খুঁজুন
রবিবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেতনের টাকা অসহায় রোগীর পেছনে খরচ করেন মানবিক পুলিশ শওকত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৪:২৮ অপরাহ্ণ
বেতনের টাকা অসহায় রোগীর পেছনে খরচ করেন মানবিক পুলিশ শওকত

ডাস্টবিনের পাশে পড়ে আছেন ভারসাম্যহীন অসুস্থ রোগী। ওই রোগীর এক পা অর্ধেকজুড়ে পচে গেছে, শরীর থেকে বের হচ্ছে উৎকট গন্ধ। এমন রোগী থেকে সবাই দূরে থাকলেও পরম যত্নে তাদের চিকিৎসা দিয়ে ভালো করে তুলছেন সুপারহিউম্যান খ্যাত সিএমপির মানবিক পুলিশ সদস্য মুহাম্মদ শওকত হোসেন।

গতকাল রাত এগারোটায় আরজে রেজা কিবরিয়ার ফেসবুকে পেইজে ‘জীবনের গল্প’ অনুষ্ঠানের বাইশতম পর্বে অতিথি হয়ে আসেন শওকত হোসেন। এক ঘণ্টা বিশ মিনিটের অনুষ্ঠানে দর্শকদের মানবিক পুলিশ হয়ে ওঠার বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। অনুষ্ঠানটি প্রচার হওয়ার পরপরই ভাইরাল হয়ে যায়।

তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মানবিক পুলিশ শাখার টিম লিডার হিসেবে কর্মরত আছেন। ১০ বছর ধরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে কাজ করছেন। বাড়ি নোয়াখালীর কবিরহাটে। বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা।

প্রতিদিনই কোনো না কোনো ভারসাম্যহীন রোগীকে শওকত হোসেন হাসপাতালে নিয়ে এসে সুস্থ করে তুলছেন। এসব রোগীকে দেখভাল করতে গিয়ে গত ১০ বছর ধরে নিজের জন্য একটি পোশাকও কিনতে পারেননি তিনি। বিভিন্ন পারিবারিক ও অফিসের অনুষ্ঠানে যেতেন সহকর্মীর পোশাক পড়ে। তার বেতনের অর্ধেকের বেশি টাকা ব্যয় হচ্ছে অসহায় এসব রোগীর পেছনে।

যেভাবে মানবিক পুলিশ হয়ে উঠলেন তিনি

মুহাম্মদ শওকত হোসেন পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে ২৪তম ব্যাচে যোগ দেন ২০০৫ সালে। তখন তার মূল বেতন ছিলো ২ হাজার ৮৫০ টাকা। সবকিছু মিলিয়ে বেতন পেতেন ৫ হাজার টাকা। ওইসময় আর্থিক অনটনে দিন অতিবাহিত করতেন। চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কথা বললে মুক্তিযোদ্ধা বাবা ধৈর্য ধরতে বলতেন।বাবার অভয়ে তার পুলিশে পথচলা শুরু। ২০০৫ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। এরপর বদলি হয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে আসেন।

পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে তিন বছরের ডিপ্লোমা ইন মেডিক্যাল অ্যাসিসটেন্ট ও দুই বছরের প্যারামেডিক্যাল কোর্সে লেখাপড়া করেন।

২০০৯ সালে কিছুদিন রাঙামাটিতে কর্মরত থাকার পর শওকত হোসেনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে বদলি হন। দায়িত্ব ছিলো রাঙামাটি থেকে আসা আহত পুলিশ সদস্যদের সেবা দেওয়া। একসময় তাকে ওটির ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তখন থেকে তার রোগীর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে উঠে।

কাজের ফাঁকে ফাঁকে রাস্তার ধারে পড়ে থাকা ভারসাম্যহীন অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে এনে সুস্থ করে তুলতেন তিনি। প্রথম দিকে নিজেই একা কাজ করলেও এখন তার সহযোগী আছেন ১০জন। প্রতিদিনই কোনো না কোনো রোগীকে হাসপাতালে এনে সুস্থ করে তুলছেন শওকত হোসেন।

