয়ের অজুহাতে পুলিশ রাতে টহল কমিয়ে দিয়েছে। যার ফলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।