খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২০, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
করোনার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম

সমুদ্র ও বিমান বন্দরের কারণে দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম। কারণ চট্টগ্রামে রয়েছে সমুদ্র বন্দর আরও বিমান বন্দর।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল নগরীর জেনারেল হাসপাতালে ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২০’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বী মিয়া।

সিভিল সার্জন বলেন, বন্দর দিয়ে প্রতিদিন নানা দেশের মানুষ জাহাজে করে আসছে। তারা আবার এদেশের মানুষের সাথে মিশছে। তাই সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম। এছাড়া রয়েছে বিমান বন্দর। যদি সেখানে থার্মাল স্ক্যাকেনার বসানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন জানান, সোমবার পর্যন্ত বিদেশ ফেরত ২৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। প্রতিদিন এর সংখ্যা বাড়ছে। নগরীতে সাড়ে তিন’শো আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ফৌজদারহাট বিআইটি আইডি হাসপাতালে ৫০ টি, চট্টগ্রাম মেডিকেল ৩০টি আর চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ১০০ টি সহ মোট ৩৫০ টি আইসোলেশন বেড প্রস্তুত আছে। এছাড়া ১৪ টি উপজেলার জন্য আর দেড়শোর মতো বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি ২টি স্কুল ও আবাসিক হোটেল প্রস্তুত রাখা হয়েছে কোয়ারেন্টাইনের জন্য। একটি হালি শহরের এইচ আমীন একাডেমি অপরটি সিডিএ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ। এছাড়া দুটি আবাসিক।

দেশের করোনা আক্রান্ত ৮ জন। কোয়ারান্টাইনে আড়াই হাজারের বেশি। বন্ধের ঘোষণা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নির্দেশনা জনসমাগম এড়িয়ে চলা। এমন যখন অবস্থা তখন প্রস্তুত সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে থাকা বন্দর নগরীর চট্টগ্রামও।

করোনা মোকাবেলায় আক্রান্তদের জন্য নগরীতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩৫০ শয্যা আইসোলেশন বা পৃথকীকরণ বেড। পাশাপাশি ১৪ উপজেলায় রাখা হয়েছে আরো ১৫০টি বেড।

তিনি বলেন, হোম কোয়ারান্টাইনে যারা আছে তাদেরকে অবহেলা করা যাবে না। এটা বৈশ্বিক সমস্যা। সবাইকে এক সাথে মোকাবেলা করতে হবে। তবে সংক্রমণ শতভাগ নিশ্চিত করা যাবে হোম কোয়ারেন্টাইনে যারা আছে তাদের সচেতনতার ওপর।

সিটি নির্বাচনে গণসংযোগ করা নিয়ে তিনি বলেন, জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। প্রয়োজন ডিজিটাল প্রচারণা চালানো যেতে পারে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…