খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বালিয়াডাঙ্গীতে বস্তা ভর্তি লাশ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২০, ১:৫১ অপরাহ্ণ
বালিয়াডাঙ্গীতে বস্তা ভর্তি লাশ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ইটভাটায় কর্মরত এক ট্রাক্টর শ্রমিককে হত্যার পর বাড়িতে বস্তায় ভরে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ট্রাক্টর শ্রমিকের মা এ অভিযোগ করেন।

এর আগে ভোরবেলা বাড়ির পার্শ্বে একটি থ্রি-হুইলার (পাগলু) গাড়িতে করে ওই শ্রমিকের মরদেহ বাড়িতে ফেলে যায় ইটভাটার লোকজন।নিহত ট্রাক্টর শ্রমিক রিপন আলী (১৯) জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার মৃত নজরুল ইসলামের পুত্র। সে স্থানীয় দানেশ নামে এক ব্যক্তির ইট ভাটায় ট্রাক্টর শ্রমিক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত।

ট্রাক্টর শ্রমিকের মা আনোয়ারা বেগমের অভিযোগ বৃস্পতিবার ভোরবেলা তার ছেলেকে হত্যার পর বস্তায় ভরে বাড়ির পার্শ্বে ফেলে গেছে। পরে প্রতিবেশীরা খবর দিলে রিপনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে তাকে ডাক্তার জানায় সে অনেক আগেই মারা গেছে। এর আগে বুধবার সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল রিপন। সারাদিন বাড়িতে ফিরেনি।

তবে এটি হত্যাকাণ্ড নয়, সড়ক দুর্ঘটনায় ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করছেন ইটভাটার মালিক দানেশ আলী। তিনি জানান, বুধবার গভীর রাত্রে ট্রাক্টরের খড়ি আনার সময় সদর উপজেলার ভেলাজান নামক স্থানে প্রতিবন্ধী স্কুলের সামনে ট্রাক্টর উল্টে খড়িতে চাপা পড়ে রিপন ও আল আমিন। দুজনকে বাচানোর জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলে রিপন মারা যায়। তবে কোন হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল তার কথা বিস্তারিত জানাতে পারেন নি ইটভাটার এই মালিক।রিপনের মায়ের অভিযোগকে তিনি সাজানো হিসেবে দাবি করে জানান, বস্তায় মুড়ে তার লাশ ফেলে যাওয়া হয়নি। মারা গেছে এ জন্য পাগলুতে করে রিপনের লাশ বাড়িতে রেখে আসা হয়েছে।

বালিয়াডাঙ্গী থানার উপ-পরিদর্শক ইসাহাক আলী জানান, পুলিশ ঘটনা তদন্ত করছে। সড়ক দুর্ঘটনার একটি প্রসঙ্গ উঠেছে ঘটনায়। পুলিশ ওই ঘটনাস্থলে গেছে। তদন্ত শেষেই প্রকৃত ঘটনা বলা যাবে।এ ঘটনায় জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের বিশ্রামপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে আরেক ইটভাটা শ্রমিক আল আমিন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তার জ্ঞান এখনও ফিরেনি।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…