খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুজিববর্ষে হবে কি রিডিং রুমের সমাধান! কুবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ
মুজিববর্ষে হবে কি রিডিং রুমের সমাধান! কুবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল

কুবি প্রতিনিধি : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে নেই কোনো রিডিং রুম। হল প্রতিষ্ঠার প্রায় ৭ বছর পরেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুন্দর পরিবেশের নিমিত্তে তৈরি করতে পারেনি একটি রিডিং রুমও। রিডিং রুম না থাকায় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার আগে ভাল প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারছেনা বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ৫ম তলা বিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ৪১ টি কক্ষে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী থাকে। হলটিতে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা গণরুমে থাকে। একরুমে থাকে প্রায় ৪০ জন। গাদাগাদি করে এক বেডে দুইজন থাকা শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার ভাল প্রস্তুতি নিতে পারছেনা। নানা শব্দের মাঝেই পড়াশোনা করে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে।

হলে গান-বাজনা ও প্রতিদিন কারো না কারো জন্মদিন উৎযাপন করায় সবসময় হৈচৈ বিরাজ করে। কারো পরীক্ষা থাকলে রিডিং রুমে গিয়ে পড়াশোনা করবে এ ব্যবস্থাও নেই। রিডিং রুম না থাকায় শিক্ষার্থীরা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে পারছেনা।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪টি হল রয়েছে। এখানে কাজী নজরুল ইসলাম এবং নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হলে রিডিং রুম থাকলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে কোনো রিডিং রুমের ব্যবস্থা নেই।

বঙ্গবন্ধু হলের ১ম বর্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান বলেন, “আমার মিডটার্ম পরীক্ষা চলছে, গণরুমে পড়াশোনা করতে পারি না। সামনে সেমিস্টারের জন্য কীভাবে পড়াশোনা করবো তা নিয়ে আমি চিন্তিত।”

বঙ্গবন্ধু হলের আবাসিক শিক্ষার্থী শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, “একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে কীভাবে রিডিং রুম থাকে না তা আমার জানা নেই। এই হলটিতে রিডিং রুম খুবই দরকার। মুজিব বর্ষে বঙ্গবন্ধু হলে রিডিং রুম সময়ের দাবি। মুজিববর্ষ শুরু হওয়ার আগেই একটি রিডিং রুম প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানাচ্ছি।”

হলের প্রভোস্ট মো. জিয়া উদ্দিন বলেন, “আমি হলের দায়িত্বে আসার আগে হলে রিডিং রুমের জন্য কোনো জায়গা বরাদ্দ ছিল না, আমি হলের দায়িত্বে আসার পর প্রথমেই রিডিং রুমের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করেছি। রিডিং রুমের জন্য আসবাবপত্র প্রয়োজন, আমি এটা প্রশাসনকে জানিয়েছি। আসবাবপত্রের ব্যবস্থা হলেই রিডিং রুম চালু করা হবে।”

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…