খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ায় শিক্ষক লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
লোহাগাড়ায় শিক্ষক লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে মানববন্ধন

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ ডেস্ক : লোহাগাড়া আধুনগর মছদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপন কান্তি নাথকে বিদ্যালয়ের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম কর্তৃক শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে উপজেলা শিক্ষক সমিতি।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার দুপুরে লোহাগাড়া উপজেলার সামনে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষিকার ব্যানারে এ মানবন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিদ্যালয় সভাপতি সিরাজুল ইসলাম প্রধান শিক্ষককে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করে । এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার,প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ ও লোহাগাড়া থানায় জিডি করেছিলেন।

মানববন্ধনে শিক্ষক নেতারা বলেন, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা এবং শিক্ষকদের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সভ্য মানুষের জায়গা, শিক্ষকরাই মানুষ গড়ার কারিগর। এ ঘটনা শিক্ষক সমাজের জন্য কলঙ্কজনক। স্কুল কমিটির সভাপতির এধরনের আচরণে উপজেলা শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে তিব্র নিন্দা জানানো হয়।

সভাপতি সিরাজুল ইসলামের সদস্যপদ বাতিল করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান বক্তারা।লোহাগাড়ায় শিক্ষক লাঞ্চিতের ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন  ২

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক নেতা মোহাম্মদ আহমদ হোসেন, নুরুল আমিন, শাহজামাল, আবদুল কদ্দুস,মোজাহিদুল ইমলাম,মো: ফেরদৌস,মো: ইলিয়াছ, শাহেদা করিমুনিচ্ছা, রুপসী দাশ, নাছির আহমদ। এসময় ২শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত: ১২ ফেব্রুয়ারি মছদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম অফিস কক্ষে আসেন এবং কোন ভূমিকা ছাড়াই বিদ্যালয়ের স্লিপ,রুটিন মেরামত ও প্রাক প্রাথমিক (২০১৮-২০১৯) বরাদ্দের হিসাব চাওয়ার পর প্রধান শিক্ষক রূপন কান্তি নাথ লিখিত হিসাব প্রদর্শন করে, প্রদর্শিত হিসাব না বুঝে চরম উত্তেজিত হয়ে লাঞ্ছিত করে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…