খুঁজুন
রবিবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে মাস্ক মজুদদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান : সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৭:১২ অপরাহ্ণ
করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে মাস্ক মজুদদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান : সুজন

করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে মাস্ক মজুদদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরীর রেয়াজউদ্দিন বাজারস্থ হোটেল প্যারামাউন্ট ইন্টারন্যাশনাল এর সামনে করোনাভাইরাস সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক সাবান দিয়ে হাত ধোয়া কর্মসূচী, মাস্ক ও প্রচারপত্র বিতরণ শীর্ষক প্রচারণায় উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

এ সময় সুজন বলেন, চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া নতুন করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে ‘বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

চট্টগ্রামে আর্ন্তজাতিক সমুদ্র বন্দর ও রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলসহ বিভিন্ন ভারী শিল্প কারখানা অবস্থিত। প্রতিদিন আমদানি রপ্তানির কারণে বিভিন্ন দেশের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থান করে। তাছাড়া বাংলাদেশসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে চীনা নাগরিকগণ সরাসরি জড়িত। তাই চট্টগ্রামের গুরুত্ব এবং নগরীতে বসবাসরত জনগনকে সচেতন করার জন্য নাগরিক উদ্যোগের পক্ষ থেকে আমরা দ্রুততার সাথে জনসচেতনতামূলক কর্মকান্ড শুরু করেছি।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী হঠাৎ করেই মাস্কের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অহেতুক জনগনের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো গলাকাটা দাম আদায় করছে। এভাবে বিভিন্ন সংকটকে সামনে রেখে এমনকি পবিত্র রমজান মাসের চাহিদাকেও পুঁজি করে কতিপয় সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী বিভিন্ন অজুহাতে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করে জনগনকে ভোগান্তিতে ফেলে। যা মানবতা বিরোধী অপরাধের সামিল।

তিনি আরো বলেন, আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যখনই এ ধরনের কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তখন চট্টগ্রাম চেম্বার এ ব্যাপারে কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করে বিভিন্ন কলাকৌশলে এসব মজুদদার, লুটেরা, মুনাফাখোর ও ভেজাল খাদ্য উৎপাদকারীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দান করে। তারা মূলত চট্টগ্রাম চেম্বারকে নিজেদের ভাগ্য গড়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। যার ফলে অনেক পুরোনো ব্যবসায়ী এবং শিল্পপতিরা এ চেম্বার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

তিনি কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ীদের এহেন মনোবৃত্তি পরিহার করার আহবান জানান।

তিনি সিটি কর্পোরেশনকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য নিয়মিত আবর্জনা অপসারণ, মশার প্রজনন কেন্দ্র ধ্বংস সহ আগামী রমজান মাস পর্যন্ত বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচী গ্রহণ করার অনুরোধ জানান। এছাড়াও বায়ু দূষণেও দুর্ভোগে আছেন নগরবাসী। সম্প্রতি বায়ু দূষণের কারণে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিয়োজিত ঠিকাদারকে জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। তাই নগরবাসীর স্বাস্থ্য সেবা রক্ষার্থে নগরীর যেসব এলাকায় উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে সেসব এলাকায় নিয়মিত পানি ছিটানোরও বিনীত আবেদন জানান তিনি।

তিনি করোনাভাইরাসকে অগ্রাধিকার বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন দাতব্য সংস্থা, সেবা সংস্থা সহ সামাজিক সংগঠনকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

সচেতনতামূলক সভা শেষে তিনি উপস্থিত প্যারামাউন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ডা. আবদুল করিমকে জীবানুনাশক তরল সাবান দিয়ে হাত ধুইয়ে কর্মসূচীর আনুষ্টানিক উদ্বোধন করেন।

পরবর্তীতে সিটি কর্পোরেশনের ময়লা আবর্জনা গাড়ীর চালক এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদেরও তরল সাবান দিয়ে হাত ধুইয়ে দেন এবং মাস্ক লাগিয়ে দেন। তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ময়লা আবর্জনা বহন করার সময় তেরপলিন লাগানোর জন্য বিশেষ আহবান জানান।

তিনি নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে বাজারের সম্মূখে উপস্থিত বিক্রেতাদেরও তরল সাবান দিয়ে হাত ধুইয়ে দেন এবং মাস্ক পড়িয়ে দেন। উপস্থিত বিক্রেতাদের তৈরী করা খোলা খাবার প্লাষ্টিক দিয়ে ঢেকে দেন ও খাবার বিক্রয়ের সময় গ্লাভস ব্যবহার করার অনুরোধ জানান।

বিক্রেতাগণ হাসিমুখে সুজনের অনুরোধে সম্মত হন এবং খোলা খাবার বিক্রি না করার অঙ্গীকার করেন।

