খুঁজুন
রবিবার, ১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধাপে ধাপে হবে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
ধাপে ধাপে হবে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করতে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা এবং পেনশনারদের জন্য অতিরিক্ত প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। ফলে আগামী জুলাই থেকে ধাপে ধাপে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার।

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের বাজেট বিষয়ে বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ নির্দেশনা দিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন থেকেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আমরা জুলাই থেকে নতুন কাঠামোতে বেতন পাব, এতে কোনো সংশয় নেই।

তিনি আরও বলেন, নতুন বেতন কাঠামো কয়েক ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। তবে নতুন বেতন কাঠামোর কত অংশ জুলাই থেকে দেওয়া হবে, তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

কর্মকর্তারা জানান, তিন অর্থবছরে পুরো বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হতে পারে। এর মধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামোর বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ দেওয়া হতে পারে। আর ২০২৮-২৯ অর্থবছরে যুক্ত হতে পারে ভাতাগুলো।

ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ যেমন কম হবে, তেমনি সরকারের অর্থায়নও সহজ হবে। আগামী অর্থবছর থেকে মূল বেতনের অর্ধেক দিতে ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি সংস্থান রাখা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। চলতি অর্থবছরে সরকারের প্রায় ১৫ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতায় প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

সে অনুযায়ী আগামী অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রীর খসড়া বাজেট বক্তব্যে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। প্রধানমন্ত্রীর সামনে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য অর্থ বরাদ্দের পরিকল্পনা ও ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরলে তিনি তাতে সম্মতি দিয়ে জুলাই থেকে কার্যকর করার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানান কর্মকর্তারা।

Feb2

নাগরিকদের দোরগোড়ায় ভূমিসেবা পৌঁছে দেয়া মেলার লক্ষ্য: বিভাগীয় কমিশনার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
নাগরিকদের দোরগোড়ায় ভূমিসেবা পৌঁছে দেয়া মেলার লক্ষ্য: বিভাগীয় কমিশনার

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আগামী ১৯-২১মে পর্যন্ত ৩ দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গনে আয়োজন করা হয়েছে। দেশব্যাপী বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ভূমি অফিসগুলোতে একই সময়ে এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের মেলার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে-‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা, সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ’। জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের দোরগোড়ায় সরাসরি ভূমিসেবা পৌঁছে দেওয়াই এই মেলার মূল লক্ষ্য।

এ উপলক্ষে আজ ১৭ মে রোববার বিকেলে সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) শারমিন জাহান ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন বলেন, বর্তমান সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম একটি ক্ষেত্র হল জনবান্ধব ভূমিসেবা জনসাধারণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। ভূমি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ভূমি সংক্রান্ত সেবাসমূহ অটোমেশনের মাধ্যমে জনগণের নিকট পৌঁছানোর লক্ষ্যে নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এ সকল কার্যক্রম সর্বসাধারণের মাঝে ব্যাপক আকারে প্রচার করা আবশ্যক। জনগণের দোরগোড়ায় সহজ, স্বচ্ছ ও ডিজিটালাইজড ভূমিসেবা পৌঁছে দেওয়ার এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক দেশজুড়ে ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে একজন গণমাধ্যমকর্মী অভিযোগ করে বলেন, কিছু কিছু জমি সি.এস ও আর.এস জরীপে ব্যক্তি মালিকানাধীন ও দখলে থাকলেও এটির বি.এস জরীপ সরকার পক্ষে। এসব ভূমির প্রকৃত ওয়ারিশগণ বিজ্ঞ আদালতে মামলা করে রায় পাওয়ার পর নামজারীর আবেদন করেন। নামজারীর নথিগুলো সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা ভূমি অফিস থেকে নিষ্পত্তি না করে এটিতে সরকারী স্বার্থ আছে বলে অধিকতর শুনানীর জন্য জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। এতে ভূমির প্রকৃত মালিকগণ দীর্ঘ হয়রানির শিকারবিভিন্ন অজুহাতে বাতিল করে দেয়া হয়।
গণমাধ্যমকর্মীর এমন বক্তব্যেরে আলোকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার বলেন, আমরা বিষয়গুলো খতিয়ে দেখব এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সঠিক বলে প্রতীয়মান হলে কোন ধরণের হয়রানি ছাড়াই ভূমির নামজারী যাতে সম্পন্ন হয় সে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে।

ভূমিসেবা মেলার উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি বলেন, ভূমিসেবা ডিজিটালাইজেশন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নাগরিকদের দোরগোড়ায় ভূমিসেবা সহজলভ্য করা, মেলায় নাগরিকদের সরাসরি ভূমিসেবা প্রদান, অনলাইন ভূমিসেবা সিস্টেম ব্যবহারে নাগরিকদের উৎসাহ প্রদান, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানে নাগরিকদের সহযোগিতা প্রদান এবং রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক সমাধান এবং ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি।

মেলার কার্যক্রম ও সেবা সম্পর্কে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, মেলায় সাধারণ নাগরিকদের সুবিধার্থে জনগণের কাঙ্খিত সেবাসমূহ তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হবে। তন্মধ্যে অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর, দাখিলা প্রদান ও নতুন রেজিস্ট্রেশন, ই-নামজারি-আবেদনের পর দ্রুত নিষ্পত্তির সুযোগ, খতিয়ানের কপি-সার্টিফাইড কপি প্রদানের আবেদন গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক সেবা. ভূমিহীনদের খাস জমি-বন্দোবস্তকৃত কৃষি খাস জমির কবুলিয়ত ও দলিল হস্তান্তর, অভিযোগ নিস্পত্তি-১৬১২২ হটলাইন ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ বা জিজ্ঞাসার সমাধান।

