খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সার্কিট হাউসের সামনে থেকে শিশুপার্ক নামক জঞ্জালটি সরিয়ে নিন-সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৪:২১ অপরাহ্ণ
সার্কিট হাউসের সামনে থেকে শিশুপার্ক নামক জঞ্জালটি সরিয়ে নিন-সুজন

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার অনন্য সুন্দর ঐতিহাসিক স্থাপনা পুরাতন সার্কিট হাউসের সামনে থেকে শিশুপার্ক নামক জঞ্জালটি সরিয়ে ফেলার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

আজ ২৫শে ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর পুরাতন সার্কিট হাউস সংলগ্ন শিশুপার্কের সম্মূখে নাগরিক উদ্যোগ আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান। 

জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, পুরাতন সার্কিট হাউসটি বাংলাদেশের একটি অনন্য ঐতিহ্য। আর সাকির্ট হাউস সংলগ্ন বর্তমান শিশু পার্কটি চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসের স্থাপত্যের অংশ বিশেষ।

তৎকালীন মেয়র বিএনপি নেতা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মঞ্চের স্মৃতিচারন বন্ধ করার হীন অপপ্রয়াসে সবুজ চত্বরটিকে পার্ক নামক জঙ্গলে রূপান্তর করে। তাই পার্কটি সরিয়ে নিয়ে সবুজ চত্বর ঘোষণা করা এখন নগরবাসীর প্রাণের দাবী।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন আমাদের সন্তানরা মাঠ এবং খোলা জায়গার অভাবে ফেসবুক নামক বিনোদনে সারাক্ষণ মত্ত থাকছে। এতে করে সন্তানদের মনের উপর গভীর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। সন্তানরা মানসিক অস্থিরতায় ভূগছে। ফলত বিভিন্ন অপরাধ কার্যক্রমের সঙ্গে নিজের অজান্তেই জড়িয়ে পড়ছে আমাদের সন্তানরা।

তিনি বলেন এমনিতেই চট্টগ্রাম শহরে খোলা মাঠের অভাব। তার উপর যে কয়টা খোলা মাঠ রয়েছে সেগুলো পার্ক করার নামে বিভিন্নজনের নিকট ইজারা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইজারা নেওয়ার পূর্বে ইজারা গ্রহীতা চটকদার বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে থাকে কিন্তু দেখা যায় যে পরবর্তীতে সেসব পার্কসমূহ অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রভূমিতে পরিণত হয়।

সুজন ফয়েসলেকসহ নগরীর বিভিন্ন জায়গায় বিনোদন কেন্দ্রের নামে স্থাপিত পার্কসমূহে পরিচালিত অসামাজিক কার্যকলাপসমূহ বন্ধ করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের নিকট বিনীত আহবান জানান।

তিনি আরো বলেন বর্তমান সরকার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য নানা রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ঠিক তেমনিভাবে সার্কিট হাউস সংলগ্ন শিশুপার্কটি সরিয়ে নিয়ে ঐ স্থানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্কর্য নির্মাণসহ উন্মুক্ত খোলা সবুজ চত্বর করা হোক।

তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ জানান আপনি উদ্যোগী হয়ে চট্টগ্রামে অনেক উন্নয়ন কাজ করেছেন। বিভিন্ন সড়কে সৌন্দর্য বর্ধন করে নগরীকে সবুজে রূপান্তর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ঠিক তেমনিভাবে বাকী মেয়াদে সার্কিট হাউস সংলগ্ন শিশুপার্কটিকে উন্মুক্ত করে সবুজ চত্বর নির্মাণ করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

আপনার প্রচেষ্টা যদি সফল হয় আমরা নগরবাসীর পক্ষ থেকে উন্মুক্ত স্থানটিকে আপনার নামে নামকরন করার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ সরকারের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো। আপনি নিশ্চয়ই নগরবাসীর মনের কথা উপলব্দি করতে সমর্থ হবেন। আমাদের সন্তানদের খোলা প্রকৃতিতে মুক্ত নিঃশ্বাস গ্রহণের সুযোগ করে দিন। বিনোদন পার্কের নামে আমাদের সন্তানদের খাঁচায় বন্দি করে রাখবেন না। তিনি আগ্রাবাদ জাম্বুরী পার্কের শিশুপার্কটিও সবুজায়ন করে জনগনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার জন্য চসিক মেয়রের নিকট আহবান জানান।

নাগরিক উদ্যোগের অন্যতম উপদেষ্টা হাজী মোঃ ইলিয়াছ এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এস.এম.আবু তাহের, আব্দুর রহমান মিয়া, সাইদুর রহমান চৌধুরী, নিজাম উদ্দিন, নগর সৈনিক লীগ আহবায়ক শফিউল আজম বাহার, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সদস্য নুরুল কবির, পংকজ চৌধুরী কংকন, মোরশেদ আলম, মোঃ ইমতিয়াজ, এজাহারুল হক, এ.এস.এম জাহিদ হোসেন, শিশির কান্তি বল, সিরাজদৌল্লা নিপু, অনির্বাণ দাশ বাবু, সোলেমান সুমন, হারুন উর রশীদ, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, রকিবুল আলম সাজ্জী, রাজীব হাসান রাজন, মহানগর নগর ছাত্রলীগ সভাপতি এম ইমরান আহমেদ ইমু, মোঃ ওয়াসিম চৌধুরী, আব্দুল জাহেদ মনি, শফিকুল আলম পারভেজ, ফয়সাল অভি, আরাফাত রুবেল, হাসান হাবিব সেতু, সুভাষ মল্লিক সবুজ, রাকিবুল ইসলাম, মোঃ কাইয়ুম, শহীদুল আলম, সৈয়দ ইবনে জামান ডায়মন্ড, আব্দুল্লাহ আল নোমান সাইফ, মোঃ জাবেদ, আরমান সাজিদ, আব্দুল মালেক, অভি শীল, আব্দুল হাবিব বাপ্পী, মিজানুর রহমান, সামীর আকাশ, অসিত দেব, আসিফ চৌধুরী, মোঃ জুবায়ের, মোঃ ফাহিম প্রমূখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…