ব্যাতিক্রমী এ আয়োজনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অধ্যক্ষ ডা. আবদুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মসিউর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সালেহ আহমদ সুলেমান, ন্যাপ চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিটুল দাশ গুপ্ত, হাজী মোঃ ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, এস এম আবু তাহের, সাইদুর রহমান চৌধুরী, নিজাম উদ্দিন, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন, নগর যুবলীগ সদস্য আব্দুল আজিম, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সদস্য নুরুল কবির, আব্দুস সালাম মাসুম, শওকত হোসেন মুন্না, এ.এস.এম জাহিদ হোসেন, জাহেদ আহমদ চৌধুরী, ডা. অঞ্জন কুমার দাশ, রফিকুল মান্নান জুয়েল, অনির্বাণ দাশ বাবু, সাইফুল্লাহ আনছারী, সফি আলম বাদশা, রকিবুল আলম সাজ্জী, আশিকুন্নবী চৌধুরী, লোকমান হোসেন, মহানগর নগর ছাত্রলীগ সভাপতি এম ইমরান আহমেদ ইমু, সহ-সভাপতি জয়নাল উদ্দিন জাহেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইরফানুল আলম জিকু, ফয়সাল সাজ্জাদ, ফরহাদ সায়েম, মোঃ কাইয়ুম, মনিরুল হক মুন্না, সৈয়দ ইবনে জামান ডায়মন্ড, মীর মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, আব্দুল্লাহ আল নোমান সাইফ, মাহবুব আলম, মোঃ আলী মিঠু, আব্দুল মালেক, হাবিবুর রহমান, সালাউদ্দিন জিকু, কামরুল হাসান রানা প্রমূখ।

Feb2

বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম, মধ্যরাত থেকে কার্যকর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম, মধ্যরাত থেকে কার্যকর

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে অস্থির গোটা বিশ্বের জ্বালানির বাজার। বাংলাদেশেও গত দেড় মাস ধরে জ্বালানি তেল নিয়ে চলছে সংকট। এতদিন জেট ফুয়েল ছাড়া অন্য জ্বালানির দাম না বাড়ালেও শেষ পর্যন্ত সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে শনিবার (১৮ এপ্রিল) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এপ্রিল মাসে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বেড়েছে।

জ্বালানি তেলের নতুন দাম মধ্যরাত (১৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

সর্বশেষ গত ১ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে দুই টাকা কমানো হয়েছিল। সেই দাম মার্চ মাসেও বহাল থাকে। এপ্রিল মাসেও আগের দাম বহাল রাখা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে‌ হামলা চালানোর পর অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে মধ্যপ্রাচ্য। এ উত্তেজনার বড় প্রভাব পড়ে হরমুজ প্রণালিতে। এই প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের একটি বড় অংশের তেল এখান দিয়ে পরিবাহিত হয়।

বাংলাদেশেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলোতে গত কিছুদিন ধরেই যানবাহনের ভিড়। মানুষের অভিযোগ চাহিদা মত তারা জ্বালানি তেল পাচ্ছেন না। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ করা হচ্ছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এই পরিস্থিতির সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু মানুষ জ্বালানি তেল মজুত করছে। জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে অভিযান চালিয়ে এরই মধ্যে পাঁচ লাখের বেশি অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে যতক্ষণ পর্যন্ত সম্ভব, সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়াবে না।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমা-বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার (সংশোধিত)’ আলোকে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা।

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

সুনামগঞ্জে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার পৃথক হাওরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—তাহিরপুর উপজেলার আবুল কালাম (২৫), জামালগঞ্জ উপজেলার নাজমুল হোসেন (২৬), ধর্মপাশা উপজেলার হাবিবুর রহমান (২৪) ও রহমত উল্লাহ (১৩) এবং দিরাই উপজেলার লিটন মিয়া (৩৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কৃষকরা হাওরে ধান কাটছিলেন। এ সময় হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়। একই সঙ্গে শুরু হয় বজ্রপাত।

তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাত ঘটলে আবুল কালাম নামে এক কৃষক গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম।

একই সময়ে জামালগঞ্জ উপজেলার পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নাজমুল হোসেন নামে এক কৃষক নিহত হন। তিনি চানপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী।

ধর্মপাশা উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় হাবিবুর রহমান ও রহমত উল্লাহ নামে দুই কৃষক নিহত হন। হাবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যাহ বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দিরাই উপজেলার কালিয়াগোটা (আতরার) হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কৃষক লিটন মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. প্রশান্ত দাস তালুকদার।

 

প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পূর্ণ করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। গতকাল ১৭ এপ্রিল এই দুই মাস পূর্ণ হয়েছে। সরকারের এই ৬০ দিনের পথচলাকে ‘অবিস্মরণীয় অর্জন’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রীর উল্লেখযোগ্য ৬০টি উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এসব সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন।

লিখিত বক্তব্যে মাহাদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার পাইলট প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এরইমধ্যে ৩৭,৫৬৭টি পরিবারকে এই কার্ড প্রদান করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে একে নারীর অর্থনৈতিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের একটি ‘আন্তর্জাতিক রোল মডেল’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে।

প্রান্তিক কৃষকদের সুরক্ষা দিতে সরকারের বড় পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।

বেকারত্ব নিরসন ও প্রশাসনের গতিশীলতা বাড়াতে সরকারি শূন্য পদ পূরণের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। মাহাদী আমিন জানান, দেশের সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিসে বর্তমানে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি শূন্য পদ রয়েছে। এসব শূন্য পদ পূরণের জন্য ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।