খুঁজুন
, ,

ঝুঁকিতে লামার ত্রিডেবা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় : আতংকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 January, 2020, 4:48 pm
ঝুঁকিতে লামার ত্রিডেবা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় : আতংকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। লামা প্রতিনিধি : দীর্ঘ অর্ধশত বছরেরও বেশি সময় ধরে অবহেলিত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে বান্দরবানের লামা উপজেলার ত্রিডেবা পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত হলেও বিদ্যালয়টি শুধু পড়ালেখাই নয়, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক, বাহ্যিক জ্ঞানসহ শিক্ষামূলক নানা কর্মকান্ডেও এগিয়ে রয়েছে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, বিদ্যুৎ ও পাহাড় ধ্বস ঝুঁকি-এ বিদ্যালয়ের প্রধান সমস্যা। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান।

একটু বড় ধরণের ভূমিকম্প হলেই যে কোনো সময় এ ভবন ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, এমন আশঙ্কা নিয়ে উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এছাড়া বিদ্যালযের সীমানা প্রাচীর না থাকায় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অরক্ষিত এ বিদ্যালয়। দ্রুত নতুন বিদ্যালয়ভবনসহ সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জোর দাবী জানান এলাকাবাসী।

জানা যায়, অবহেলিত এলাকায় শিক্ষা বিস্তারের লক্ষে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি ঘিলাতলী পাড়ায় তৎকালীন জেলা পরিষদ সদস্য ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমির হোসেন মজুমদারসহ কয়েকজন শিক্ষানুরাগী বিদ্যালয়টি ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন।

বিদ্যালয়ের জন্য ৮০শতক জমি দান করেন স্থানীয় বাসিন্দা মৃত মো. রফিকুল ইসলাম মজুমদার। পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ৩ শ্রেণী ও এক অফিস কক্ষ বিশিষ্ট পাঁকা একটি পূণ: বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করে দেয়। গত কয়েক বছর আগ থেকে বিদ্যালয় ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে উপজেলা শিক্ষা অধিদপ্তর।

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে দেড় শতাধিক কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ তিন জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। আশপাশ এলাকায় আর কোন বিদ্যালয় নেই।

সরজমিন বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের বিভিন্ন স্থানের ছাদ, বিম, পিলার, মেঝে ও দেয়ালে ছোট বড় ফাটল। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা ভয় ও শঙ্কা নিয়ে বসছে শ্রেণিকক্ষে। তবে প্রতি বছর সংস্কার ও রংয়ের কাজ করার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার বিষয়টি বুঝা দায়। একটু মনোযোগ সহকারে দেখলে ফুটে ওঠবে বিদ্যালয়টি, ‘উপরে ফিটফাট ভিতরে সদর ঘাট’।লামা ক্রিডেবা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

এছাড়া সীমানা প্রাচীর না থাকায় অরক্ষিত হয়ে পড়ে আছে বিদ্যালয়টি। ফলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি গত কয়েক বছর ধরে বিদ্যালয় ভবনের পশ্চিম পাশ থেকে মাটি ধসে ঝিরিতে পড়ছে। এতে দিন দিন আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে বিদ্যালয় ভবনটি। পাশ দিয়ে বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপিত হলেও বিদ্যালয়ে নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। এতে রাতের বেলায় বিদ্যালয় এলাকা ভুঁতুতে পরিবেশে পরিণত হয়।

বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইয়াসমিন সুলতানা রিয়া ও মো. জামসেদুল ইসলাম ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানায়, বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি হলে বিদ্যালয় ছাদ ছুঁয়ে পানি পড়ে। এতে আবার বিদ্যালয়ের মেঝে স্যঁত স্যঁতে হয়ে যায়। উপর থেকে ঝরে পড়ে পলেস্তারা। আবার কখন বিদ্যালয় ভবনটির পাশ থেকে মাটি সরে গিয়ে ভবনটি ধসে পড়ে, সব সময় এ আতংকে থাকি। এ অবস্থা গত চার বছর ধরে দেখে আসছি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান মংয়ইন খিং মার্মা বলেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ কর্তৃক ভবনটি নির্মাণ করা হয়। গত কয়েক বছর ধরে ছাদের বিম ও দেয়ালে ফাটল দেখা দেয়। ক্লাস চলার সময় প্রায়ই ছাদের বিম থেকে খোয়া ঝরে পড়ে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটলেও শিক্ষার্থীরা থাকে ভয়ের মধ্যে।লামা ক্রিডেবা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

শুষ্ক মৌসুমে কোন মতে শ্রেণী কার্যক্রম চালানো গেলেও বর্ষা মৌসুমে ছাদ ছুঁয়ে পড়ার কারণে মোটেও সম্ভব হয়না। বিদ্যালয় ভবনটি সংস্কার করলেও টেকসই হবে না। তাই ভবনটি সম্পূর্ণ ভেঙ্গে নতুন ভবন নির্মাণ ছাড়া কোন বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয় ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণে ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতি আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। ভবন ধস আতংকে অনেক অভিভাবকরা তাদের ছেলে মেয়েদেরকে বিদ্যালয়ে আসতে দিচ্ছেনা।

একমত পোষন করে একই কথা জানালেন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাকের হোসেন মজুমদারসহ বিদ্যালয়টি পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুল খালেক।

অভিভাবক আছিয়া বেগম ও কামাল হোসেন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস করায় ছেলে মেয়েকে নিয়ে ভয়ে থাকি। ভূমিকম্প তো রয়েছেই। একটু বড় ভূমিকম্প হলেই ওই ভবন যে ধসে পড়বে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।’ এ অবস্থায় শিগগিরই কর্তৃপক্ষ যেন একটি নতুন ভবন নির্মাণ করে, সে দাবি জানান এ অভিভাবক।

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সত্যতা নিশ্চিত করে লামা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তপন কুমার চৌধুরী ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, দেড় বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ত্রিডেবা পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের তালিকা প্রস্তুত করে শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছিল।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী নাজিম উদ্দিন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানায়, শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিদ্যালয়ের তালিকা অনুমোদন করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে না পাঠানোর কারণে ত্রিডেবা পাড়া ও রাজবাড়ী বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করা যাচ্ছেনা।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 10:25 am
চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে সাতকানিয়ায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। অসংখ্য বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

বাঁশখালীতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে৷ বন্যার পানিতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ভেঙে গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে গেলে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বাঁশখালীর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাজারো মানুষ। দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক মাটির বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও অনেকে এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পুইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা পারভেজ মোশারফ বলেন, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও সমুদ্রের জোয়ারের ফলে পুইছড়ি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ মাটির ঘরও ভেঙে পড়েছে। বসতঘর পানিতে ডুবে যাওয়া রান্নাবান্না হচ্ছে না। তাই খাবারের জন্য কষ্ট পাচ্ছে মানুষ।

এদিকে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান এলাকা, বাজালিয়া অলি আহমেদ বীর বিক্রম কলেজের সামনে এবং দস্তিদারহাটের পূর্ব পাশে সড়কের ওপর দিয়ে কয়েক ফুট উঁচু হয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

ডলু নদী দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েকশ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। উপজেলার অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। অনেক এলাকায় এখনো পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

চন্দনাইশেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর এলাকায় প্রায় দেড় ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ছোট যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ধীরগতিতে যান চলাচলের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চন্দনাইশের বাসায় আবু নাসের আলিফ বলেন, ‘দিনেদিনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। অনেক মানুষ না খেয়ে আছে।’

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 11:28 pm
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।