খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ মিলিমিটার বৃষ্টিতে সড়কের কোথাও হাঁটু, কোথাও বুকসমান পানি, ভোগান্তিতে মানুষ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
১০ মিলিমিটার বৃষ্টিতে সড়কের কোথাও হাঁটু, কোথাও বুকসমান পানি, ভোগান্তিতে মানুষ

টানা বৃষ্টিতে আবারও পানির নিচে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম নগরের কয়েকটি সড়ক। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে নগরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পথচারীরা।

নগরের প্রবর্তক মোড়, আগ্রাবাদ, হালিশহর, নিউমার্কেট, তিন পুলের মাথা, কাতালগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কে পানি জমে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি দেখা গেছে প্রবর্তক মোড় এলাকায়।

দুপুরের দিকে প্রবর্তক মোড়ের বড় অংশ ডুবে যায় কালচে ও দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে। গতকাল সোমবার যেখানে হাঁটুপানি ছিল, আজ সেখানে পানি উঠে বুকসমান। ওই পানির ভেতর দিয়েই রিকশা চালিয়ে যাওয়ার সময় কথা হয় চালক মোহাম্মদ সাইফুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, খালের সংস্কারকাজ চলার কারণে কয়েক দিন ধরেই এখানে পানি জমছিল। বৃষ্টি হওয়ায় সেই পানি আরও বেড়ে গেছে। এখন চলাচল করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বদনা শাহ মাজার গেট থেকে প্রবর্তক মোড় পর্যন্ত পুরো সড়ক ডুবে আছে পানিতে। ওই অংশে হিজড়া খালের সম্প্রসারণকাজ চলছে। খালের মুখে দেওয়া অস্থায়ী বাঁধ পানিনিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে খালের পানি উপচে সরাসরি সড়কে উঠে আসছে। পানির কারণে যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। সামান্য একটি অংশ পার হতে সময় লাগছে দীর্ঘক্ষণ। অবশ্য এ সড়ক এড়িয়ে চলছেন যানবাহনের চালকেরা।

পথচারীদের দুর্ভোগ দেখা গেছে আরও বেশি। কেউ জুতা হাতে নিয়ে ও কাপড় গুটিয়ে নেমেছেন পানিতে। কেউ আবার সড়ক বিভাজকের ওপর দিয়ে ভারসাম্য রেখে পার হওয়ার চেষ্টা করছেন। বেসরকারি চাকরিজীবী ফারুক হাসান বলেন, ‘একটু বৃষ্টি হলেই প্রবর্তকে পানি জমে যায়। আজ তো অবস্থা আরও খারাপ। অফিসে যেতে গিয়ে মনে হচ্ছে যুদ্ধ করছি।’

একই চিত্র তুলে ধরলেন কলেজছাত্রী ইসরাত জাহান। তিনি বলেন, ‘রাস্তা দিয়ে হাঁটা যাচ্ছে না। পানি এত নোংরা যে নামতেও ভয় লাগে। কিন্তু অন্য কোনো পথ নেই। বাধ্য হয়েই নামতে হচ্ছে।’

যানবাহনের চালকদের জন্যও পরিস্থিতি কম ঝুঁকিপূর্ণ নয়। পানিতে ডুবে যাচ্ছে গাড়ির চাকা, কোথাও কোথাও ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক আবদুল মালেক বলেন, ‘সকাল থেকে শহরের অনেক জায়গায় ঘুরেছি। কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও গোড়ালিসমান। পানি বেশি থাকলে গাড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। যাত্রীরাও উঠতে চায় না। এতে আয়ও কমে যায়, ভোগান্তিও বাড়ে।’

নগরের আমতলের তিন রাস্তার মাথা এলাকায়ও পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। কোথাও নালা উপচে পানি সড়কে উঠেছে, আবার কোথাও পানি নামার পথ বন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধতা স্থায়ী হচ্ছে।

এদিকে নগরীতে সকাল নয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দীন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘প্রবর্তকের পাশে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। যার কারণে সাময়িকভাবে পানি চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।’

তিনি জানান, চলমান উন্নয়নকাজ শেষ হলে ওই এলাকায় পানি জমার সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Feb2

টেকসই উন্নয়ন ও জনভোগান্তি কমানোর ওপর জোর দেবে সিডিএ : ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
টেকসই উন্নয়ন ও জনভোগান্তি কমানোর ওপর জোর দেবে সিডিএ : ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেছেন, চলমান প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনভোগান্তি কমানো এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সব সেবা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবে সিডিএ।

রোববার (১৪ জুন) ঢাকা থেকে ফিরে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, সব সেবা সংস্থার একটাই লক্ষ্য হওয়া উচিত চট্টগ্রামকে আরও ভালো কিছু দেওয়া। সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই নগরীর দীর্ঘদিনের সংকটগুলোর সমাধান সম্ভব নয়। চট্টগ্রাম দেশের অর্থনৈতিক হৃৎপিণ্ড। কিন্তু জলাবদ্ধতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সমন্বয়ের অভাব এই শহরের সম্ভাবনাকে ব্যাহত করছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক), ওয়াসা, ওয়াপদা, গ্যাস বিভাগ, ট্রাফিক বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে সিডিএ আগামী দিনে কাজ করবে। চলমান প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনভোগান্তি কমানো এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বেলায়েত হোসেন আরও বলেন, আমরা এমন একটি চট্টগ্রাম দেখতে চাই, যেখানে নাগরিক সেবা পাওয়া সহজ হবে এবং পাহাড়-প্রকৃতি সংরক্ষণ করে পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সিডিএর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আমি বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, নগরকে সাজাতে হবে বৈজ্ঞানিক ও যুগোপযোগী পদ্ধতিতে। এ জন্য তিনি নগর পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশকর্মী ও গবেষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে চান। তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে সিডিএর উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, অপরিকল্পিত উন্নয়ন উপকারের বদলে জাতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তা আর হতে দেওয়া হবে না। এই নগরকে ভালো কিছু দেওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য।

