খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত খাল খনন কাজ উদ্বোধন করলেন চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২০, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত খাল খনন কাজ উদ্বোধন করলেন চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম মহাগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে বহদ্দারহাট বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত খাল খনন কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডস্থ ওয়াইজার পাড়া হাজী ফকির মো. সওদাগরের বাড়ির সামনে ফলক উন্মোচন করে এ কাজের উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন।

এই উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় কাউন্সিলর আলহাজ্ব হারুণ উর রশিদ। এই সময় অন্যান্যের মধ্যে চসিক প্যানেল মেয়র জোবাইরা নার্গিস খান, কাউন্সিলর এম আশরাফুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল সোহেল আহমদ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তির পক্ষে মো. ইউনুচ কোম্পানী, মো. ইলিয়াছ,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সালেহ,আনোয়ার হোসেন,মনিরুল হুদাসহ চসিক নির্বাহী প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন চসিকের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নান্দনিক দিক বিবেচনায় খালের দু”পাশে প্রয়োজনীয় বাড়তি জায়গা অধিগ্রহন করে ওয়াকওয়ে নির্মাণের নিদের্শনা দিয়েছেন। তার নির্দেশনানুযায়ি খালটির দৈর্ঘ্য হবে আনুমানিক ২ দশমিক ৯ কিলোমিটার এবং প্রশস্থ ৬৫ফুট। এই নতুন খালের দু”পাশে প্রতিরোধ দেওয়াল নির্মাণ করা হবে। এছাড়া এ খালের দু’পাশে থাকবে ২০ফুট করে সড়ক এবং নির্মাণ করা হবে ৬ফুুট করে ওয়াকওয়ে।

সিটি মেয়র আরো বলেন, এ খালটি হবে নয়নাভিরাম একটি খাল। যা দেশের অন্য কোথাও দেখা যাবে না। এখন বাকলিয়ার মানুষ অবসর বিনোদনের জন্য নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বেড়াতে যাই। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তখন হবে উল্টো। নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের মানুষ ধুলিকণা বিহীন নির্মল বাতাস ও সৌন্দর্য উপভোগের জন্য আসবে এখানেই। এই প্রকল্পটি হবে সেই রকম একটি সৌন্দর্য মন্ডিত প্রকল্প । যা দেশের মানুষ এক নজরে দেখার জন্য শহরতলী এই বাকলিয়াতে ছুঁটে আসবে ।

মেয়র বলেন, খাল খননের জন্য যে সকল ভূমির মালিকের ভূমি অধিগ্রহন করা হবে তাদের টাকা যথাযথ প্রক্রিয়ায় মৌজা মূল্যের তিনগুণ নির্ধারণ করে পরিশোধ করা হবে। এক্ষেত্রে এক চুল পরিমাণ অনিয়মের কোনো সুযোগ থাকবে না। কোনো ভূমি মালিকের কোনো ভবণ যদি প্রকল্পের প্রস্তাবিত এলাইনন্টের মধ্যে পড়ে,তবে তাদেরকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নিয়মনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।

সিটি মেয়র আরো বলেন, এই প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে পূর্ব-পশ্চিম ষোলশহর, চান্দগাঁও, মোহরা, উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব-পশ্চিম বাকলিয়া ও চকবাজারে জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং নতুন যোগাযোগ ব্যবস্থা সৃষ্টির ফলে জনগণের বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সিটি মেয়র অধিগ্রহনকৃত ভূমি মালিকদের উদ্দেশ্য বলেন, আপনারা আমার উপর আস্থা রাখুন,আমার নিজের জায়গা হলে যে রকম গুরুত্ব দিতাম, এখন তার চেয়ে অধিক গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছি। ভূমি মালিকেরা যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতি পূরণের টাকা পায় তার ব্যবস্থা করা হবে। এ প্রকল্পটি এ এলাকার জন্য কত উপকার বয়ে আনবে তা বাস্তবায়িত হওয়ার পর বুঝতে পারবে এলাকাবাসি।তাই এ কাজে যেন কোন ব্যাঘাত না ঘটে সে জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন সিটি মেয়র।

এই প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন, এই নতুন খাল খননের জন্য অধিগ্রহণ যোগ্য জমির পরিমান ২৫.১৬৬২ একর। প্রস্তাবিত খালটি বহদ্দারহাট বারইপাড়া হাইজ্জারপুল থেকে শুরু করে যমুনা স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন শাহ আমানত সংযোগ সড়ক অতিক্রম করে নুরনগর হাউজিং হয়ে ওয়াইজের পাড়া মাজার হয়ে বলির হাট বলি মসজিদের উত্তর পাশ দিয়া কর্ণফুলী নদীতে পতিত হবে। এই নতুন খাল খননের জন্য প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৫৬ কোটি ১৫ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১১০৩ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…