খুঁজুন
সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপিকে ভোট দিতে চায় ৭০ শতাংশ মানুষ : ইএএসডির জরিপ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
বিএনপিকে ভোট দিতে চায় ৭০ শতাংশ মানুষ : ইএএসডির জরিপ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ বিএনপিকে, ১৯ শতাংশ মানুষ জামায়াতকে এবং নতুন দল এনসিপিকে (জাতীয় নাগরিক পার্টি) ২ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট দিতে চান বলে এক জরিপ প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাবেক ভোটারদের ৬০ শতাংশও এবার ধানের শীষে ভোট দিতে আগ্রহী বলেও জানা গেছে।

বেসরকারি সংস্থা এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (ইএএসডি) এই জনমত জরিপ চালায়। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে কেআইবি মিলনায়তনে জরিপের ফল তুলে ধরেন ইএএসডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হায়দার তালুকদার।

সংস্থাটি জানায়, দেশের ৩০০ সংসদীয় আসন থেকে সশরীরে মোট ২০ হাজার ৪৯৫ জনের মতামত নেওয়া হয়েছে। জরিপ কার্যক্রম চলে ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত।

‘আগামী নির্বাচনে কাকে ভোট দেবেন’ প্রশ্নে ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা জানান, তারা বিএনপিকে ভোট দিতে চান। ১৯ শতাংশ ভোটার জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কথা বলেন। নতুন দল এনসিপি পেয়েছে ২.৬ শতাংশ সমর্থন। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের পক্ষে মত দিয়েছেন ৫ শতাংশ এবং ভোট দেবেন না বলে জানিয়েছেন ০.২ শতাংশ মানুষ।

জরিপে অংশ নেওয়া নারী ভোটারদের ৭১ শতাংশ বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছেন, যা পুরুষ ভোটারদের তুলনায় সামান্য বেশি। সংস্থাটির মতে, নারী ভোটারদের মধ্যে বিএনপির প্রতি আস্থার মাত্রা তুলনামূলক শক্ত অবস্থান নির্দেশ করে।

চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগে বিএনপির প্রতি সর্বোচ্চ ৭৪ শতাংশ সমর্থন মিলেছে। তবে বরিশাল ও খুলনায় জামায়াত তুলনামূলক এগিয়ে। বরিশালে ২৯ শতাংশ ও খুলনায় ২৫ শতাংশ মানুষ জামায়াতকে ভোট দিতে আগ্রহী। এদিকে উত্তরবঙ্গের রংপুর অঞ্চলে জাতীয় পার্টি ৫.২ শতাংশ সমর্থন পেয়েছে, যা অন্য বিভাগের তুলনায় বেশি। জাতীয় পার্টির সার্বিক সমর্থন ১.৪ শতাংশ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সমর্থন ০.১ শতাংশ।

জরিপ প্রতিবেদন বলছে, ‘নির্বাচনের পর কোন দল সরকার গঠন করবে’ প্রশ্নে ৭৭ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, বিএনপি সরকার গঠন করবে। ১৭ শতাংশ মনে করেন জামায়াত সরকার গঠন করতে পারে। এনসিপির সরকার গঠনের সম্ভাবনার কথা বলেছেন ১ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ।

‘আগামী নির্বাচনে কে জিতবে’ প্রশ্নে ৭৪ শতাংশ বিশ্বাস করেন, তাদের নিজ নিজ আসনে বিএনপি প্রার্থী জয়ী হবেন। ১৮ শতাংশ মনে করেন জামায়াতের প্রার্থী জয়ী হতে পারেন। ১.৭ শতাংশ মনে করেন এনসিপি প্রার্থী জিতবেন এবং ১ শতাংশের কিছু বেশি মনে করেন জাতীয় পার্টি জয়ী হতে পারে।

জরিপে আওয়ামী লীগের পূর্ববর্তী ভোটারদের বর্তমান রাজনৈতিক আগ্রহ বিশ্লেষণ করা হয়। দেখা যায়, আওয়ামী লীগের সাবেক ভোটারদের ৬০ শতাংশ এবার বিএনপিকে ভোট দিতে চান। ২৫ শতাংশ জানিয়েছেন তারা জামায়াতকে সমর্থন দেবেন এবং ১৫ শতাংশ অন্যান্য দলকে ভোট দিতে আগ্রহী।

‘গত নির্বাচনে কাকে ভোট দিয়েছেন বা দিতে চেয়েছিলেন’ প্রশ্নে ৩৫ শতাংশ জানান, তারা বিএনপিকে ভোট দিতে চেয়েছিলেন। ২৭ শতাংশ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছেন বা দিতে চেয়েছিলেন। আর জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ভোট দেওয়ার আগ্রহ ছিল ৫ শতাংশের কিছু বেশি মানুষের।

Feb2

ক্যাপ ভার্দে ধাক্কা সামলে চেনা ছন্দে স্পেন, সৌদির জালে ৪ গোল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
ক্যাপ ভার্দে ধাক্কা সামলে চেনা ছন্দে স্পেন, সৌদির জালে ৪ গোল

প্রথম ম্যাচে পুঁচকে ক্যাপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের হতাশা ভুলে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজ রূপে ফিরল স্পেন। গ্রুপ ‘এইচ’তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে সৌদি আরবের রক্ষণভাগকে ছিন্নভিন্ন করে ৪-০ ব্যবধানে হারাল স্প্যানিশরা। তাতেই পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে তারা।

প্রথম ম্যাচে নবাগত ক্যাপ ভার্দের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ২ পয়েন্ট হারিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল স্পেন। আজ যেন সেই ক্ষোভটাই সৌদি আরবের ওপর উগরে দিল তারা। ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা টিকিটাকা আর আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে ২০১০ সালের বিশ্ব বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। হামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে আজ শুরুর একাদশে ফিরেই স্পেনের আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেন তরুণ বিস্ময় বালক লামিনে ইয়ামাল।

