খুঁজুন
, ,

মহিউদ্দীন চৌধুরীর উত্তরসূরী হিসাবে উন্নয়নের জয়যাত্রা অব্যাহত রাখব: রেজাউল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 14 March, 2020, 5:59 pm
মহিউদ্দীন চৌধুরীর উত্তরসূরী হিসাবে উন্নয়নের জয়যাত্রা অব্যাহত রাখব: রেজাউল

আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নৌকার প্রার্থী এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, প্রয়াত চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর উত্তরসূরী হিসাবে চট্টগ্রামের উন্নয়নের জয়যাত্রা অব্যাহত রাখব। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে সে ধারা অব্যাহত রেখে এ নগরীকে বিশ্বমানের উন্নীত করবো। আমি বিশ্বাস করি নারী সমাজ উন্নয়নের পুরোধা, তারা সংসারিক সমাজে এবং রাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন।

তিনি আজ শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে নগরীর কে.সি দে রোডস্থ প্রধান নির্বাচনী কার্য্যলয়ে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত নারী সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথাগুলো বলেন।

তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা এ নগরীর দীর্ঘদিনের সমস্যা। এ জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ এবং অনান্য সেবা সংস্থাগুলোকে ১২শ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্ধ দিয়েছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনসহ অনান্য সমস্যা সমধানে সম্মিলিত প্রচেষ্ঠা ও সমন্বিত উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সচেষ্ট হবো। আমি মনে করি, ব্যক্তি হিসাবে আমি বড় কিছু নই। সবচেয়ে বড় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার প্রতীক নৌকা। তাই সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে হবে। আমি এবং দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা এ প্রত্যাশা করেন।

সমাবেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক ইঞ্জি. মোশাররফ হোসেন এমপি বলেন, মুজিব বষের্র শুরুতে বারুদগন্ধি স্বাধীনতার মাসে শেখ হাসিনাকে নৌকা প্রতীকের বিজয় উপহার দিয়ে চট্টগ্রাম ইতিহাসের অংশীদার হবে। আমি বিশ্বাস করি, নারী সমাজ পুরুষদের চেয়েও অধিকতর কর্ম উদ্যোগী। তারা ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠে সংসারের কাজ কর্ম শুরু করে সমাজের জন্য কাজ করেন এবং ছেলে সন্তানদের মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে তারা সবচেয়ে বেশি আন্তরিক ও সক্রিয়। আমি আহবান জানাই, এই নারী সমাজ ঘরে ঘরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সাফল্য ও অর্জনের বার্তা পৌছে দিয়ে নৌকার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য আহবান জানাবেন।

সমাবেশে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি সাফিয়া খাতুন বলেছেন, এই চট্টগ্রামকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার জন্মভুমি গোপালগঞ্জের পর বেশি ভালবাসেন। তাই তিনি আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, চট্টগ্রামে সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করে সতর্ক নজরদারি রাখতে। আমি আনন্দিত ও গর্বিত, চট্টগ্রাম মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন মহিলা আওয়ামী লীগকে ৪৩ টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডে সংগঠিত করেছেন। আমি চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাভাজন হয়ে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে মহিলা আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের নিরলসভাবে কাজ করার আহবান জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম বলেন, চট্টগ্রাম মহান মুক্তিযুদ্ধের ঠিকানা। ষাঠ দশক থেকে চট্টগ্রামের বিপ্লবী ঐতিহ্য শ্বানিত হয়েছে। এই চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬৬ সালে প্রথম প্রকাশ্য জনসভায় ৬ দফা ঘোষণা করেছেন। সবচেয়ে বড় কথা, বঙ্গবন্ধু ২৫ মার্চ মধ্য রাতে তার ঐতিহাসিক স্বাধীনতা ঘোষণার বার্তাটি চট্টগ্রামের আরেক কিংবদন্তি রাজনৈতিক জহুর আহমদ চৌধুরীর বাসায় প্রেরণ করেছিলেন। ঐ সময় জহুর আহমদ চৌধুরী বাসায় না থাকায় মেসেজেটি গ্রহন করেছিলেন তার স্ত্রী নারীনেত্রী ডা. নুরুন্নাহার জহুর। পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রামে মহিলা আওয়ামীলীগের সংগঠক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, মহিলারা পারেন মানুষের মন জয় করতে। তবে কেন জানি না, কিছু কিছু মহিলা এখনো স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী অপশক্তির কাজ করে নারীদের বিভ্রান্ত করছেন। এদের অবশ্যই চিহ্নিত করতে হবে। কারণ তারা আমাদের নতুন প্রজন্মের অভিশাপ।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, একজন পরীক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিককে নেত্রী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকার প্রতীক দিয়েছেন। আমাদের আদর্শিক ও নৈতিক কর্তব্য হলো, যে যার অবস্থান থেকে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাব। একটা দিন, একটি ঘন্টা, একটি মুহুর্তও অপচয় করার অবকাশ নেই।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন বলেছেন, আমার স্বামী প্রয়াত চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী নারী সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমাকে ত্বারিত করেছেন। তাই আমি চট্টগ্রাম নগরীর আনাছে কানাছে অবহেলিত ও দুস্থ নারীদের পাশে গিয়ে তাদের সেবা প্রদান করে নগরীর ৪৩ টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডে মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক ভিত্তিকে সুদৃঢ় করেছি। এখন তারা আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে নিবেদিত হয়ে কাজ করছে। আমরা চট্টগ্রামের নারী সমাজ একজোট হয়ে ২৯ মার্চ বিজয় নিশ্চিত করবো।

চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মালেকা চৌধুরী সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলেয়া পারভীন রঞ্জু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিরীণ রুখসানা, শিখা চক্রবর্ত্তী, সাংগঠনিক সম্পাদক দিলরুবা জামান শেলী, শেখ আনোয়ার কলি পুতুল, সুরাইয়া বেগম ইভা, দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চেমন আরা তৈয়ব, সাধারণ সম্পাদক লুবনা হারুন, উত্তর জেলার সভাপতি দিলোয়ারা ইউসুফ, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাকিয়া আনোয়ার, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মমতাজ খান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর নীলু নাগ, হোসনে আরা বেগম, খোরশেদা বেগম, হাসিনা আকতার টুনু, হুরে আরা বিউটি, লায়লা আকতার এটলী, আয়েশা আলম, শাহীন আকতার রোজী, সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য্য, তসলিমা জাহান রুবী, আয়েশা সিদ্দিকা, আয়েশা আকতার পান্না প্রমুখ।

Feb2
Feb2

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।

ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:40 pm
ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও প্রতিবন্ধকতা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে মেয়র বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে হকার ব্যবসা পরিচালনার কারণে সাধারণ নাগরিকদের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে হকারদের জীবিকা ও বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। এ কারণে শুধু উচ্ছেদ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, হকারদের জন্য পরিকল্পিতভাবে ইভিনিং মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় ও নির্ধারিত স্থানে হকাররা যাতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন হকারদের জীবিকার সুযোগ অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে নগরীর ফুটপাত ও সড়কে নাগরিকদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে একটি শৃঙ্খলিত, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে। নগরবাসীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো স্থাপনা বা কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে না। তবে হকারদের পুনর্বাসন ও বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অভিযানকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এগুলো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য। অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা কিংবা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চসিক ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। একদিকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে, অন্যদিকে উচ্ছেদ করা জায়গা যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি থাকবে।

মেয়র আরও বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকার ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। ব্যবসায়ীদেরও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং নির্ধারিত জায়গা ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।

নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে বলে জানান মেয়র।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ।