খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারের পায়ের নিচে মাটি নাই : খন্দকার মাহবুব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৯, ২:৪৫ অপরাহ্ণ
সরকারের পায়ের নিচে মাটি নাই : খন্দকার মাহবুব

.jpg

‘ক্ষমতাসীন অবৈধ সরকারকে ভয় করার কিছু নাই, তাদের পায়ের নিচে মাটি নাই। তারা দোদুল্যমান অবস্থায় আছে। যেকোনো মুহূর্তে তাদের ধাক্কা দিলেই পতন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন।

আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম নামক একটি সংগঠনের আয়োজনে ‘প্রতিহিংসার বিচারে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনতিবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে’ প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরামের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, প্রিন্সিপাল শাহ মোহাম্মদ নেসারুল হক, তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির প্রমুখ বক্তব্য দেন।

খন্দকার মাহাবুব বলেন, ‘এই সরকার অবৈধ। পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে তারা ক্ষমতায় এসেছে। তাদের উচিত নিরপেক্ষ সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন করা।’

তিনি বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে নাকি অপরাধীদের তালিকা আছে। তালিকা রেখে লাভ নাই। আমরা দেখতে চাই কারা সেই অপরাধী। তাদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের কাঠগড়ায় নিয়ে আসতে হবে। আপনি বারবার ভালো ভালো কথা বলবেন আর চমক সৃষ্টি করবেন সেই চমক সৃষ্টির দিন চলে গেছে।’

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এই আইনজীবী বলেন, ‘আমরা অনেক দেখেছি, আমাদের ধৈর্যচ্যুত হয়ে গেছে। এখনো সময় আছে আপনি পদত্যাগ করুন। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। হাইকোর্ট নিয়ে খেলতে যাবেন না। বিচার বিভাগকে নিয়ে খেলতে যাবেন না। বিচারকরাও আপনার খেলার সঙ্গি আর হবে না। আল্লাহর নামে শপথ নিয়ে বলছি, আর কোনোদিন করুণা ভিক্ষা করবো না। হাইকোর্টের বিচার যদি থাকে, সংবিধান অনুযায়ী বিচার যদি করতে পারে তাহলে হাইকোর্টের অস্তিত্ব থাকবে। নতুবা অস্তিত্ব থাকবে কিনা সেটা নিয়ে আমরা সন্দিহান।’

বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘সংবিধানে হাইকোর্টকে যে অধিকার দেয়া হয়েছে সেখানে যদি আইনের শাসন না থাকে তাহলে সেই হাইকোর্ট থাকার অস্তিত্ব নাই। আমরা শপথ নিয়ে এসেছি বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব। আমি হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতিদেরকে সতর্ক করে দিয়ে বলতে চাই, দেশে আইনের শাসন যদি না থাকে তাহলে আপনাদেরও শাসন থাকবে না, আপনাদের অস্তিত্ব থাকবে না।’

Feb2

৮৫০ কোটি আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ডা. রবিউলের ছেলে রিয়াজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
৮৫০ কোটি আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ডা. রবিউলের ছেলে রিয়াজ

৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়েরকৃত একটি মামলায় পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালের ডা. রবিউল হোসেনের ছেলে রিয়াজ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পাহাড়তলী থানা পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার রিয়াজ হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতের ওয়ারেন্ট রয়েছে। তার পিতাসহ কয়েকজন মিলে ৮৫০কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগে পাহাড়তলী থানায় মামলা রয়েছে।

পাহাড়তলী থানা সূত্রে জানা গেছে, অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত একটি বড় আর্থিক অনিয়মের মামলায় রিয়াজ হোসাইন দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের নজরদারিতে ছিলেন। গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গতকাল রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারের পর তাকে থানায় নেওয়া হয়েছে এবং মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কাল (আজ শুক্রবার) তাকে আদালতে হাজির করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মামলার তদন্তে রিয়াজ হোসাইনের ভূমিকা ও আত্মসাৎ করা অর্থের বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার আশা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গ্রেপ্তারের পর রিয়াজ হোসাইনকে পাহাড়তলী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে এবং আত্মসাৎকৃত অর্থের উৎস ও অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। রিয়াজ হোসাইনকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই বিশাল আর্থিক কেলেঙ্কারির অন্তরালে থাকা আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসবে পুলিশ আশা করছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) তাকে আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।

উত্তরায় ভবনে আগুন লেগে তিনজনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ
উত্তরায় ভবনে আগুন লেগে তিনজনের মৃত্যু

রাজধানীর উত্তরার ১১ নং সেক্টরের ১৮ নং সড়কের ৭ তলা একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। ওই ভবন থেকে ১৩ জনকে উদ্ধার করে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, শুক্রবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উত্তরার ১১ সেক্টর-১১ নম্বরের ১৮ নম্বর সড়ক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এমন খবরে সকাল ৭টা ৫৪ মিনিটে উত্তর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো সকাল ৭টা ৫৮ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

আধাঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আর সকাল ১০টার দিকে আগুন সম্পূর্ণভাবে নির্বাপণ করা হয়।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ওই বাসার ভেতরে থাকা তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় ১৩ জনকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। তাদের কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রায় ২ ঘণ্টা সাক্ষাৎ শেষে গুলশানের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৯টা ১১ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা সরকারি বাসভবন যমুনা ত্যাগ করেন তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে বের হয়ে বাসভবনে যান তিনি। বাসভবনে ৬টা ৪৭ মিনিটে প্রবেশ করে ৬টা ৫২ মিনিটে সেখান থেকে বেরিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাসে করে যমুনার উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবাোরের মতো তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তারেক রহমানের সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এই দীর্ঘ সময় তাদের মধ্যকার আলোচনা বিষয়ে বিএনপি কিংবা সরকারের প্রেস উইং থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাত ৯টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি।

গত ২৫ ডিসেম্বর ১৭ বছর পর দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেই ফোনে প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। দেশে আসার ২১ দিন পর আজ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে দেখা করতে এলেন তিনি। যদিও এরমধ্যে গত ৩১ ডিসেম্বর প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় সাক্ষাৎ হয় ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের।

এর আগে গত বছর ১৩ জুন লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই বৈঠক শেষে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই মূলত বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়।