দাপট দেখাল তুরস্ক, জিতল অস্ট্রেলিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ণ
দাপট দেখাল তুরস্ক, জিতল অস্ট্রেলিয়া

বল দখল থেকে আক্রমণ– সবদিক থেকেই অনেকটা একপেশে দাপট ছিল ২৪ বছর পর ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে ফেরা তুরস্কের। কিন্তু ফিনিশিং ব্যর্থতায় তাদের গোলটাই পাওয়া হয়নি। অন্যদিকে, কাউন্টার অ্যাটাকে ক্যারিশমা দেখিয়ে ২-০ গোলে ম্যাচটি জিতে নিলো অস্ট্রেলিয়া।

কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে ৭২ শতাংশ বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল তুরস্কের। আর গোলের লক্ষ্যে নেয় ৮টি শট। বিপরীতে স্রেফ ২ শট নেওয়া অস্ট্রেলিয়ান সকারুজরা কেমন চাপে ছিল তা বোঝাই যায়। কিন্তু ২০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা ও কনর মেটকাফের গোলে সেসব পরিসংখ্যানকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

অবশ্য তুরস্কের আক্রমণ ঠেকানোর মূল ভূমিকায় ছিলেন ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখানো অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ। তিনি আটটি সেভ করেন। এটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার টানা ষষ্ঠ এবং সব মিলিয়ে সপ্তম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ। বিপরীতে, ২০০২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার পর তুরস্ক টানা পাঁচটি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি। এবার প্লে-অফে কসোভোকে হারিয়ে তারা ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৭তম মিনিটে গোলের সূচনা করেন ইরানকুন্ডা। তিনজন ডিফেন্ডারের চাপের মাঝেও নিচু শটে তিনি বল জালে পাঠান। গোল উদযাপনের সময় ইরানকুন্ডা কর্নার ফ্ল্যাগে ঘুষি মেরে অস্ট্রেলিয়ার ফুটবল কিংবদন্তি টিম কাহিলকে শ্রদ্ধা জানান। ২০ বছর বয়সী এই ওয়াটফোর্ড ফরোয়ার্ড বিশ্বকাপে গোল করা অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়।

কয়েক মিনিট পর তুরস্কের আবদুলকেরিম বারদাকচির দূরপাল্লার জোরালো শট ঠেকিয়ে দেন বিচ। কোচ টনি পপোভিচের চমকপ্রদ সিদ্ধান্তে অভিজ্ঞ ম্যাথিউ রায়ানের পরিবর্তে বিচ অস্ট্রেলিয়ার গোলপোস্টের দায়িত্ব পান। তুরস্কের ২১ বছর বয়সী জুভেন্তাস খেলোয়াড় কেনান ইলদিজ শুরুর একাদশে ছিলেন না। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মাঠে নামানো হয় তাকে।

ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে তুরস্ক একটি বিপজ্জনক ফ্রি-কিক পায়। রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিভাবান ২১ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার আরদা গুলারের নেওয়া সেই শটও রুখে দেন বিচ। মজার বিষয়, তুরস্ক সর্বশেষ যখন বিশ্বকাপে খেলেছিল, তখন গুলারের জন্মই হয়নি। এদিকে, ৭৫তম মিনিটে ইসমাইল ইউকসেকের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কনর মেটকাফ।

কাতার বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের কাছে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে এরপর গ্রুপ পর্বে তিউনিসিয়া ও ডেনমার্ককে হারিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছিল তারা। সেখানে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নেয় অস্ট্রেলিয়া।

আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বসতঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১১টার দিকে আনোয়ারার পারৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি গ্রামে এ জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হামলায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুসন্তান। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে অভিযুক্তের ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন– ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুসন্তান পিয়াস বড়ুয়াকে (৫) উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে সুজন বড়ুয়ার পরিবারে সুদের টাকাসহ অভ্যন্তরীণ ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরেই গতকাল রাত ১১টার দিকে বসতঘরে ঢুকে মা, মেয়ে ও শিশুর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া (৩৫)। তিনি ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।

চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করেন। এর মধ্যে এনি বড়ুয়া ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু পিয়াস বড়ুয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘প্রতিবেশী তেজপ্রিয় বড়ুয়ার সঙ্গে আমাদের আর্থিক লেনদেন ছিল। এ-সংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে বাড়িতে এসে হামলার ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার সময় আমি শহরে ছিলাম। রাতে বড় ভাইয়ের মোবাইল ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি সব শেষ হয়ে গেছে।’

আনোয়ারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ নিহত মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে জড়িত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।