খুঁজুন
রবিবার, ৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রীয় অশুর বিতাড়নের মাধ্যমে অসম্প্রদায়িক দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে : শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৯, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় অশুর বিতাড়নের মাধ্যমে অসম্প্রদায়িক দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে : শাহাদাত

.jpg

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, রাষ্ট্রীয় অশুর বিতাড়নের মাধ্যমে অসম্প্রদায়িক দুর্নীতিমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অসম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশ গড়েছিলেন। হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলিম ও খৃষ্টান, রাখাইন মারমাইন আমাদের সকলের একটাই পরিচয় আমারা বাংলাদেশী।

তিনি বলেন,এই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। শহীদ জিয়া বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের কারণে এই দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করে রাজনীতিতে একটি দর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কারণে সকল রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছিলন।

তিনি আজ ৪ অক্টোবর শুক্রবার বিকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে জাতীয়তাবাদী হিন্দু ছাত্রফোরাম’র উদ্যোগে শারদীয় দূর্গা উৎসব উপলক্ষ্যে সনাতনী ভাইবোনদের মাঝে বস্ত্রবিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এতে ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, আজ দেশে দুর্নীতির উৎসব চলছে। পত্রিকার পাতা খুললেই দুর্নীতি আর দুনীতি। সম্প্রতি চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতির দামে অস্বাভাবিক প্রস্তাব দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এতে দেখা যায় সার্জিক্যাল ক্যাপ ও মার্কস’র দাম প্রস্তাব করা হয়েছে ৮৪ হাজার টাকা কিন্তু যার সম্ভাব্য বাজার মূল্য ১০০ থেকে ২০০ টাকা। র‌্যাক্সিনের দাম প্রস্তাব করেছে ৮৪ হাজার টাকা। যার বাজার মূল্য ৩০০-৫০০ টাকা। ট্যাস্ট টিউব গ্লাস মেডের মূল্য ৫৬ হাজার টাকা যার বাজার মূল্য ১৫-৫০ টাকা। এছাড়া বালিশের কভারের মূল্য ২৮ হাজার টাকা যার বাজার মূল্য ৫০০-১৫০০ টাকা।

এভাবে ১২ ধরনের সরঞ্জামের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এই অবৈধ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এভাবে প্রকল্পের নমে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আওয়ামী নেতাদের পকেটে ঢুকছে। যা এখন একের পর এক আওয়ামী নেতাদের দুর্নীতির চিত্র উন্মেচিত হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত আরো বলেন, সরকারের একদলীয় মনোভাবের কারণে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হতে পাচ্ছে না। বেগম খালেদা জিয়া মুক্তির মাধ্যমে এদেশে গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ তথ্য ও গবেষণা বিষযক সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী বলেন, বিএনপি ক্ষমতা থাকাকালীন সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে এগিয়ে গিয়েছিলো। রোজা-পূজা একসাথে হয়েছিলো। কোন সনাতনী ভাইবোন নির্যাতি হয়নি। এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিশ্বজিৎসহ অসংখ্য হত্যাকান্ড ঘটেছে এবং অনেক সনাতনী ভাইবোন নির্যাতিত হয়েছে। এখনো বিশ্বজিৎ হত্যাকারীদের বিচার হয়নি। বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হলে এদেশের মানুষ গণতন্ত্র ফিরে পাবে।

জাতীয়তাবাদী হিন্দু ছাত্র ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি রাজীব ধর তমালের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চৌধুরী বিল্লুর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, পরিবেশ বিষযক সম্পাদক আমিন মাহমুদ, সালাহ উদ্দিন কায়সার লাভু, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, চকাবাজর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন, নগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, মৎস্যজীবিদলের সভাপতি হাজী নুরুল হক, নগর বিএনপির সদস্য মো. জাকির হোসেন, ইউসুফ সিকদার, নগর স্বোচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুস সালাম নিশাদ, সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম বাবলু, যুবদল নেতা আবদুল জলিল, মো. আনোয়ার, আসাদুর রহমান টিপু, হিন্দু ফোরাম নেতা সঞ্জয় চক্রবর্তী মানিক, পন্ডিত মিঠুন আচার্য্য, বাপ্পি দে, সঞ্জয় ধর, মিথুন দাশ, প্রান্থ ব্যানার্জী, সুমন তালুকদার, রণি দাশ, লিটন নাথ, আশু কান্তি নাথ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার সনাতনী ভাইবোনদের মাঝে শাড়ী লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

Feb2

হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ২৬১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

রোববার (০৩ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২৪৪ জন।

১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩১৩ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ৪৯১ জন।

এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ হাজার ৮১৬ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২০ হাজার ৯০ জন।

জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয়

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়াম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনপ্রশাসন যদি সঠিকভাবে কাজ করে তাহলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের সামনে একটি বিষয় কিন্তু প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি বলেন, এই নির্বাচনে জনরায়ের প্রতি ফলন ঘটেছে। জনপ্রশাসনের পক্ষে সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করা সম্ভব। সেটি আপনারা প্রমাণ করেছেন ১২ তারিখের নির্বাচনে। অপরদিকে যদি আপনাদের কাজ করতে না দেওয়া হয়, তাহলে কি হতে পারে সেটি আমরা ১৪, ১৮ বা ২৪ সালের নির্বাচনগুলোতে দেখেছি।

রোববার (৩ মে) রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিন ব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে এটিই তার প্রথম আনুষ্ঠিক সভা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর আপনাদের সঙ্গে আমার এটাই প্রথম আনুষ্ঠানিক একটি সভা বা বৈঠক।

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে আপনাদের সবাই হয়তো জেলা প্রশাসক হিসেবে সরাসরি জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন না। তবে আপনারা প্রায় প্রত্যেকেই হয়তো যিনি যার অবস্থান থেকে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কার্যক্রমের সঙ্গে হয়তো জড়িত ছিলেন। বিগত জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়ে জনপ্রশাসনে যারা জাতীয় দায়িত্ব পালন করেছেন, আমি প্রথমেই তাদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই জেলা প্রশাসক সম্মেলন অবশ্যই নতুন কিছু নয়, এটি জেলা প্রশাসকদের একটি নিয়মিত বাৎসরিক সম্মেলন। আজ থেকে এটি শুরু হবে এবং ৬ মে পর্যন্ত চলবে। জনস্বার্থে প্রশাসনের কী ভূমিকা পালন করা উচিত সেটি অবশ্যই আপনারা-কম বেশি অবগত রয়েছেন। এটি নিয়েও বোধহয় নতুন করে বিস্তারিত কিছু বলার নেই। তবে এটি যেহেতু বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে আপনাদের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক, সেহেতু সরকারের গৃহীত নীতিমালা এবং জনপ্রশাসন সম্পর্কে সরকারের কিছু পদক্ষেপ বা পর্যবেক্ষণ এবং নির্দেশনা নিয়েই মূলত আমি আপনাদের সামনে কয়েকটি কথা তুলে ধরতে চাই বা বলতে চাই।

তিনি বলেন, একটি দেশের জনপ্রশাসনে পদোন্নতি কিংবা পোস্টিংয়ের জন্য যতগুলো প্রশাসনিক পদ রয়েছে, প্রতিটি পদই রাষ্ট্র এবং সরকারের জন্য অবশ্যই প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং শুধুমাত্র পদোন্নতি কিংবা নিজেদের পছন্দের জায়গায় পোস্টিংয়ের জন্য পেশাদারিত্বের সঙ্গে আপস করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাময়িকভাবে হয়তো লাভবান হতে পারেন। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, সেটি সার্বিকভাবে জনপ্রশাসনের দক্ষতা এবং নিরপেক্ষতার উপরে একটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সুতরাং জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের সব পদে কাজ করার মানসিকতা থাকা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, সবসময় নিজেদের পছন্দের পদে পদায়ন কিংবা পোস্টিং পাওয়ার মানসিকতাই কিন্তু জনপ্রশাসনকে হয়তোবা দুর্নীতি পরায়ন এবং অপেশাদার করে তোলার অন্যতম একটি কারণ। সুতরাং আপনাদের প্রতি আমার বিশেষ আহ্বান থাকবে জনপ্রশাসনের প্রতিটি পদকেই গুরুত্বপূর্ণ এবং অনিবার্য ভাবুন। দেশের যেকোনো স্থানেই যেকোনো সময় জনপ্রশাসনের যেকোনো পদে দায়িত্ব পালনের জন্য নিজেদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করে রাখুন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার যেরকম চিরস্থায়ী নয়, জনপ্রশাসনের কোনো পদ কারও জন্য চিরস্থায়ী নয়। এজন্যই আমি পূর্বের কথাটি বলেছি আপনাদের সামনে। জনপ্রশাসনের যেকোন স্তরের কর্মকর্তারা যদি রাষ্ট্রের প্রয়োজনে, যেকোনো সময়, যেকোনো পদে, দেশের স্বার্থে, যেকোনো স্থানে কাজ করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি থাকেন, আমার বিশ্বাস জনপ্রশাসনে পেশাদারিত্ব গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে এটা একটা সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

