খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোন অজুহাতেই চাল-ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করা যাবে না:সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২০, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
কোন অজুহাতেই চাল-ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করা যাবে না:সুজন

কোন অজুহাতেই চাল ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি না করার জন্য পাহাড়তলী বাজারের ব্যবসায়ীদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে নগরীর পাহাড়তলী বণিক সমিতির ব্যবসায়ীদের সাথে সমিতির কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুুুজন বলেন, সকাল থেকেই আমরা বিভিন্ন সূত্রে খবর পাচ্ছিলাম করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে হঠাৎ করেই আজকে চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের মনে রাখতে হবে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস নিয়ে আমরা সবাই উদ্বিগ্ন। আমাদের সবাইকে কাঁধে কাধ রেখে এ দুর্যোগকে মোকাবেলা করতে হবে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাসকে সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করছে।

পাহাড়তলী বণিক সমিতির ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় এবং দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি না করার আহবান জানাচ্ছেন সুজন

তিনি বলেন,এরই মধ্যে কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যবসায়ী মাস্ক, হেক্সিসল, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড গ্লাভস, এবং তরল স্যাভলনসহ বিভিন্ন সার্জিক্যাল ঔষধের দাম বৃদ্ধি করে জনগনকে অহেতুক ভোগান্তিতে ফেলার অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। তাদের সেসব অপতৎপরতার পাশাপাশি জনগনের নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্যমূল্য নিয়েও কারসাজি শুরু হয়ে গিয়েছে যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একশ্রেণীর অসাধু, মজুতদার, মুনাফাখোর ব্যবসায়ীগণ জনগনের চাহিদাকে পুঁজি করে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরী করে জনগনের বিপুল সংখ্যক টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে। এরা দেশ জাতির কাছে গণদুশমন হিসেবে চিহ্নিত হবে বলে মত প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে জনসম্মুখে লজ্জাজনক শাস্তি প্রদানের আহবান জানান তিনি।

এছাড়া ঐসব অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে কোনভাবেই সরকারের কোন প্রকার অনুকম্পা না পায় সেজন্য সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান সুজন।

তিনি আরো বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি হতে পারে ভেবে অনেকেই চাহিদার অতিরিক্ত পণ্যসামগ্রী মজুত করার জন্য কেনাকাটা বাড়িয়ে দিয়েছেন যা জনমনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে তাই বিক্রেতাদের অতিরিক্ত পণ্যসামগ্রী বিক্রয় না করার বিনীত অনুরোধ জানান তিনি।

এছাড়া ক্রেতাসাধারণকেও সর্বোচ্চ তিনদিনের বেশী পণ্যসামগ্রী ক্রয় না করার আহবান জানান। তাছাড়া বিক্রেতাদের পণ্য বিক্রির রশিদ দেওয়ার জন্যও অনুরোধ জানান তিনি।

পাহাড়তলী বণিক সমিতির ব্যবসায়ীগণ সুজনের প্রতিটি দাবীর সাথে সমহত পোষন করেন এবং অধিক দামে পণ্যসামগ্রী বিক্রয় হতে বিরত থাকবেন বলে অঙ্গীকার করেন। এছাড়া তারা অভিযোগ করেন হঠাৎ করেই ডিলার এবং কল মালিকরা ধানের অজুহাতে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে যে কারণে বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীবৃন্দ যাদের নিকট খাদ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স আছে তাদের কাছে চাল সরবরাহের জন্য সরকারের নিকট বিনীত অনুরোধ জানান। এর ফলে বাজারে দাম স্থিতিশীল থাকবে এবং ক্রেতাগণও সঠিকদামে পণ্যসামগ্রী ক্রয় করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মতবিনিময়ের একপর্যায়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ এবং সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হন। কর্মকর্তাবৃন্দ হঠাৎ করেই নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসমাগ্রীর দাম বৃদ্ধির পায়তারাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সরকার এ ব্যাপারে যথেষ্ঠ সজাগ আছে বলে ব্যবসায়ীদের অবহিত করেন। তারা দ্রব্যমূল্যের দাম জনগনের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য অনুরোধ জানান।

কর্মকর্তাবৃন্দ নাগরিক উদ্যোগের বিভিন্ন জনহিতকর কর্মকান্ডের জন্য নাগরিক উদ্যোগের নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন এবং দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি সহ যে কোন অনিয়মের খবর অবহিত করার জন্য আহবান জানান।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পাহাড়তলী বণিক সমিতির সভাপতি আবদুল সাত্তার কোং, সাধারণ সম্পাদক এস এম নিজাম উদ্দিন, সহ-সভাপতি রহমত উল্লাহ, জাফর আলম, হাজী মোঃ ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, নিজাম উদ্দিন, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন, মোরশেদ আলম, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সদস্য নুরুল কবির, মোঃ শাহজাহান, মহানগর নগর ছাত্রলীগ সভাপতি এম ইমরান আহমেদ ইমু, দিদারুল হক, মোঃ আবু তালেব, নাছির খান, ফিরোজ শাহ প্রমূখ।

মতবিনিময় সভা শেষে জনাব সুজন পাহাড়তলী বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বাজার পরিদর্শন করেন এবং অধিকহারে পণ্যসামগ্রী বিক্রয় থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…