খুঁজুন
, ,

করোনা বিদ্ধ সময় : খালেদা মুক্ত, ইতিহাস গড়লেন মুজিবকন্যা-রিয়াজ হায়দার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 27 March, 2020, 1:02 pm
করোনা বিদ্ধ সময় : খালেদা মুক্ত, ইতিহাস গড়লেন মুজিবকন্যা-রিয়াজ হায়দার

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। রিয়াজ হায়দার চৌধুরী : সারা বিশ্বের আতঙ্ক-যন্ত্রণা-উদ্বেগের রঙ হয়ে গেল এক’ই। পারমাণবিক কিংবা আগ্নেয়াস্ত্রের কোন যুদ্ধ নয়, রাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রে অণুজীবের যুদ্ধ চালাচ্ছে যেন প্রকৃতি। তাই বিশ্ববাসীর অভিন্ন শত্রুতে পরিণত হলো কভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাস ।

প্রিন্স চার্লস আক্রান্ত। রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ প্রাসাদ ছেড়েছেন । ইতালিতে হাজারে-হাজারে মরছে। ফ্রান্স, স্পেন কিংবা ইউরোপ জুড়ে বা ইরান কিংবা মধ্যপ্রাচ্য অথবা মার্কিন মুলুকের অবস্থা তথৈবচ। প্রকৃতির ভাষাও যেন পাল্টে যাচ্ছে। জীবজন্তুর আচরণেও অসংলগ্নতা স্পষ্ট হচ্ছে । বসন্তের সবুজ যেন ম্লান। মধ্যন্হে ঝাঁক বেঁধে টিয়া পাখির ওড়াউড়ি নজিরবিহীন।

এই গরমেও মধ্যরাতে কোথাও কোথাও ডাকছে শেয়াল। থেমে থেমে রাতের নৈঃশব্দে চিরচেনা কুকুরের ডাক বন্ধ হয়ে গেছে। রাত্রিতে বিড়ালের পায়চারি নেই বললেই চলে। বাংলাদেশ কিংবা বিশ্ব মানচিত্রে বদলে যাচ্ছে অনেক কিছুই। প্রতিবেশী ভারতে মোদি বললেন, ২১ দিন বাড়ির বাইরে যেতেই পারবে না কেউ।

বাধ্যতামূলক ‘সামাজিক দূরত্ব’ বজায় রাখতে মোদি জি’র হুংকার শুধু নয়, মধ্যপ্রাচ্য ইউরোপ কিংবা পাশ্চাত্যের ভাষাও কঠোর। বাংলাদেশের অবস্থা কী আরো ভয়াবহ হতে চলছে? দশদিন সরকারি ছুটি পেয়ে ঢাকা,চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহর থেকে লঞ্চে ট্রেনে বাসে;গণপরিবহনে গ্রামে ফেরার যে অপরিণামদর্শিতার ছবি ভাইরাল হল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, তাতে স্পষ্ট’ই বুঝা যায় মানুষ উপলব্ধি করতে পারছে না যে, করোনা ভাইরাস ঠিক কী রকমভাবে ছোঁয়াচে !

গণমাধ্যমে এসব নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। এমন ঘরে ফেরাকে ‘আত্মঘাতী’ বলছেন , টকশোতে চায়ের পেয়ালায় উঠেছে ঝড়। তবে আমরা কি দেশের মানুষকে বুঝাতে ব্যার্থ হয়েছি? এর দায় নেবে কে ? এদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেদিন জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েই সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন, ঠিক সেদিন’ই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম জিয়ার মুক্তিতে দলটির নেতাকর্মীরা রাস্তায় হুমড়ি খেয়ে পড়লেন।

২বছর ১মাস ১৬ দিন সাজা কেটে বেগম খালেদা জিয়া শর্তসাপেক্ষে মুক্ত হলেন প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অনুগ্রহে। এতিমখানা ও দাতব্য সংস্থার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে দোষী সাব্যস্ত বেগম জিয়ার কারাবন্দি সময়ে বিএনপি দফায় দফায় আন্দোলন করলেও কোন সুফল মেলেনি।

করোনায় সৃষ্ট সঙ্কট মুহূর্তে শেষ পর্যন্ত তার ভাই সাঈদ ইস্কান্দারের আবেদনের পর বোন ও বোনজামাই দেখা করেন প্রধানমন্ত্রীর সাথে। বয়স বিবেচনায় মানবিক দিক চিন্তা করে মুক্তির সিদ্ধান্ত দেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।