ম্যাচের দশম মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালের ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে স্পেনকে প্রথম লিড এনে দেন ইয়ামাল। প্রথম গোলের ধাক্কা সৌদি আরব সামলে ওঠার আগেই শুরু হয় ওয়ারজাবাল ঝড়। ম্যাচের ২১ এবং ২৪ মিনিটে মাত্র ৩ মিনিটের ব্যবধানে পর পর দুটি চোখধাঁধানো গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন রিয়াল সোসিয়েদাদের এই ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের পকেটে পুরে নেয় স্পেন।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে (৪৯ মিনিটে) স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়ার জোরালো শট ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল-তামবাক্তি। এই আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০।

এরপর বেশ কিছুক্ষণ নিজেদের জাল অক্ষত রাখে সৌদি আরব। তবে যোগ করা সময়ে আর একটি গোল করেছিল স্পেন। কিন্তু ভিএআরের মাধ্যমে সেই গোলটি বাতি করেন রেফারি। ফলে ৪-০ ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্প্যানিশরা।

২ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের এক নম্বরে অবস্থান স্পেনের। গ্রুপের অন্য তিন দলের পয়েন্ট সমান ১।

রাউজানে যুবদল নেতা হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী রাঙামাটিতে গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
রাউজানে যুবদল নেতা হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী রাঙামাটিতে গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী ওরফে মাসুদ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. আইয়ুবকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৭।

রবিবার (২১ জুন) ভোরে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দূরছড়ি এলাকায় তার ভগ্নিপতির বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন। তিনি জানান, গত ১৩ জুন পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারে যুবদল নেতা মাকসুদকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার পর থেকেই তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোর ৬টার দিকে বাঘাইছড়ির দূরছড়ি এলাকায় আইয়ুবের ভগ্নিপতি শাহ আলমের বাড়িতে অভিযান চালায় র‍্যাব-৭-এর একটি দল। সেখান থেকে তাকে আটক করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়।

তিনি আরও জানান, যুবদল নেতা মাকসুদ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা হিসেবে আইয়ুবের নাম আসে। তাকে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (১৩ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে একটি ওষুধের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী। এ সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আসা পাঁচ অস্ত্রধারী তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মাজারে স্বচ্ছতার উদ্যোগের মধ্যেই ডিসি সারওয়ারকে প্রত্যাহার, নানা প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ণ
মাজারে স্বচ্ছতার উদ্যোগের মধ্যেই ডিসি সারওয়ারকে প্রত্যাহার, নানা প্রশ্ন

সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমকে হঠাৎ প্রত্যাহার করাকে কেন্দ্র করে নানা আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নেওয়া তার উদ্যোগের সঙ্গে এই প্রত্যাহারের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

যদিও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এটিকে সরকারি কর্মচারীদের নিয়মিত বদলি প্রক্রিয়ার অংশ বলে উল্লেখ করেছেন।

রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে এতে প্রত্যাহারের কারণ বা তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সোমবারের মধ্যেই তাকে মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহারের ঘটনায় নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, সম্প্রতি সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেন তিনি।

গত ১২ জুন দুই মাজার পরিদর্শনে গিয়ে তিনি আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশে স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগের কথা জানান। এর ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার মাজারের পুরোনো দানবাক্সগুলো সিলগালা করা হয় এবং নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়। গতকাল শনিবার ডেগের ওপর সিসি ক্যামেরাও স্থাপন করা হয়।

জানা গেছে, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের কাজ চলাকালে মাজারের আয়-ব্যয়ের অসচ্ছতার বিষয়টি সামনে আসে। পরে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দুই মাজার কর্তৃপক্ষের কাছে হিসাব চাওয়া হলে তারা কোনো সন্তোষজনক হিসাব দেখাতে পারেনি।

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মাজারের দান-খয়রাতের অর্থের একটি অংশ কয়েকটি প্রভাবশালী পরিবারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

মাজারের আয়ে স্বচ্ছতা আনার অংশ হিসেবেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান সারওয়ার আলম। তবে মাজার সংশ্লিষ্টদের দাবি, মাজারবিরোধী একটি চক্রের ইন্ধনে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও রেওয়াজ ভেঙে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হিসেবে এটি করা হয়েছে। এর মধ্যেই আজ সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি করা হয়।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে জেলা প্রশাসকের পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, মাজার–সংক্রান্ত পদক্ষেপের কারণেই কি তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো?

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, তাকে পরবর্তীতে পদায়নের জন্য সংযুক্ত করা হয়েছে। এরপর পদায়ন দেওয়া হবে।

মাজার ইস্যুকে কেন্দ্র করে এই প্রত্যাহার নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা তো স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সরকারি কর্মচারীদের বদলি একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা আসবে, যাবে; অনেকেই তো বদলি হচ্ছে, আরও হবে। এটা চলমান (প্রক্রিয়া)। এটা তো আর ব্যতিক্রম কিছু না। আর এসব পদে তো সবসময় এগুলো (বদলি/প্রত্যাহার) হচ্ছে। নতুন কিছু না এটা।

২৭তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম একসময় র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দুর্নীতি ও ভেজালবিরোধী অভিযানের কারণে আলোচনায় আসেন। ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়। তিনবার বঞ্চিত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট তিনি উপসচিব পদে পদোন্নতি পান।

পরে ২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট তাকে সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

জাফলং ও সাদাপাথর এলাকায় পাথর লুট নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার মুখে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদকে প্রত্যাহার করেছিল সরকার। এরপর সেখানে নিয়োগ পান সারওয়ার আলম।