খুঁজুন
, ,

কোন অজুহাতেই চাল-ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করা যাবে না:সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 19 March, 2020, 8:26 pm
কোন অজুহাতেই চাল-ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করা যাবে না:সুজন

কোন অজুহাতেই চাল ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি না করার জন্য পাহাড়তলী বাজারের ব্যবসায়ীদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে নগরীর পাহাড়তলী বণিক সমিতির ব্যবসায়ীদের সাথে সমিতির কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুুুজন বলেন, সকাল থেকেই আমরা বিভিন্ন সূত্রে খবর পাচ্ছিলাম করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে হঠাৎ করেই আজকে চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের মনে রাখতে হবে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস নিয়ে আমরা সবাই উদ্বিগ্ন। আমাদের সবাইকে কাঁধে কাধ রেখে এ দুর্যোগকে মোকাবেলা করতে হবে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাসকে সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করছে।

পাহাড়তলী বণিক সমিতির ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় এবং দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি না করার আহবান জানাচ্ছেন সুজন

তিনি বলেন,এরই মধ্যে কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যবসায়ী মাস্ক, হেক্সিসল, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড গ্লাভস, এবং তরল স্যাভলনসহ বিভিন্ন সার্জিক্যাল ঔষধের দাম বৃদ্ধি করে জনগনকে অহেতুক ভোগান্তিতে ফেলার অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। তাদের সেসব অপতৎপরতার পাশাপাশি জনগনের নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্যমূল্য নিয়েও কারসাজি শুরু হয়ে গিয়েছে যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একশ্রেণীর অসাধু, মজুতদার, মুনাফাখোর ব্যবসায়ীগণ জনগনের চাহিদাকে পুঁজি করে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরী করে জনগনের বিপুল সংখ্যক টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে। এরা দেশ জাতির কাছে গণদুশমন হিসেবে চিহ্নিত হবে বলে মত প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে জনসম্মুখে লজ্জাজনক শাস্তি প্রদানের আহবান জানান তিনি।

এছাড়া ঐসব অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে কোনভাবেই সরকারের কোন প্রকার অনুকম্পা না পায় সেজন্য সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান সুজন।

তিনি আরো বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি হতে পারে ভেবে অনেকেই চাহিদার অতিরিক্ত পণ্যসামগ্রী মজুত করার জন্য কেনাকাটা বাড়িয়ে দিয়েছেন যা জনমনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে তাই বিক্রেতাদের অতিরিক্ত পণ্যসামগ্রী বিক্রয় না করার বিনীত অনুরোধ জানান তিনি।

এছাড়া ক্রেতাসাধারণকেও সর্বোচ্চ তিনদিনের বেশী পণ্যসামগ্রী ক্রয় না করার আহবান জানান। তাছাড়া বিক্রেতাদের পণ্য বিক্রির রশিদ দেওয়ার জন্যও অনুরোধ জানান তিনি।

পাহাড়তলী বণিক সমিতির ব্যবসায়ীগণ সুজনের প্রতিটি দাবীর সাথে সমহত পোষন করেন এবং অধিক দামে পণ্যসামগ্রী বিক্রয় হতে বিরত থাকবেন বলে অঙ্গীকার করেন। এছাড়া তারা অভিযোগ করেন হঠাৎ করেই ডিলার এবং কল মালিকরা ধানের অজুহাতে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে যে কারণে বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীবৃন্দ যাদের নিকট খাদ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স আছে তাদের কাছে চাল সরবরাহের জন্য সরকারের নিকট বিনীত অনুরোধ জানান। এর ফলে বাজারে দাম স্থিতিশীল থাকবে এবং ক্রেতাগণও সঠিকদামে পণ্যসামগ্রী ক্রয় করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মতবিনিময়ের একপর্যায়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ এবং সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হন। কর্মকর্তাবৃন্দ হঠাৎ করেই নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসমাগ্রীর দাম বৃদ্ধির পায়তারাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সরকার এ ব্যাপারে যথেষ্ঠ সজাগ আছে বলে ব্যবসায়ীদের অবহিত করেন। তারা দ্রব্যমূল্যের দাম জনগনের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য অনুরোধ জানান।

কর্মকর্তাবৃন্দ নাগরিক উদ্যোগের বিভিন্ন জনহিতকর কর্মকান্ডের জন্য নাগরিক উদ্যোগের নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন এবং দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি সহ যে কোন অনিয়মের খবর অবহিত করার জন্য আহবান জানান।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পাহাড়তলী বণিক সমিতির সভাপতি আবদুল সাত্তার কোং, সাধারণ সম্পাদক এস এম নিজাম উদ্দিন, সহ-সভাপতি রহমত উল্লাহ, জাফর আলম, হাজী মোঃ ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, নিজাম উদ্দিন, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন, মোরশেদ আলম, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সদস্য নুরুল কবির, মোঃ শাহজাহান, মহানগর নগর ছাত্রলীগ সভাপতি এম ইমরান আহমেদ ইমু, দিদারুল হক, মোঃ আবু তালেব, নাছির খান, ফিরোজ শাহ প্রমূখ।

মতবিনিময় সভা শেষে জনাব সুজন পাহাড়তলী বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বাজার পরিদর্শন করেন এবং অধিকহারে পণ্যসামগ্রী বিক্রয় থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।