শওকত হোসেন বলেন, ‘রাস্তার পাশে পড়ে থাকা রোগী, যাদের শরীর থেকে ছড়াতো উৎকট গন্ধ, এমন মানুষের পাশে কেউ যেতেন না। আমি মনে করতাম, এই মানুষটি তো আমিও হতে পারতাম বা আমার ভাইও হতে পারতো। এই ভেবে নিজে উদ্যোগী হয়ে অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে এনে সুস্থ করে তুলতাম।

তিনি বলেন, প্রায় সময় এমন রোগী পেতাম- কারও হাত, কারও পা বা কারও মুখ পচে গেছে। এসব রোগীর শরীর থেকে পোকাও বের হচ্ছে। এমন রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতাম। নিজের টাকায় কয়েক সেট কাপড় কিনে তাদের পড়াতাম। সেই কাপড়ে প্রস্রাব, পায়খানা করলে কাপড়টি বদলিয়ে নতুন কাপড় পড়াতাম নিজ হাতে। এভাবে সুস্থ করে তুলতাম।

গত ১০ বছরে নিজের জন্য একটিও নতুন কাপড় কেনেননি উল্লেখ করে শওকত হোসেন বলেন, শত শত রোগীর চিকিৎসা করাতে গিয়ে অনেক টাকার প্রয়োজন হয়। তবে অনেকে এগিয়ে এলেও টাকার পরিমাণ অপ্রতুল। নিজের বেশিরভাগ টাকা এসব রোগীর পেছনে চলে যাওয়ায় ১০ বছরে নতুন কোনো পোশাকও কিনিনি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেতাম সহকর্মীর পোশাক পড়ে। পরিচিতজনকে বলতাম, আমার কিছু গরীব মানুষের জন্য কাপড়-চোপড় দরকার। তখন তারা যে কাপড়গুলো দিতো, তা থেকে অসুস্থ রোগীকে দিতাম, নিজেও পড়তাম।

‘নিজের স্ত্রীকে নিয়েও দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে পারিনি। আমার স্ত্রীও বিষয়টি বুঝেন, তিনি বরং আমাকে এ কাজে সাহায্য করেন। আমার আশা, দেশের মানুষ এসব রোগীর জন্য এগিয়ে আসবেন। সবাই এগিয়ে এলে তখনই আমার পরিশ্রম সার্থক হবে’ যোগ করেন তিনি।

জীবনের গল্প অনুষ্ঠানের ভিডিও লিঙ্ক:

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3122027817809671&id=2539033922775733

Feb2

দেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
দেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান

বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিভীষিকাময় দিনের বা রাতের অবসান হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। যেসব মানুষরা তাদের স্বজন হারিয়েছেন, মায়েরা তাদের সন্তান হারিয়েছেন, যেসব বোনেরা তাদের স্বামীকে হারিয়েছেন, যেসব সন্তানেরা তাদের পিতাকে হারিয়েছেন, তাদের সত্যিকারভাবে যদি বলতে হয় আসলে আপনাদের সান্ত্বনা দেওয়ার মতো ভাষাবোধ আমাদের কাছে নেই।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিগত আন্দোলন নিপীড়নে গুম খুন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এ সভার আয়োজন করে আমরা ‘বিএনপি পরিবার ও মায়ের ডাক’।

এক দুঃসহ সময় আমরা অতিক্রম করেছি মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের তীব্রতা কখনো কখনো হয়ত কিছুটা স্তিমিত হয়েছে, কিংবা আন্দোলন কখনো তুঙ্গে উঠেছে। এই আন্দোলন করতে গিয়ে বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য গুম-খুন করে অপর মিথ্যা মামলার হয়রানি যাতনের পরও বিএনপির একজন নেতাকর্মীও কিন্তু রাজপথ ছাড়েনি। একই পরিবারের এক ভাই ঘুম হয়েছে, আরেক ভাই তার জায়গায় গিয়ে রাজপথের আন্দোলনকে আরও তীব্রতর করার প্রতিজ্ঞার শপথ নিয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, দলের নেতাকর্মীরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের আপোষহীন ভূমিকা রাখতে পারে সেই দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কেউ দলকে দমন করে রাখতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ। ফ্যাসিবাদী আমলের নির্যাতনের শিকার আমার সামনে বসা হাজারো প্রিয় মুখ আপনাদেরকে আত্মত্যাগ আপনাদের বুক ভরা কষ্ট আমরা যারা আজ পেছনে রয়ে গিয়েছি আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করবো যাতে এটি বৃথা না যায় ইনশাআল্লাহ।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে যারা ঘুম হয়েছেন, যারা শহীদ হয়েছেন। তাদের প্রতি আগামী দিনের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষা আমরা দেখছি। সেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং সরকারের অবশ্যই অনেক দায় এবং দায়িত্ব রয়েছে। রাষ্ট্র কখনোই আপনাদের ভুলে যেতে পারে না।