করোনা ঝুঁকি সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতাল থেকে শুরু করে গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ পর্যন্ত দলে দলে মিছিল করে হুমড়ি খেয়ে কর্মীসমর্থকরা বেগম জিয়ার জন্য তৈরি করলেন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি। এনিয়ে খোদ বিএনপিতে প্রশ্ন উঠেছে, যারা এমন হুমড়ি খেলেন, একাধিক শীর্ষ নেতা বলছেন, তাঁরা মোটেও ভালো চাননি।

গণস্বাস্থ্যের ডাঃ জাফরুল্লাহ অবশ্য বললেন, এক্ষেত্রে সরকার দায় এড়াতে পারে না। সরকার কঠোরভাবে সামাজিক দূরত্বটি নিশ্চিত করতে পারতেন। কঠোরভাবে দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। বন্দীদশা শেষে মুক্তির বিষয়টি বিএনপির দায়িত্বশীল শীর্ষ নেতারা তাৎক্ষণিক সরকারকে প্রশংসা না করলেও বিলম্বে হলেও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম, ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ কেউ কেউ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকার সাবেক মেয়র মির্জা আব্বাস স্বীকার করেই বলেছেন, ‘এখানে আমাদের কোন কৃতিত্ব নেই, ম্যাডামের পরিবারের সদস্যদের কৃতিত্ব ছাড়া।’ করোনার বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দন্ড প্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে মুক্তিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশটি যে মানবিক, একথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবুও এ নিয়ে চলতি মারি ও মড়কের দিনে রাজনৈতিক আলোচনা হতেই পারে।

সবছাপিয়ে এ কথায় সত্য যে, বাংলাদেশ জন্মের পরের ইতিহাসে কোন প্রধানমন্ত্রী কিংবা সরকারপ্রধানের মানবিকতার ক্ষেত্রে এটি অনন্য নজির। শুধু তাই নয়, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় রাজপথেই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা মামলার সাক্ষ্যপর্বে যেখানে সাফ করেই সাক্ষীরা ঘটনাটির জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার দিকেই অভিযুগের আঙুল তুলেছিলেন, সেই অভিযুক্তকেই মুক্তি দিয়ে নেতৃত্বের উদারতা ও মহানুভবতার পরিচয় দিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।

সমকালীন বিশ্ব ইতিহাসেও সমুজ্জল। তবে যে দেশে জাতির পিতার মর্মান্তিক বিয়োগের দিনে জন্মদিন পালনের বিতর্কিত রেওয়াজ প্রচলিত, সে দেশে দিবস উদযাপনের প্রতিযোগিতার ভীড়ে এই ‘কারামুক্তি দিবস’টি বেগম জিয়া ও বিএনপি’র জন্য হবে বড়ই অস্বস্তির ।

কেননা, স্বাধীনতা দিবসের ঠিক আগের এই দিনে ২৫ মার্চের কালরাত্রির দুঃসহ স্মৃতিই বাঙালি বয়ে বেড়াবে অনাদিকাল, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। ঠিক এক’ই দিনে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে করোনার বিরুদ্ধে একাত্তরের মতো ঐক্যবদ্ধভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন।

তিনি বললেন, ‘ঘরে বসেই এ যুদ্ধ জয় করুন। মাত্র ১৪ দিন আলাদা থাকুন। নিজের ও নিজের পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের নিরাপদ রাখুন। দুর্যোগের সময় মনুষ্যত্বের পরীক্ষা হয়। মজুদদারদারদের সতর্কবার্তা, ৫হাজার কোটি টাকার ‘বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ’ ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী চলতি দুর্যোগে কার্যত একটি ‘জাতীয় ঐক্য’ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। মনোবল অটুট রাখা, নির্দেশনা পালনের জন্যও বলেন ।

প্রসঙ্গক্রমে ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে জনতার যে যুদ্ধ, সেই যুদ্ধজয়ের কথাটিও মনে করিয়ে দিলেন। তিনি আশ্বস্ত করে বলেছেন, ‘দেশের অভ্যন্তরে এবং বাইরের সঙ্গে ‘সরবরাহ চেইন’ অব্যাহত রয়েছে। অযৌক্তিকভাবে দ্রব্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি করবেন না । অতিরিক্ত কোনো ভোগ্য পণ্য কিনবেন না। মজুদ করবেন না।

প্রধানমন্ত্রীর এমন দৃঢ় ঘোষণার বিপরীতে পাড়ার মুদি দোকানেও ‘পেনিক বাই’ এর প্রভাব। খাদ্যপণ্যের আকাল পরিস্থিতি তৈরি করছেন কিছু লোভাতুর মজুদদার-স্বার্থান্ধ মানুষ। এপরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর একটি বক্তৃতার কথা মনে পড়ে খুব। লোভি চক্র ও মজুদদার, লুটেরা শ্রেণীর অপতৎপরতারদের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু চট্টগ্রামের মিলিটারি একাডেমিতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে স্পষ্টই বলেন, বাংলার দুঃখী মানুষের জীবনকে ওরা অতিষ্ঠ করে তুলেছে।

মজুতদার ঘুষখোর চোরাকারবারিদের তিন বছর ধরে আমি কঠোর বার্তা দিয়েছি। আমি শপথ করেছি, ওদের নির্মূল করবো। আপনারাও শপথ করুন ।

পুনশ্চ: এই বৈশ্বিক মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যেও আশাবাদ জাগায় কক্সবাজারের সহযোদ্ধা সাংবাদিক আহমেদ গিয়াসের তথ্য। গিয়াস জানালেন একজন সাফিয়ার কথা। একজন রত্নগর্ভা মা’র কন্যা সাফিয়া। মা কক্সবাজার জেলার প্রথম করোনা রোগী। মা’র এমন দুর্দিনে ভয়ে পালাচ্ছেন সবাই। আত্মীয়স্বজন-চিকিৎসক-নার্স, এমনকি হাসপাতালের অন্য রোগীরাও আতংকগ্রস্ত।

রোগী হাসপাতাল ছেড়েও পালিয়েছেন। জরুরী বিভাগেও কমেছে রোগী। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে মায়ের পাশে আছেন মাত্র একজন। মেয়ে সাফিয়া। মানুষের সাথে প্রকৃতির এই যুদ্ধে মানবতার অবিচল দুঃসাহসী সাফিয়াদের এখন বড় বেশি প্রয়োজন।

(লেখক: সহ-সভাপতি, বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও সাধারণ সম্পাদক, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ, চট্টগ্রাম) 

২৪ ঘন্টা/ আর এস পি

Feb2
Feb2

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন, চার ককটেল বিস্ফোরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 10:44 pm
রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন, চার ককটেল বিস্ফোরণ

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তিনটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়াও যাত্রাবাড়ীতে চারটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মিরপুর-১ নম্বরে অভিজাত পরিবহন এবং প্রায় একই সময় পল্লবীর ১১ নম্বরে শিখড় পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসে আগুনের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া রাত ৮টার দিকে বাড্ডায় আরেকটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। পৃথক এই তিন ঘটনাস্থল ও এর পাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ এবং বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনার পর তল্লাশি ও টহল জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাজধানীর প্রবেশপথসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে দুই শতাধিক চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সেখানে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি করা হয়।

মিরপুর থানার ওসি হাফিজুর রহমান সমকালকে বলেন, দুর্বৃত্তরা মিরপুর-১ এ অভিজাত পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। বাসের একটি সিট পুড়ে গেছে। এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

পল্লবী থানার ওসি হাসান বাসির বলেন, যাত্রীবেশে বাসে উঠে ১১ নম্বরে বাসে আগুন লাগিয়ে দুর্বৃত্ত নেমে যায়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ফায়ার সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়। এতে কেউ হতাহত হয়নি।

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ রাজু বলেন, সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী মোড়ে চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে বিল্লাল নামে এক রিকশা চালক আহত হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ফ্লাইওভার থেকে দুর্বৃত্তরা এই চারটি ককটেল নিক্ষেপ করেছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কন্ট্রোলরুম থেকে বেতার বার্তায় সব থানা পুলিশকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মাঠে থাকতে বলা হয়েছে সব কর্মকর্তাকে। ডিএমপির দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, কোনো এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা যাতে একটি ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দিতে না পারে পারে সেজন্য মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের তৎপর থাকতে বলা হয়েছে। ইউনিফর্মের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক গোয়েন্দা সদস্য মাঠে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।

এর আগে, গতকাল শুক্রবার ঢাকা মহানগরের সাত স্থানে অন্তত ১২টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে। এ ছাড়া একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে আজ শনিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া শাখা থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর এলাকা ও এর আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, ফ্লাইওভার এবং প্রবেশপথগুলোতে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

নিরাপত্তা জোরদার করার অংশ হিসেবে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোর পাশাপাশি ঢাকা শহরের প্রধান প্রবেশদ্বারগুলোতে কড়া নজরদারি চালানো হয়। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের সন্দেহজনক যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীজুড়ে বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।

