খুঁজুন
, ,

রাষ্ট্রীয় অশুর বিতাড়নের মাধ্যমে অসম্প্রদায়িক দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে : শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 October, 2019, 11:26 pm
রাষ্ট্রীয় অশুর বিতাড়নের মাধ্যমে অসম্প্রদায়িক দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে : শাহাদাত

.jpg

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, রাষ্ট্রীয় অশুর বিতাড়নের মাধ্যমে অসম্প্রদায়িক দুর্নীতিমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অসম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশ গড়েছিলেন। হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলিম ও খৃষ্টান, রাখাইন মারমাইন আমাদের সকলের একটাই পরিচয় আমারা বাংলাদেশী।

তিনি বলেন,এই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। শহীদ জিয়া বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের কারণে এই দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করে রাজনীতিতে একটি দর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কারণে সকল রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছিলন।

তিনি আজ ৪ অক্টোবর শুক্রবার বিকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে জাতীয়তাবাদী হিন্দু ছাত্রফোরাম’র উদ্যোগে শারদীয় দূর্গা উৎসব উপলক্ষ্যে সনাতনী ভাইবোনদের মাঝে বস্ত্রবিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এতে ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, আজ দেশে দুর্নীতির উৎসব চলছে। পত্রিকার পাতা খুললেই দুর্নীতি আর দুনীতি। সম্প্রতি চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতির দামে অস্বাভাবিক প্রস্তাব দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এতে দেখা যায় সার্জিক্যাল ক্যাপ ও মার্কস’র দাম প্রস্তাব করা হয়েছে ৮৪ হাজার টাকা কিন্তু যার সম্ভাব্য বাজার মূল্য ১০০ থেকে ২০০ টাকা। র‌্যাক্সিনের দাম প্রস্তাব করেছে ৮৪ হাজার টাকা। যার বাজার মূল্য ৩০০-৫০০ টাকা। ট্যাস্ট টিউব গ্লাস মেডের মূল্য ৫৬ হাজার টাকা যার বাজার মূল্য ১৫-৫০ টাকা। এছাড়া বালিশের কভারের মূল্য ২৮ হাজার টাকা যার বাজার মূল্য ৫০০-১৫০০ টাকা।

এভাবে ১২ ধরনের সরঞ্জামের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এই অবৈধ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এভাবে প্রকল্পের নমে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আওয়ামী নেতাদের পকেটে ঢুকছে। যা এখন একের পর এক আওয়ামী নেতাদের দুর্নীতির চিত্র উন্মেচিত হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত আরো বলেন, সরকারের একদলীয় মনোভাবের কারণে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হতে পাচ্ছে না। বেগম খালেদা জিয়া মুক্তির মাধ্যমে এদেশে গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ তথ্য ও গবেষণা বিষযক সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী বলেন, বিএনপি ক্ষমতা থাকাকালীন সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে এগিয়ে গিয়েছিলো। রোজা-পূজা একসাথে হয়েছিলো। কোন সনাতনী ভাইবোন নির্যাতি হয়নি। এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিশ্বজিৎসহ অসংখ্য হত্যাকান্ড ঘটেছে এবং অনেক সনাতনী ভাইবোন নির্যাতিত হয়েছে। এখনো বিশ্বজিৎ হত্যাকারীদের বিচার হয়নি। বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হলে এদেশের মানুষ গণতন্ত্র ফিরে পাবে।

জাতীয়তাবাদী হিন্দু ছাত্র ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি রাজীব ধর তমালের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চৌধুরী বিল্লুর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, পরিবেশ বিষযক সম্পাদক আমিন মাহমুদ, সালাহ উদ্দিন কায়সার লাভু, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, চকাবাজর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন, নগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, মৎস্যজীবিদলের সভাপতি হাজী নুরুল হক, নগর বিএনপির সদস্য মো. জাকির হোসেন, ইউসুফ সিকদার, নগর স্বোচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুস সালাম নিশাদ, সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম বাবলু, যুবদল নেতা আবদুল জলিল, মো. আনোয়ার, আসাদুর রহমান টিপু, হিন্দু ফোরাম নেতা সঞ্জয় চক্রবর্তী মানিক, পন্ডিত মিঠুন আচার্য্য, বাপ্পি দে, সঞ্জয় ধর, মিথুন দাশ, প্রান্থ ব্যানার্জী, সুমন তালুকদার, রণি দাশ, লিটন নাথ, আশু কান্তি নাথ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার সনাতনী ভাইবোনদের মাঝে শাড়ী লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।

Feb2
Feb2

জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 3:54 pm
জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ও ছাত্রশিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস আব্দুল আলিম আরিফকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি রিয়াজুল ইসলামকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে তাকে একটি রিকশায় উঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জিএস আব্দুল আলিম আরিফকেও ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। জানা গেছে, তারা সবাই ছাত্রদলের নেতাকর্মী।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে।

সংঘর্ষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তি ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কয়েকজন নেতাকর্মী এবং জবি প্রেস ক্লাবের অর্থ-সম্পাদক কামরুজ্জামান আহত হন।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রদল কিংবা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ ও দায় নিরূপণে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 2:35 pm
গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গণমাধ্যম যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে সে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আগেও এ বিষয়ে সরকার গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছিল। যদি কেউ আগাম প্রচার করে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং সেটি প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তবে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে।

তিনি বলেন, আমরা আবারও সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন। আদালতের নির্দেশনা মানা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরে বলেন, আদালতের আদেশ না থাকলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া ঠিক হতো না। কেউ যদি আদালতের ওই আদেশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে তিনি আদালতেই গিয়ে সেই রায় চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ সেটি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার তো তাকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এজন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর তিনি আইনজীবী নিয়োগ, আত্মপক্ষ সমর্থনসহ আইনে নির্ধারিত সব সুযোগ পাবেন। আদালতের চূড়ান্ত রায় সরকার মেনে নেবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতেও তার বিভিন্ন আহ্বানের বাস্তব কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। এখনও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাকে সমর্থন করতে পারেন কিংবা অতীতের সুবিধাভোগী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারেন। তবে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে সরকারকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো নৈতিক বা সাংগঠনিক শক্তি তাদের নেই।

শেখ হাসিনার দেশত্যাগে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে কারা কীভাবে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের কোনো উদ্যোগ সরকারের নেই।

সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ বৃহস্পতিবার জামিন পাওয়ার তথ্য সরকার দুই-তিন দিন পর জানল কেন? একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না।

তিনি বলেন, আমি বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব এবং তার সঙ্গে কথা বলব। কেন এ ধরনের গ্যাপ হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো আগের সরকারের প্রভাব রয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও দেশত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে ১৫ বছর ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সবাইকে একদিনে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে প্রশাসনসহ নানা প্রতিষ্ঠানে আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষ এখনো রয়েছেন। চাইলেই এত মানুষকে একসঙ্গে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। ১৫ বছরে বিভিন্ন স্তরে যারা উঠে এসেছেন, তাদের পরিবর্তে নতুনদের আনতে সময় লাগে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বদলি করলেই হবে না, নতুন কর্মকর্তাদের দক্ষতা অর্জনেরও বিষয় রয়েছে। সরকার ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করছে, তবে এমনভাবে নয় যাতে রাষ্ট্রের সেবাদান ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চেষ্টা শুধু নয়, কাজও চলছে। তবে এমনভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে না, যাতে ভঙ্গুর সিস্টেম আরও ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 12:57 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মন্ত্রী জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।