সব শহীদদের আত্মত্যাগকে জনমনে স্মরণীয় করে রাখতে আগামী দিনে বিএনপি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যদিও নির্বাচন কমিশনের বাধ্যবাধকতার কারণে এই মুহূর্তে আমি হয়ত বিস্তারিতভাবে সেই পরিকল্পনা আজকের এই অনুষ্ঠানে তুলে ধরতে পারছি না। কিন্তু তারপরও বলতে কষ্ট হচ্ছে, আমরা দেখেছি নির্বাচনের কমিশনের রিসেন্টলি কিছু বিতর্কিত ভূমিকা বা বিতর্কিত অবস্থান। তারপরেও একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিতে চাই।

রাষ্ট্রীয় সহিংসতার শিকার পরিবারগুলোর প্রতি সাধ্যমতো রাষ্ট্রীয় সহায়তা হাত বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতা প্রিয়, গণতন্ত্র প্রিয় প্রতিটি মানুষের সামনে জনগণের দায়িত্বশীল একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। কেউ কেউ বিভিন্ন রকম কথা বলে একটি অবস্থা তৈরি করার চেষ্টা করছে। যাতে যে গণতন্ত্রের পথ তৈরি হয়েছে সেটি যেন বাধাগ্রস্ত হয়।

আমি অনুরোধ করব আপনারা এবং বাংলাদেশের দলমত নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন তাদের আজ সজাগ থাকার জন্য। যারা বিভিন্ন উসিলা দিয়ে বিতর্ক তৈরি করে গণতন্ত্রের পথকে আবার নষ্ট করার বা ব্যাহত করার চেষ্টা করছেন, তারা যাতে সফল না হতে পারে।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, নির্যাতিত মানুষের অধিকার ও ন্যায্যতা ফিরিয়ে দেওয়ার একমাত্র উপায় হলো জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলক একটি সরকার গঠন করা। শহীদ পরিবারগুলোর ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি সবাইকে ধৈর্য ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান, যাতে দেশের চলমান গণতান্ত্রিক যাত্রা কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত আছেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনসহ আরও অনেকেই।

“রঙিন ঘুড়ি ফাউন্ডেশন’র ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন”

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
“রঙিন ঘুড়ি ফাউন্ডেশন’র ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন”

রঙিন ঘুড়ি ফাউন্ডেশন সংগঠনের মানবিক প্রকল্পের আওতায় নগরীর শেরশাহ বায়েজিদস্থ গুলশান শাহে মদিনা তা’লিমুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ২৬তম মানবিক প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে।

এতে আফাজ উদ্দীন আসিফ’র সার্বিক পরিচালনায় সভাপতিত্ব করেন মাসুদ আলম চৌধুরী এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ রানা সহ আরও উপস্থিত ছিলেন শফিকুল ইসলাম বাবু, মোঃ মাঈন, স্টিবেন ডায়েজ, জাহেদুল ইসলাম, মোঃ রিপন, আবু দাউদ, তানজিম, আলী রেজা তালুকদার বাপ্পী প্রমুখ।

দোয়া পরিচালনা করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মুফতী মোঃ সলিমুল্লা।

জোট নয়, এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
জোট নয়, এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।

তিনি বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৬৮ আসনে প্রার্থীরা মাঠে কাজ করছেন। তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন। তারা কেউ মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন না।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান জানান, তারা কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন না। এছাড়া বাকি ৩২ আসনে সমর্থন জানাবে ইসলামী আন্দোলন। তবে নির্বাচনে কোন দলকে সমর্থন জানানো হবে তা পরবর্তী সময়ে জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।