তিনি বলেন, মেলায় স্থাপিত ডিজিটাল বুথ থেকে সাধারণ মানুষকে অনলাইন ভূমি সেবা ব্যবহারের নিয়ম শেখানো হবে। বিশেষ করে, নাগরিকরা কিভাবে ঘরে বসে ই-নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করবেন, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ভূমি সেবাকে হয়রানিমুক্ত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করাই এই মেলার মূল লক্ষ্য। সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকরা এই মেলা সম্পর্কে জানবেন এবং সেবা গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী। ভূমি সংক্রান্ত যে কোন তথ্য বা সেবার জন্য মেলায় আসার জন্য সর্বসাধারণকে আহ্বান জানান বিভাগীয় কমিশনার।

ডিএমপির নতুন কমিশনার হলেন মোসলেহ উদ্দিন আহমদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
ডিএমপির নতুন কমিশনার হলেন মোসলেহ উদ্দিন আহমদ

অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৭ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ হতে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব তৌছিফ আহমদ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অপরাধ তদন্ত বিভাগের অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৬ মার্চ তাকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

মোসলেহ উদ্দিন আহমদ ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। সিআইডিতে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি পুলিশ সদর দফতরের লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন ডিরেক্টরেটের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এ ছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশে (সিএমপি) দায়িত্ব পালন করেন তিনি। কুষ্টিয়া, ভোলা ও শেরপুরসহ বিভিন্ন জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পেশাগত জীবনে জাতিসংঘের আফ্রিকান ইউনিয়ন-ইউনাইটেড নেশনস হাইব্রিড অপারেশন ইন দারফুর-এ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

‘রাষ্ট্রের ভেতর আরেক রাষ্ট্র’ খ্যাত জঙ্গল সলিমপুরেই হচ্ছে অত্যাধুনিক কারাগার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
‘রাষ্ট্রের ভেতর আরেক রাষ্ট্র’ খ্যাত জঙ্গল সলিমপুরেই হচ্ছে অত্যাধুনিক কারাগার

একসময় ‘রাষ্ট্রের ভেতর আরেক রাষ্ট্র’ হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে এবার গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের অত্যাধুনিক একটি কারাগার। যে এলাকায় একসময় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর দাপটে দেড় লাখের বেশি মানুষ জিম্মিদশায় ছিলেন, সেই এলাকাটিই এখন বেছে নেওয়া হয়েছে অপরাধ সংশোধন ও পুনর্বাসনের নতুন কেন্দ্র হিসেবে। ৭০ একর জমিতে নির্মিতব্য এই কারাগারে প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রাম মহানগর আদালতে বিচারাধীন প্রায় দুই হাজার আসামিকে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

জঙ্গল সলিমপুর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, হাটহাজারী এবং নগরীর বায়েজিদ, পাহাড়তলী ও খুলশী এলাকার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চল। এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ চলত। একাধিক উচ্ছেদ অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। এমনকি কয়েক মাস আগেও র‌্যাব সদস্যকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে সেখানে। এখন সেই এলাকাটিই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং সেখানে নতুন কারাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে ৭০ একর জমি বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন, বর্তমান কারাগার অতিরিক্ত বন্দির চাপে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি বন্দি থাকায় ওভারলোড পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাই মেগা সিটির প্রয়োজন অনুযায়ী একটি আধুনিক কারাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের স্থাপনাটি প্রায় ১৪০ বছরের পুরোনো। এর ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৪৯ জন হলেও বর্তমানে সেখানে বন্দি রয়েছেন ৬ হাজার ৩৩৮ জন। এর মধ্যে মহানগর আদালতে বিচারাধীন মামলায় আটক প্রায় দুই হাজার বন্দিকে নতুন কারাগার নির্মাণের পর সেখানে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষের ডিআইজি (প্রিজন) মো. ছগির মিয়া জানান, নতুন কারাগার নির্মিত হলে সেখানে মেট্রো এলাকার হাজতি ও কয়েদিদের রাখা হবে। এতে জেলা ও মহানগরের বন্দিদের আলাদা রাখা সম্ভব হবে, যা সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় সুবিধা আনবে।

অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে কারা প্রশাসন। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী কারাগারটি কেবল বন্দি আটকে রাখার স্থান হবে না। সেখানে পুনর্বাসন, শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বন্দিদের দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থাও থাকবে, যাতে মুক্তির পর তারা সমাজে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া জানান, আধুনিক কারাগারের ধারণা অনুযায়ী বন্দিদের জন্য সীমিত শিক্ষার পরিবেশ, খেলাধুলা এবং প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের সুযোগ রাখা হবে, যাতে তারা সংশোধিত হয়ে পুনরায় অপরাধে না জড়ান।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই পাহাড়ি এলাকায় পরিবেশের ক্ষতি না করে পরিকল্পিতভাবে কারাগার নির্মাণের বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। চট্টগ্রামের হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান বলেন, প্রাকৃতিক পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রেখে পরিকল্পিতভাবে কারাগার নির্মাণ করা হলে এটি মানবাধিকার ও উন্নয়নের দৃষ্টিকোণ থেকে ইতিবাচক উদ্যোগ হতে পারে।