খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বোয়ালখালীতে খালে বাঁধ, ৫শত কৃষকের মাথায় হাত!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২০, ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ
বোয়ালখালীতে খালে বাঁধ, ৫শত কৃষকের মাথায় হাত!

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। পূজন সেন, বোয়ালখালী : চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কালভার্ট নির্মাণের জন্য একটি খালে বাঁধ দেওয়ায় প্রায় ৫শত কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। বন্ধ রয়েছে ৬টি সেচ স্কীম।

ফলে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে প্রায় উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের ৪শত একর জমি বোরো আবাদ। একই সাথে বোরোর বীজতলায় চারা উৎপাদন করে তা মাঠে মেরে ফেলতে হচ্ছে কৃষকদের। এতে ওই এলাকায় বোরো চাষ না হলে প্রায় ২ কোটি ৮লাখ টাকার ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

ধানের ন্যায মূল্য না পাওয়া, চাষের ব্যয় ও মজুরি বেড়ে যাওয়ায় ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা। এরমধ্যে শুধুমাত্র খালে বাঁধ দিয়ে সৃষ্ট সেচ সংকটে চাষ দিতে না পারায় চাষাবাদ থেকে চিরতরে কৃষকরা মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বোরো মৌসুমে অনাবাদি থাকা প্রায় ৪শত একর জমিতে ৮শত মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হওয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিস। এতো বড় অংকের ধান উৎপাদনে চাষ না হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিরাট প্রভাব ফেলবে এবার। এদিকে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে সরকার কেজি প্রতি ২৬টাকা ধরে ধান ক্রয় করছেন কৃষকদের কাছ থেকে। সে হিসেব মতে উৎপাদিত ৮শত মেট্রিক টন ধানের মূল্য প্রায় ২ কোটি ৮লাখ টাকা।

জানা গেছে, উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের হক খালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের অধীনে নন্দী পাড়ায় যাতায়াতের জন্য কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। গত এক মাস আগে এই কালভার্ট নির্মাণ কাজের জন্য খালে বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। তবে এখনো কালভার্ট নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারেনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

এই বাঁধের ফলে ওই এলাকার নাগাডা বিল, আডর বিল ও পূর্বে বিলের ৬টি সেচ স্কীম বন্ধ হয়ে গেছে। পানির অভাবে প্রায় ৫শত কৃষকের জমিতে বোরো চাষ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

কৃষকরা জানান, উপজেলার ভারাম্বা খাল থেকে হক খালটি বৈদানি খালে এসে মিশেছে। বাঁধের ফলে খালের দুই পাশের জমিতে চাষের পানি পাওয়া যাচ্ছে না। বোরো আবাদের জন্য বীজতলা তৈরি করে চারা উৎপাদন করলেও জমিতে এখনো চাষ দিতে পারেননি তারা। বোরো চাষের উপযুক্ত সময় পেড়িয়ে যেতে বসেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসের দ্বারস্থ হয়েছেন তারা।

এ ঘটনা জানতে পেরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আতিক উল্লাহ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি আসন্ন উপজেলার সমন্বয় সভায় বিষয়টি উত্থাপন করার কথা জানিয়েছেন কৃষকদের।

দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের অধীনে হক খালে কালভার্ট নির্মাণের কাজ পেয়েছেন এসকে ট্রেডার্স নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারী মো. জুয়েল বলেন, গত দুইমাস আগে ট্রেন্ডারের মাধ্যমে এই কালভার্ট নির্মাণের কাজ পায় এসকে ট্রেডার্স। কিন্তু কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হয় গত দুই সপ্তাহ আগে।বোয়ালখালীতে খালে বাঁধ

এরই মধ্যে খালে বাঁধ তৈরির কাজও শেষ করা হয়। তবে কালভার্ট নির্মাণ সামগ্রী আনা নেওয়ার জন্য পথ না থাকায় বিকল্প পথ তৈরি করতে সময় গেছে। এরপরও দ্রুত সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা জানালেন তিনি।

আমুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল দে ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানান, প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নন্দীপাড়ায় যাতায়াতের জন্য এ কালর্ভাটটি নির্মাণ করা হচ্ছে। নন্দীপাড়ায় প্রায় ১৪ পরিবারের বসবাস।

এদিকে স্কীম ম্যানেজাররা সেচ মৌসুমে কৃষকদের চাষের জন্য পানি দিতে না পারায় তাদেরও লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে। তারা জানান, শুধুমাত্র পরিকল্পনা ও সমন্বয়হীনতার কারণে এতগুলো কৃষি চাষে নির্ভরশীল পরিবার এ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।বোয়ালখালীতে খালে বাঁধ

স্কীম ম্যানেজার প্রদীপ চৌধুরী ৭২ একর , কৃষ্ণপদ দাশ ২৮ একর, শুভধন চৌধুরী ৪০ একর, এসএম বাবর ৬৮ একর, আবদুর রহীম ৪৮ একর ও দীপক দে ৬দশমিক ৮একর জমিতে বোরো মৌসুমে সেচ দিতেন বলে জানান। তবে খালের বাঁধের কারণে এবার তা বন্ধ রয়েছে।

সেচ স্কীম ম্যানেজার দীপক দে ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, প্রায় ৮০ কেজি ধানের বীজতলা তৈরি করেছি। সময় মতো পানির দিতে না পাড়ায় তা শুকিয়ে লাল হয়ে গেছে। চাষবাদ না হওয়ায় এসব চারা বীজতলাতে মেরে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছি না।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক উল্লাহ ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, কৃষকদের চাষবাদে ধরে রাখতে সরকার বিভিন্ন ধরণের প্রণোদনাসহ সুযোগ সুবিধা দিচ্ছেন। কৃষিকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন চিন্তা করা যায় না। এ অবস্থায় যদি এমন ঘটনার সৃষ্টি হয় তা মেনে নেওয়া যায় না।

বিষয়টি সমাধানে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। আশা করি সৃষ্ট সমস্যা নিরসনে তারা দ্রুত কাজ করবেন।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।