খুঁজুন
, ,

নামাজে সিজদারত অবস্থায় মাকে কুপিয়ে মারলেন ছেলে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 20 March, 2020, 7:56 pm
নামাজে সিজদারত অবস্থায় মাকে কুপিয়ে মারলেন ছেলে

কুড়িগ্রামে জোহরের নামাজে সিজদারত মাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছেলে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুরে রাজারহাট উপজেলার উমরমজিদ ইউনিয়নের পান্তাবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মায়ের নাম মিনি আক্তার (৫০), ছেলের নাম মন্তাজুল (২৬)।

ঘটনার পর মানসিক ভারসাম্যহীন মন্তাজুলকে এলাকাবাসী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, সোলায়মান আলী ও মিনি আক্তার দম্পতির সন্তান মন্তাজুল কয়েক বছর আগে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করার পরও সুস্থ না হওয়ায় বাড়িতে বেঁধে রেখে তাকে কবিরাজী চিকিৎসা করানো হচ্ছিল। এ অবস্থায় হাত-পায়ের বাঁধন খোলা পেয়ে নামাজের সিজদারত অবস্থায় মায়ের গলায় কুড়াল দিয়ে কোপ দিলে ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান।

এ প্রসঙ্গে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ কৃষ্ণ কুমার সরকার জানান, ঘাতককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে নিহতের স্বামী সোলায়মান আলী বাদি হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এছাড়া শনিবার (২১ মার্চ) নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

Feb2
Feb2

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন মহান কর্মবীর: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 1 August, 2026, 9:46 pm
অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন মহান কর্মবীর: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি (বিএনএসবি), চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি), ইনষ্টিটিউট অফ্ কমিউনিটি অফথালমোলজী (আইসিও) এবং ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং স্মৃতিচারণে নাগরিক শোকসভা অদ্য ১ আগস্ট শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনএসবি ও সিইআইটিসির উদ্যোগে টাইগারপাস আমবাগান রোডস্থ নেভি কনভেনশন সেন্টারে উক্ত নাগরিক শোকসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এমপি। তিনি বলেন, আজ যে মানুষটির স্মরণ সভায় সবাই উপস্থিত হয়েছি সেই মানুষটি হলেন চক্ষু চিকিৎসা সেবায় এক অবিস্মরণীয় নাম অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসন। আমি মনে করি চক্ষু চিকিৎসা সেবায় উজ্জ্বল নক্ষত্র কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন একটি প্রতিষ্ঠান। মানুষের কল্যাণে এবং মানুষের কথা চিন্তা করে তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন। তাঁর আদর্শ ধারণ করে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের মত মানুষ হয়না। তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তিনি আমাদের সবার হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকবেন। তিনি ছিলেন, একজন সেরা চিকিৎসক, সেরা ছাত্র ও দেশের গর্ব। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের দেশকে তিনি অনেক উপরে নিয়ে গেছেন। তিনি চট্টগ্রামে চক্ষু হাসপাতাল গড় তুলেছেন। বাংলাদেশের লাখো মানুষের দৃষ্টি ফিরিয়ে দেয়ার মহান ব্যক্তি তিনি। হাসপাতালটি করে চট্টগ্রামকে বিশ্বের মানচিত্রে তুলে ধরেছেন। আমাদের সকলের রবিউল হোসেনের মত এমন উদার দেশ প্রেমিক হওয়া উচিত।
প্রতিমন্ত্রওী বলেন, রবিউল হোসেনের প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। তিনি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেও সেখানে নিজের নাম লেখাননি। নিজের কথা চিন্তা না করে হাসপাতালটি পরিচালনায় বোর্ড অব ট্রাস্ট করে দিয়ে গেছেন। তিনি মহান কর্মবীর। রবিউল হোসেন চলে গেলেও তার স্বপ্নগুলো ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে। আমাদের সেই স্বপ্ন দেখে এগিয়ে যেতে হবে। অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন যে প্রতিষ্ঠান করে দিয়ে গেছেন তাঁর দুই সন্তান ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তার পিতার আদলে সুন্দরভাবে পরিচালনায়। তবে সেগুলো চালাতে সমাজের কোন অপশক্তি যেন তাদের গ্রাস করতে না পারে সে দিকে আপনারা লক্ষ্য রাখবেন।

গেষ্ট অফ অনারের বক্তব্যে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান এমপি বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন চাচা সমাজের জন্য অনেক কিছু উপহার দিয়েছেন। তার প্লেজার এন্ড পেইন গ্রন্থে তা উঠে এসেছে। আমাদের দেশে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের সেই কর্মকান্ড ধারণ করে আমরা যাতে সেই মানবকি সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারি।

সাঈদ আল নোমান বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন যে চক্ষু হাসপাতাল দাঁড় করিয়েছেন চট্টগ্রামের কোথায়ও এই সহজলভ্য চিকিৎসা সেবা নেই। দেশের আটটি জেলায় তিনি এমন চক্ষু হাসপাতাল দাঁড় করিয়েছেন। এমন মহান মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

মাওলানা মো. মেজবাহ উদ্দিনের কোরআন তেলওয়াাতের মাধ্যমে সভার সূচনা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিইআইটিসি’র ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা.কিউ.এম.অহিদুল আলম। আইসিও’র পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা.মো.মনিরুজ্জামান ওসমানীর উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিইআইটিসি ট্রাস্টের ট্রেজারার মোহাম্মদ রেজওয়ান শাহিদী।

বক্তব্য রাখেন, চক্ষু চিকিৎসা সমিতির উপদেষ্টা গোলাম মোস্তফা শামীম, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফুর রহমান, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ছিদ্দীক স্যার, সাইডার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের চেয়ারম্যান নাদের খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান শিরিন পারভীন হক, ইসলামিয়া হাসপাতাল ঢাকার মো. ফয়সাল সাহেদ, ময়মনসিংহ বিএনএসবি কে জামান হাসপাতালের চীফ কনসালটেন্ট ডা. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের দুই পুত্র যথাক্রমে সিইআইটিসি’র মেডিকেল ডিরেক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজীব হোসেন এবং সিইআইটিসি’র ট্রাস্ট বোর্ডের সদস্য রিয়াজ হোসেন, ফয়েজলেকের মো. মহিউদ্দিন, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ডা. সোমা রানী রায়, কেন্দ্রীয় ওএসবির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. জিন্নুরাইন নিউটন, ডা. আবু নাসেরসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

উক্ত নাগরিক শোক সভা পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. রুকনুন চৌধুরী এবং আয়োজক কমিটির সদস্য ও চক্ষু হাসপাতালের মহাব্যবস্থাপক (হিসাব ও অর্থ) মো. গোলাম ফারুক।

রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড’র এজিএম সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 1 August, 2026, 9:15 pm
রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড’র এজিএম সম্পন্ন

বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড এর এজিএম নগরীর খুলশী কনভেনশন সেন্টারের ইছামতী হলে শনিবার (১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জিএম সবুক্তগীন এবং নগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন দীপ্তি।

মোশাররফ হোসেন দীপ্তি সমিতির সদস্যদের পক্ষে বিভিন্ন দাবি দাওয়া পেশ করেন। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সমিতির লিখিত আবেদনের যথাযথ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন এবং রেলওয়ে জিএম/পূর্বকে বিষয়টি তদারকি করার নির্দেশ প্রধান করেন। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার রেলওয়ের উন্নয়নে খুবই আন্তরিক। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব ৮০ কি:মি কমাতে ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু হয়েছে।

সভার শুরুতে সভাপতি স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং সম্পাদক বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

ব্যবস্থাপনা কমিটি সভাপতি আব্দুস সাত্তার সেলিম সভাপতিত্ব করেন এবং আনোয়ার হোসাইন রতন সভা পরিচালনা করেন।

প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সদস্য প্রশ্ন, মতামত এবং পরামর্শ প্রদান করেন। সম্পাদক রতন সেগুলোর উত্তর প্রদান করেন।

এজিএম-এ উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি মো: ফজলুল করিম (মুকুট), পরিচালকবৃন্দ যথাক্রমে এম এম শাহেদ আলী, মাহমুদুল হাসান ভূঞা, চৌধুরী শরাফত করিম (কাওছার), মো: আলী আশরাফ ভূঁইয়া, মো: আমিরুজ্জামান, হাবীবুর রহমান ভূঁইয়া (স্বপন), মো: নিজাম উদ্দীন (নয়ন), হাসান আহম্মদ খান এবং মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

এছাড়া রেলওয়ের বর্তমান এবং সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, সমিতির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দুপুরের উপস্থিত সকলের জন্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের আয়োজন ছিল।

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সজাগ থাকুন : মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 1 August, 2026, 7:52 pm
ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সজাগ থাকুন : মেয়র

দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রামের পর দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় রয়েছে উল্লেখ করে দল ও সরকারের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, আমাদের এখন সবচেয়ে বেশি সজাগ থাকতে হবে। কারণ পদে পদে দল ও সরকারকে কলঙ্কিত করার জন্য একটি মহল ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। এসব ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচনে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

তিনি শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নগরীর বিবিরহাট গরু বাজার সংলগ্ন পিডিবি অফিসের মাঠে পাঁচলাইশ থানা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচশত পরিবারের হাতে চাল বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে। যারা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে, তারা এখনো অপপ্রচারের মাধ্যমে সরকারকে অকার্যকর প্রমাণের চেষ্টা করছে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

মহসিন কলেজ মাঠের উন্নয়নকাজ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর প্রসঙ্গ তুলে মেয়র বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তিনি সকালে সরেজমিনে মাঠ পরিদর্শন করেছেন। সেখানে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, আমি প্রায় দুই ঘণ্টা পুরো মাঠ ঘুরে দেখেছি। যারা অভিযোগ করেছেন, তাদের বলেছি—একটি বাঁশও যদি দেখাতে পারেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু এমন কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

মেয়র বলেন, কোনো উন্নয়নকাজে অনিয়ম থাকলে শিক্ষার্থীদের তা তুলে ধরার অধিকার রয়েছে। তবে যাচাই বাছাই ছাড়া মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে শুধু মেয়র বা সিটি কর্পোরেশনের ভাবমূর্তি নয়, চট্টগ্রামের সামগ্রিক ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন হয়।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের প্রকল্প নিয়ে এ ধরনের মিথ্যা প্রচারণা হলে ভবিষ্যতে তারা চট্টগ্রামে উন্নয়ন প্রকল্প দিতে অনাগ্রহী হতে পারে। এর ক্ষতি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নয়, ক্ষতি হবে চট্টগ্রামবাসীর। তাই কোনো অভিযোগ থাকলে আগে ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা যাচাই করতে হবে।

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশনের লিগ্যাল এইড কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান মেয়র।

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, সম্প্রতি নগরীতে স্মরণকালের অন্যতম সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে। সাত দিনে প্রায় ১ হাজার ৪৫০ মিলিমিটার এবং একদিনে সর্বোচ্চ ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় পানি জমলেও বৃষ্টি থামার পর দ্রুত পানি নেমে গেছে।

তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের এখনো প্রায় ৩০ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে। চলমান কাজ সম্পন্ন হলে এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় ইনশাআল্লাহ চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।

নগরীর বিভিন্ন উন্নয়নকাজ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, গত ২০ মাসে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা ও অবকাঠামোসহ নানা উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আগামী দিনেও এসব কাজ অব্যাহত থাকবে। নগরীর অলিগলিতে যেসব রাস্তার সমস্যা রয়েছে, পর্যায়ক্রমে সেসব সমস্যার সমাধান করা হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি ও পাঁচলাইশ থানা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকির সভাপতিত্বে এবং পাঁচলাইশ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শফিউল আলম শফির সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আর ইউ চৌধুরী শাহিন, আহবায়ক কমিটির সদস্য ইসকান্দার মির্জা, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মনজুরুল আলম মঞ্জু, পাঁচলাইশ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুনির আহম্মেদ চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল আলম মুন্সী, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সেলিম উদ্দিন রাসেল, পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক এনামুল হক ইনু, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, পাঁচলাইশ থানা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সামিয়াত আমিন চৌধুরী জিসান সহ মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।