তারেক রহমান বলেন, জনগণ সরাসরি ভোটের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে একটি জবাবদিহিমূলক ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী শাসন ব্যবস্থার প্রত্যাশা থেকে সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হচ্ছে বর্তমান সরকার। স্বাভাবিকভাবেই জনগণ সরকারের প্রতিটি কাজের মাধ্যমে তাদের আকাঙ্ক্ষার একটি বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চাইবে। বিশেষ করে বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকরাই জনগণের সঙ্গে সরকারের প্রধান সেতু বন্ধন। আপনাদের সততা কর্মদক্ষতা এবং দায়বদ্ধতার উপরে সরকারের গৃহীত কার্যক্রমের সাফল্য বলা যায় প্রায় পুরোটাই নির্ভর।

তিনি বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অর্থনৈতিক অবস্থা ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার মনে হয় আপনারা ভালোভাবে অবগত রয়েছেন। দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভঙ্গুর অর্থনীতি দুর্বল বিভাজিত জনপ্রশাসন এবং অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্যে বর্তমান সরকারকে কাজ শুরু করতে হয়েছিল। অবশ্যই আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনাদের সহযোগিতায় অনেকখানি সেই পরিস্থিতি আমরা পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছি, এই আড়াই মাসে। তবে সম্পূর্ণভাবে সেটি এখনো পরিবর্তিত হয়নি। ফ্যাসিবাদী শাসন আমলে দুর্নীতি, লুটপাট, রাষ্ট্র এবং জনগণকে ঋণগ্রস্ত করে ফেলেছিল। সেই শাসন আমল ৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা বর্তমান সরকারের কাঁধে। বিগত সরকারের সময় দেশকে একটা আমদানিনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করে ফেলা হয়েছিল। বিভিন্ন স্ট্যাটিস্টিকস যেটা বলে দেশে দারিদ্র বেড়েছে। দেশে বেকারত্ব বেড়েছে। নতুন কর্মসংস্থান হয় নাই বললেই চলে। প্রতিটি সাংবিধানিক এবং বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানকে বলা যায় অকার্যকর করে ফেলা হয়েছিল। আপনারা মনে হয় তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ।

তিনি বলেন, বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতি নতুন সরকারের সামনে একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে হয়তো এই মুহূর্তে পৃথিবীর কোনো দেশই রক্ষা পায়নি। সব দেশই কমবেশি এফেক্টেড হয়েছে। বাংলাদেশে এফেক্টেড হয়েছে। তবে জনগণের ভোগান্তি না বাড়িয়ে আমরা সকলে মিলে কিভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যায় সেটি হচ্ছে আমাদের চেষ্টা বা অব্যাহত চেষ্টা। আপনাদের সহযোগিতায় সেই চেষ্টা আমরা অব্যাহত রেখেছি। ঠিক এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করেই কিন্তু বর্তমান সরকার দেশের আবহমান কালের ধর্মীয় সামাজিক মূল্যবোধের আলোকে একটি ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাইছি আমরা। এই লক্ষ্যকে বাস্তবায়নে সরকার দেশের প্রতিটি শ্রেণিপেশার মানুষের জীবন মান উন্নয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপের বাস্তবায়ন কাজ শুরু করেছে সরকার।

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রোববার (০৩ মে) রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে ৪দিন ব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আরেকটু পরিষ্কার করে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। নির্বাচনী ইশতেহার এবং জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত যে জুলাই সনদ। আমরা সেই সব কিছু অর্থাৎ আমাদের ম্যানিফেস্টো এবং জুলাই সনদ এটার প্রতিটি দফা, প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই।

তিনি বলেন, আমরা এ ব্যাপারে বদ্ধপরিকর। আমি আশা করব, আপনারা আপনাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে জনগণের কাছে দেওয়া সরকারের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি, দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন, ইনশাআল্লাহ।