খুঁজুন
, ,

শান্তর রেকর্ড সেঞ্চুরি ও মুমিনুলের আক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 8 May, 2026, 7:42 pm
শান্তর রেকর্ড সেঞ্চুরি ও মুমিনুলের আক্ষেপ

মিরপুরে দিনের শুরুতে পাকিস্তানি বোলারদের দাপটে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু চাপের মুখে দলের কাণ্ডারি হয়ে ওঠেন দলনেতা নাজমুল হোসেন শান্ত। পাকিস্তানের বোলারদের শাসন করে তুলে নেন রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরি। কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠটাও দেখেছে মিরপুর। মুমিনুল হকের মৌন হাহাকারে ছেয়ে গেছে ভক্তদের মন। ৯ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।

শান্তর রেকর্ডের উল্লাস, মুমিনুলের নার্ভাস নাইনটিজের আক্ষেপ এবং মুশফিকুর রহিমের ক্যামিও ইনিংসের ওপর ভর করে মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনটা নিজেদের নামে লিখেছে টাইগাররা। দিনশেষে ৪ উইকেটে ৩০১ রান তুলেছে বাংলাদেশ দল।

শুরুতে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তানের অধিনায়ক শান মাসুদ। ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি টাইগারদের। ১৯ বলে মাত্র ৮ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। তাকে আউট করে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম পাকিস্তানি বোলার হিসেবে ১০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।

কিছুক্ষণ পরে আউট হন আরেক ওপেনার সাদমান ইসলামও। হাসান আলীর করা বলে সালমান আলী আঘার হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। আউট হওয়ার আগে করেন ৩০ বলে ১৩ রান।

মাত্র ৩১ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে খানিকটা চাপেই পড়ে বাংলাদেশ। এমতাবস্থায় সামনে থেকে লিড দিতে থাকেন দলনেতা নাজমুল হাসান শান্ত। আর তার সঙ্গে আপনতালে খেলতে থাকেন মুমিনুল হকও। পাকিস্তানি বোলারদের শাসন করে যাওয়া এই দুই ব্যাটার মিলে গড়েন ১৭০ রানের জুটি।

মাত্র ১২৯ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি তুলে নেন শান্ত। সর্বশেষ ৮ ইনিংসে তার শতকের সংখ্যা ৪, অর্থাৎ সর্বশেষ পাঁচ টেস্টের চারটিতেই তিনি ছুঁয়েছেন ম্যাজিক ফিগার। আবার অধিনায়ক হিসেবেও এটি ছিল শান্তর পঞ্চম সেঞ্চুরি। তাতেই লেখেন ইতিহাস। বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন হিসেবে মাত্র ১৭ ম্যাচ খেলে সবচেয়ে বেশি শতকের মালিক এখন শান্ত। ৩৪ ম্যাচে চার সেঞ্চুরিতে পেছনে পড়ে যান মুশফিক।

অবশ্য সেঞ্চুরি পূরণের পর বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি শান্ত। আউট হওয়ার আগে করেন ১০১ রান। ১৩০ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি ১২টি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো।

এদিকে চতুর্থ উইকেটে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে ৭৫ রানের জুটি গড়েন মুমিনুল হক। ফিফটি পূরণের পর সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন তিনি। কিন্তু নার্ভাস নাইনটিজে থামেন মুমিনুল। নোমান আলী করা বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়লে ৯১ রানে থামে তার ইনিংস। অবশ্য রিভিউ নিয়েছিলেন তিনি। তাতে কোনো লাভ হয়নি। ২০০ বলে খেলা মুমিনুলের এই ইনিংসটি ১০টি চারে সাজানো।

এরপর লিটন কুমার দাসকে নিয়ে দিনের শেষ পর্যন্ত খেলে যান মুশফিকুর রহিম। ১০৪ বলে ছয়টি চারে ৪৮ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি। আর ৩৫ বল খেলে ৮ রান করে প্রথম দিন শেষ করেছেন লিটন।

পাকিস্তানের হয়ে একটি করে উইকেট নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি, হাসান আলী, নোমান আলী ও মোহাম্মদ আব্বাস।

Feb2

টানা ছয় বিশ্বকাপে গোল করে রোনালদোর বিশ্ব রেকর্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 23 June, 2026, 11:21 pm
টানা ছয় বিশ্বকাপে গোল করে রোনালদোর বিশ্ব রেকর্ড

২০০৬ সালের বিশ্বকাপে অভিষেক, খেলছেন এবারও। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রতিবারই গোল করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আজ মাঠে নেমে জাল খুঁজে পেয়েই প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা ছয়টি বিশ্বকাপে গোল করার মহাকাব্যিক বিশ্বরেকর্ড গড়লেন পর্তুগিজ এই মহাতারকা।

টানা তো দূরের কথা, ফুটবল ইতিহাসের দীর্ঘ পথচলায় ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ডই নেই আর কোনো ফুটবলারের। রোনালদোর পর টানা না হলেও পাঁচটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি আছে কেবল তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির। আজ সিআরসেভেন ইতিহাস নতুন করে লিখলেন।

২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপে অভিষেক হয় রোনালদোর। সেবার মাত্র একটিই গোল করেছিলেন তিনি। সেই গোলটি আসে ইরানের বিপক্ষে। এরপর ২০১০ এবং ২০১৪ বিশ্বকাপেও একটি করে গোল করেছেন তিনি।

বিশ্বকাপের আসর হিসেব করলে রোনালদোর জন্য স্মৃতিময় হয়ে আছে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপ। সেবারই বিশ্বকাপে নিজের প্রথম এবং একমাত্র হ্যাটট্রিকটি করেন তিনি। সেই হ্যাটট্রিকটি এসেছিলো স্পেনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে। আর সেবারের বিশ্বকাপে রোনালদো করেছিলেন মোট চারটি গোল। এদিকে কাতার বিশ্বকাপে রোনালদোর পা থেকে এসেছে মাত্র একটি গোল।

ফলে আগের পাঁচটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে রোনালদো এখন পর্যন্ত করেছেন মোট আটটি গোল। এবারের বিশ্বকাপে নবম গোল পেয়ে গেলেন তিনি।

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের দাবি প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 23 June, 2026, 10:32 pm
জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের দাবি প্রধানমন্ত্রীর

জলবায়ু ‘ক্ষয়ক্ষতি তহবিল’ কেবল প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সহজলভ্য করা এবং ‘সবুজ জলবায়ু তহবিল’কে আরও কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন, ২০২৬) চীনের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এর ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন অ্যা শিফটিং গ্লোবার ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে প্রযুক্তি, অর্থায়ন এবং পারস্পরিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু সংকটে কেবল প্রশমন নয়, বরং অভিযোজনও সমানভাবে অপরিহার্য।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন দাভোস সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়াও বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’ প্রতিপাদ্যের ওপর ভিত্তি করে আয়োজিত এই সম্মেলনে ৯০টি দেশের প্রায় ১,৭০০-এর অধিক প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতারা অংশগ্রহণ করছেন।

সম্মেলনস্থলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। উল্লেখ্য যে, ২৩ জুন শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলন ২৫ জুন পর্যন্ত চলবে।

একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 23 June, 2026, 5:53 pm
একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

জামায়াতপন্থি ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২২ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তারা একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পদত্যাগকারী ৭ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও তারিকুল ইসলাম।

১০ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন—ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির ও রেজাউল ইসলাম।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ আলী বলেন, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা, সুপ্রিম কোট সচিবালয় নিয়োগ অধ্যাদেশ ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল করায় এর প্রতিবাদে আমরা একযোগে পদত্যাগ করেছি।