চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত নিরাপদ নগরী গড়তে জিরো টলারেন্স
চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) নবাগত কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলী বলেছেন, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত নিরাপদ নগরী গড়তে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। নগরবাসীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সন্ত্রাস, চুরি-ছিনতাই ও কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। কোন পুলিশ সদস্য অপরাধে জড়িত থাকার প্রমান পাওয়া গেলে ছাড় নেই। সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীরা সিএনজি অটোরিক্সা বা মোটরসাইকেলে এসে মানুষের গুরুত্বপূর্ণ মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে সটকে পড়ে। এ ধরণের ছিনতাই রোধে পুলিশের বিশেষ নজর থাকবে। যানজটমুক্ত নগর উপহার দিতে ট্রাফিক বিভাগকে আরও আধুনিকায়ন করা হবে। অপরাধ দমনে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ হটস্পটগুলোকে সিসিটিভির আওতায় আনা হবে। এ লক্ষ্যে নতুন করে ম্যাপ তৈরীর কাজ শুরু হয়েছে। আপনাদের সহযোগিতা পেলে নিরাপদ নগরী উপহার দিতে পারবো।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে দামপাড়াস্থ সিএমপি’র সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ও অতিরিক্ত দায়িত্বে (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) জনাব মোঃ ফেরদৌস আলী চৌধুরী (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মোঃ আলমগীর হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেসনস) মোঃ রইছ উদ্দিনসহ উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, ৩৪তম কমিশনার হিসেবে গতকাল ১ এপ্রিল বুধবার সিএমপিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক হাসান মোঃ শওকত আলী। নবযোগদানকৃত সিএমপি কমিশনার ১৯৯৯ সালে ১৮তম বিসিএস-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ, ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে লাইবেরিয়া, হাইতি ও মালিতে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। সিএমপিতে যোগদানের পূর্বে তিনি ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশে ডিআইজি (লজিস্টিক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন