খুঁজুন
, ,

ঠাকুরগাঁওয়ে সিনেমা পাড়া এখন রুপকথার গল্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 1 March, 2020, 10:35 am
ঠাকুরগাঁওয়ে সিনেমা পাড়া এখন রুপকথার গল্প

গৌতম চন্দ্র বর্মন,ঠাকুরগাঁওঃঠাকুরগাঁওয়ে এখন  সিনেমা হলের সামনে গেলে বোঝার উপায় নাই যে এটা একটা সময় সিনেমা হল ছিল। একটা সময় ছিল যখন সিনেমার টিকিটের জন্য হলের সীমানা পেরিয়ে মানুষের লাইন চলে যেত রাস্তার উপর। সেই সিনেমা পড়ার কথা আজ রুপকথার গল্প হয়ে দাড়িয়েছে।

গরমের দুপুরে ধাক্কা-ধাক্কি, মারামারি, ব্ল্যাকারদের নির্বিকার মুখ হল্লা, হয়তো কখনো বৃষ্টিতে কাক ভেঁজা হয়ে হাতের মুঠোয় পাওয়া একটা অথবা দুটো টিকিট পেয়ে কি আনন্দে ফেটে পরতো মানুষ। এটা ছিল একটা সময়ের সিনেমা হলের দৃশ্য।এখন চোখে দেখা যায় না এমন দৃশ্য, আজ শুধুই এসব কথা রুপকথার গল্পতেই শোভা পায়, বাস্তবে মেলা ভার। আজ কোথায় সেই দৃশ্য, কোথায় সেই হুমরী খেয়ে পরা ভীর, আজ কোথায় সেইসব দিনের মানুষেরা, হারিয়ে গেছে।

বদলে যাওয়া সময় বদলে দিয়েছে দৃশ্যপট, বলছে দিয়েছে পেক্ষাপট। ঠাকুরগাঁওয়ে সিনেমা ভাগ হল ইতিপূর্বে বন্ধ হয়ে গেছে, অনেক ঐতিহ্যবাহী হল এখন গোডাউন/মার্কেটে পরিনত হয়েছে।   হারিয়েছি আমাদের এ জেলার সিনেমা হল গুলো। কত বাহারী  নামের হল ছিল। শেষে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে  ঠাকুরগাঁওয়ের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত বলাকা সিনেমা হল। সিনেমা পাড়ার জন্য এক খারাপ সংবাদ চলছে বর্তমানে।

পেছনে ফেরা যাক,সে সময় কতো লোকযে বাপের দৃষ্টি এড়িয়ে, বড় ভাইয়ের দৃষ্টি এড়িয়ে, কিংবা পরিবারের সকলের দৃষ্টির আড়াল করে পাঁচ টাকা সাত টাকা জমিয়ে দশ কিলো পায়ে হেটে গিয়ে একটি সিনেমার টিকিট কিনে সিনেমা দেখেছে তা সংখ্যায় পরিমাপ করা যাবে না।সে সময় গুলোতে ভাই যেত ভাবিকে নিয়ে, দুলাভাই যেত শালা -শালীকে নিয়ে, প্রেমিক যেত প্রেমিকাকে নিয়ে। আর ঈদ, পূজা -প্লাবন এলেতো এর সংখ্যা বেড়ে দাড়াতো কয়েক গুনে। কারন এই সময় গুলোতেই বছরের সেরা সেরা ছবিগুলো মুক্তি পেত। গ্রামে গন্ঞ্জে রিক্সা টেম্পুতে মাইক লাগিয়ে জোরালে শব্দে প্রচার করা হতো এই সব সিনেমার খবর। কানে ভেসে আসতো সেই চিরচেনা কন্ঠস্বর -আসিতেছে আসিতেছে বাংলার সুপার ডুপার হিট নায়ক …?সিনেমা ।

কতো বাহীরি সব সিনেমা হলের নাম। তখন সিনেমা শিল্প ছিল স্বর্ণ মহিমায় উজ্জ্বল। সেই রাজাজ্জ, কবরী, ববিতা, ফারুক, সাবানা, আলমগীর, রোজিনা থেকে শুরু করে মান্না, রিয়াজ, শাবনূর,মৌসুমী, পূর্নিমা,পপি, ফেরদৌস পর্যন্ত দেখা মিলতো এ দৃশ্য।আজ এ শিল্প তার হারাতে বসেছে।

আর সে সময় সিনেমাকে বই,হল কে পেক্ষাগৃহ বলা হতো আজ অনেকেই তা ভুলে গেছে। সে সময় ছিল নে এমন ছিমছাম পরিবেশ, সাজানো গোজানো সিনেমা হল, তবুও ছিল উপছে পরা দর্শক।সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মাত্রা চরম আকার ধারন করতো, হুমড়ি খেয়ে পড়তো দর্শক। আবার কেউ কেউ কাজের চাপে পরিবারকে সময় না দেওয়ার কারনে ঐ দিনটি বেছে নিত সিনেমা দেখাতে।

সে সময় দৈনিক পত্রিকায় শেষ পৃষ্টায় বড় বড় সাইজে ছাপা হতো মুক্তি অপেক্ষারত সিনেমার পোষ্টারের বিজ্ঞাপন। একটা সময় এই প্রচার মাধ্যমই ছিল সিনেমা হলের অনুষঙ্গ। সব মিলিয়ে এক অসাধারণ শিহোরন কাজ করতে সিনেমা প্রেমিদের মনে।

আজ যে কটা হল আছে তাতে দেখা যায় না টিকিট ব্ল্যাকারদের। যদিও এখন দেখাও যায় তবে তার সংখ্যা নাই বললেই চলে, হাতে গোনা হয়তো দুই একজন থাকতে পারে। আর সেই সোনালী সময়ে একটা সিনেমা হল থাকতো সেই এলাকার মাস্তানদের দখলে। সিনেমার টিকেট বেচার জন্য তাদের নিয়োজিত কিছু গরীব মানুষ চড়া মূল্যে বিক্রি করতো টিকিট গুলো।মাস্তানরা সিনেমা মুক্তির আগেই বেশিরভাগ টিকিট কিনে নিত। আর সেই টিকিট চলে যেত ব্ল্যাকারদের হাতে। তারপর সিনেমা মুক্তি পেলেই দুপুরের আগেই হলের সামনে টানিয়ে দেওয়া হতো হাউস ফুল, তখন বাধ্য হয়েই ব্ল্যাকারদের থেকে টিকেট কিনতে হতো সাধারণ দর্শকদের। আবার টিকিট না পেয়ে মারামারি লেগেই থাকতো হলের সামনে। পকেটমারদের তো ছিল রমরমা ব্যবসা।

তৎকালীন সময়ে সিনেমা হলগুলোতে কাঠের ভাঙ্গা চেয়ার, নষ্ট ফ্যান, গরমে মানুষের হৈহুল্লোর চিৎকার চেচামেচির মধ্যেও বসে সিনেমা উপভোগ করতো। মাঝে মাঝে আবার বিদ্যুৎ চলে যেত সিনেমা চলার মাঝখানে। আর আজ  এতো উন্নতি হওয়ার পরেও সিনেমা হল গুলোর তেমন উন্নতি হয়নি, আর যে হলগুলোতে উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে তাতেও দর্শক মেলা দুষ্কর।

অনেকেরই সে সময় সিনেমার টিকেটের টাকা জোগাড় হতো স্কুল, কলেজের টিফিনের টাকা দিয়ে, কারো আবার জোগার হতো মায়ের জমানো টাকা মেরে দিয়ে আবার কারো কারো জোগাড় হতো বাবা, দাদুর পকেট মেরে। এই সিনেমা দেখে কারো কারো টিকিট ফেলে দেওয়ার খেয়াল থাকতো না, পকেটেই রেখে দিত। এই শার্ট -প্যান্ট মায়ের কাছে ধোয়ার জন্য দিলে সেই টিকিট চলে যেত মায়ের হাতে। আর সেই টিকিট দেখে মেয়েরা কতইনা বকা-জকা করতো। স্কুল, কলেজ ফাঁকি দিয়ে সিনেমা দেখা!

এসব আজ আর হয়না,ঠাকুরগাঁও জেলার  সব সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেছে। এক সময় এ জেলা উপজেলা মিলে প্রায় ৮ টি সিনেমা হল ছিল। বর্তমানে জেলার প্রাণকেন্দ্রে একটি মাত্র চলে তাও মাঝে মধ্যে এখন সেটিও আবার গোডাউন।

ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হলগুলো এখন গোডাউনে পরিনত হয়েছে। এতেই পরিষ্কার এই জেলার সিনেমার অবস্থা। যে একটি সিনেমা হল রয়েছে সেটা চালাতে হিমশিম খেতে হয় মালিক পক্ষের। নেই দর্শক, তৈরি হয়না উত্তেজনা, হয়না আগের মতো লোক সমাগম। হলের চেয়ার ফাঁকা, প্রযোজক পাচ্ছে তার লগ্নির টাকা ফেরত, অনেক প্রযোজক আর আসেনা এই শিল্পে ব্যবসা করতে। দিনদিন চলচ্চিত্র শিল্প হারাচ্ছে তার ঐহিত্য আর সিনেমা হল হচ্ছে গোডাউন,মার্কেট।

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।