খুঁজুন
, ,

ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের নতুন প্রধান আহমদ বাহিদি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 6 March, 2026, 10:43 am
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের নতুন প্রধান আহমদ বাহিদি

ইরানের সামরিক কাঠামোর অন্যতম শক্তিশালী ও প্রভাবশালী পদ হলো ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) প্রধান। বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ বাহিদি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্যেই তিনি এ দায়িত্ব নেন, যা তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের শুরুতে হামলায় ইরানের অনেক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আইআরজিসির সাবেক প্রধান মোহাম্মদ পাকপুরও রয়েছেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই নিহত হন। তার আগে আইআরজিসি প্রধান ছিলেন হুসাইন সালামী, যিনি ২০২৫ সালের জুনে ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন।

এর আগেও আইআরজিসির শীর্ষ নেতৃত্ব হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। সংস্থাটির কুদস ফোর্সের দীর্ঘদিনের কমান্ডার কাশেম সুলেমানী ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় নিহত হন। ওই হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বাহিদি কে
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর গঠিত আইআরজিসির শুরুর দিক থেকেই যুক্ত ছিলেন আহমদ বাহিদি। ১৯৮০–এর দশকে তিনি গোয়েন্দা ও সামরিক দায়িত্বে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি আইআরজিসির কুদস ফোর্সের নেতৃত্ব দেন। পরে ওই দায়িত্ব পান সোলাইমানি।

যুদ্ধ শুরুর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনী তাকে আইআরজিসির উপপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন। যুদ্ধের প্রথম দিন হামলায় খামেনি নিহত হন বলে জানা যায়। বাহিদি প্রকাশ্যেই ইসলামী বিপ্লবের আদর্শ রক্ষার অঙ্গীকার করেছেন। এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ইসলামী বিপ্লবকে রক্ষা করা বিশ্বের অন্যতম বড় গুণ।’

রাজনৈতিক ভূমিকা
বাহিদি শুধু সামরিক কর্মকর্তা নন; তিনি রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আহমেদিনেজাদ সরকারের সময় তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন। পরে প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক ও প্রশাসনিক উভয়ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ হওয়ায় যুদ্ধকালীন সময়ে আইআরজিসির নেতৃত্ব দিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

বিতর্ক ও নিষেধাজ্ঞা
তবে বাহিদির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগও রয়েছে। ১৯৯৪ সালে আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসে এএমআইএ ইহুদি কমিউনিটি সেন্টারে বোমা হামলার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে ইন্টারপোল ‘রেড নোটিশ’ জারি করেছিল। ওই হামলায় ৮৫ জন নিহত হন। ইরান এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, এটি ভিত্তিহীন। এ ছাড়া ২০২২ সালে মাশা আমিনীর মৃত্যুকে ঘিরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ দমনের ঘটনায় বাহিদির ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিষেধাজ্ঞা দেয়।

নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের মধ্যে ইরানের অনেক শীর্ষ নেতা ও অভিজ্ঞ কমান্ডার নিহত হওয়ায় আইআরজিসিকে নতুন করে সংগঠিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হবে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচী এক সাক্ষাৎকারে বলেন, কিছু সামরিক ইউনিট এখন অনেকটাই স্বতন্ত্রভাবে কাজ করছে। ফলে সমন্বয় বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে আইআরজিসির বিকেন্দ্রীভূত কাঠামো সমন্বয় করে যুদ্ধ পরিচালনা করাই হবে আহমদ বাহিদির প্রধান দায়িত্ব। তারা বলছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের টিকে থাকা অনেকটাই নির্ভর করছে আইআরজিসির সক্ষমতার ওপর।

 

Feb2
Feb2

ওআইসি দেশগুলোর উদ্যোগে ১০০০ দুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 9:09 pm
ওআইসি দেশগুলোর উদ্যোগে ১০০০ দুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র

সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিপাত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ঢাকায় অবস্থিত অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক মিশন। তাদের সম্মিলিত উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরীর ১৭ নম্বর পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে এক হাজার বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

রোববার আয়োজিত এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ত্রাণ বিতরণ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এ সময় মেয়র বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবতা। সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের অনেক পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। এমন সময় ওআইসি সদস্য দেশগুলোর এই আন্তরিক সহযোগিতা দুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবসময়ই আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর এই সহমর্মিতা শুধু ত্রাণ সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি আমাদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, সংহতি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, পানি নিষ্কাশন, স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দেশি বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ দুর্যোগ মোকাবিলাকে আরও কার্যকর করে তুলবে।

তিনি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রসমূহের ঢাকাস্থ দূতাবাস ও হাইকমিশনগুলোর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

ফিলিস্তিন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা বলেন, মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ওআইসি সদস্য দেশগুলোর অন্যতম অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশের মানুষের প্রতি এই সহায়তা সেই অঙ্গীকারেরই বহিঃপ্রকাশ।

ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর ঢাকাস্থ দূতাবাস ও হাইকমিশনের সম্মিলিত উদ্যোগে পরিচালিত এই ত্রাণ কর্মসূচির আওতায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, ফিলিস্তিন দূতাবাসের প্রতিনিধি ড. খালেদ আবুশাউইশ (Dr. Khaled Abushawish) এবং ড. আবদেলরহমান আলসোরাদি (Dr. Abdelrahman Alsoradi), চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা সহ ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পতেঙ্গায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের পাশে মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 9:00 pm
পতেঙ্গায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের পাশে মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে সাম্প্রতিক রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত ও জোয়ারের পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। পতেঙ্গা থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক মানবিক কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে নগরীর উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডের কাটঘর এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেয়র ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় শুকনা খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।

এ সময় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। আমাদের প্রধানমন্ত্রী একজন মানবিক প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় অসহায় মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি এবং ভবিষ্যতেও এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে। বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। তাই দল-মত নির্বিশেষে বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।

তিনি এই মানবিক উদ্যোগ সফল করতে নিরলসভাবে কাজ করা দলীয় নেতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের ধন্যবাদ জানান এবং দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুজিবুল হক, পতেঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, পতেঙ্গা হালিশহর শ্রমিক দলের সভাপতি আবু জাফর, ৪০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হারুন কোম্পানি, ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক মো. লোকমান, সদস্য সচিব মনজুর কাদেরসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মানবতার সেবায় মহানগর বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 8:39 pm
মানবতার সেবায় মহানগর বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান

সাম্প্রতিক অতিভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম আরও বেগবান ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে নগর বিএনপির ত্রাণ কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ও ত্রাণ কমিটির আহ্বায়ক নাজিমুর রহমান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এরশাদ উল্লাহ বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। আমি মহানগর বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা ত্রাণ তহবিলে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে আরও বেশি সংখ্যক অসহায়, দুস্থ ও বন্যাকবলিত মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। অনেক পরিবার আজ কর্মহীন ও খাদ্যসংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের কষ্ট লাঘবে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জরুরি ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করব। মানবিক এই উদ্যোগে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে এলে ইনশাআল্লাহ আমরা আরও বেশি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারব।

সভায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য গঠিত ত্রাণ তহবিলে নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিকভাবে ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। এসময় ৫০ লাখ টাকার ত্রাণ তহবিল গঠনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিজ নিজ অবস্থান থেকে ত্রাণ সংগ্রহ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করবেন। একই সঙ্গে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের ত্রাণ তহবিলে সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানানো হয়। প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ত্রাণ কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক অনুদান গ্রহণ করবেন এবং তা দ্রুত বন্যাদুর্গত ও অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সাইফুল আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, শিহাব উদ্দিন মুবিন, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু ও আহামেদুল আলম রাসেলসহ মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে মানবিক এই কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।