ডিএমপি জানায়, নগরীর নিরাপত্তা ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এছাড়া ‘পিকেট ডিউটি’ জোরদার করার কথা জানিয়ে পুলিশ বলছে, নগরজুড়ে গাড়ি ও মোটরসাইকেল নিয়ে টহলের পাশাপাশি হেঁটে টহলদলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া কোনো বড় ধরনের অপরাধ বা নাশকতা প্রতিরোধে মাঠে ডিবি, সিটিটিসি এবং এপিবিএন টিম মোতায়েন রাখার কথা জানায় ডিএমপি।

ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) ফারুক হোসেন বলেন, যারা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করবে যেভাবেই হোক তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য সতর্ক অবস্থায় মাঠে রয়েছেন।

ককটেল–বাসে আগুনের ঘটনায় ২ মামলা

গতকাল শুক্রবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত রাজধানীর অন্তত সাতটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ এবং কাফরুলে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এরমধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার প্রধান ফটক ও চৌরাস্তা মোড়ে অন্তত চারটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ ঘটনায় একজন অটোরিকশাচালক আহত হন।

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ রাজু বলেন, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে একটি মামলা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

ডিবি সূত্র জানায়, এ ঘটনায় মো. রায়হান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ককটেল ছোড়ার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে, কাফরুল থানার সামনে বাসে আগুনের ঘটনায় নাশকতার অভিযোগে মামলা হয়েছে। পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোস্তাক সরকার জানান, বাসে আগুন দেওয়ার নির্দেশদাতাসহ সাতজনের নামে মামলা করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শেরেবাংলা নগর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, আগারগাঁওয়ে ককটেল বিস্ফোরণের কোনো আলামত না পাওয়ায় মামলা হয়নি। তবে এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। অপরদিকে মহাখালীতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িতদের এখনও শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশের গুলশান বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, মহাখালী ফ্লাইওভারের ঢালে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এ ছাড়াও শুক্রবার মালিবাগ, মগবাজার, বাবুবাজার ও রামপুরায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ৩ জন আটক, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 10:29 pm
সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ৩ জন আটক, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডে সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। প্রথমে তুহিন নামে এক তরুণকে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে আরও দু’জনকে আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস। তিনি জানান, অপ্রতিম নিখোঁজের পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে অপ্রতিমের সঙ্গে তুহিনকে দেখা যায়। পরে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাস ও ফাহিম আহমেদকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে।

ফাহিম আহমেদকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক। তিনি বলেন, তুহিন ও আনাসকে আটকের পর ফাহিমকে আটক করা হয়। আটক তুহিনের বাড়ি সানন্দা এলাকায়। তার বাবার নাম নুরুল আলম।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে উদ্ধারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্নভাবে তৎপরতা চালায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার সময় অপ্রতিমের সঙ্গে এক তরুণকে দেখা যায়। ওই ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

এর আগে, শুক্রবার বিকেলে কোটবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। পরে তার বাবা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। অপ্রতিমের মুঠোফোনের অবস্থান শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত গন্ধমতী এলাকায় শনাক্ত হয়। এরপর ফোনটির আর কোনো অবস্থান পাওয়া যায়নি।

আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার হয়। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মরদেহের সঙ্গে অপ্রতিমের মায়ের আইফোনটি পাওয়া যায়নি।

অপ্রতিম স্থানীয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান। তার মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটির রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

খেলাধুলার চর্চা বাড়িয়ে দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়তে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 9:38 pm
খেলাধুলার চর্চা বাড়িয়ে দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়তে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

শারীরিক ও মানসিকভাবে সুদৃঢ়, সুশৃঙ্খল, মানবিক ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

তিনি বলেন, শারীরিক ও মানসিকভাবে সুদৃঢ় প্রজন্ম গড়তে ক্রীড়ার বিকল্প নেই। ক্রীড়া শুধু শরীরচর্চার মাধ্যম নয়, এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা, দায়িত্ববোধ ও প্রতিযোগিতার ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে ‘শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’-এর ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে লাখো শিশু-কিশোরের অংশগ্রহণে দেশব্যাপী ক্রীড়াঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’। এর ধারাবাহিকতায় বন্দরনগরীর স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন সময়োপযোগী উদ্যোগ।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নতুন প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুদৃঢ় এবং দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ টুর্নামেন্ট শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং তাদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে।

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, নিয়মিত খেলাধুলার মধ্য দিয়ে সন্তানরা মাদক, সন্ত্রাস ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে থাকবে। তারা শৃঙ্খলাবোধ ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বেড়ে উঠবে, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে।

তিনি জানান, টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা দেওয়ার পর চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। প্রায় ৬০ থেকে ৬৫টি স্কুল অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করলেও বাছাই শেষে ৪৮টি স্কুলের দলকে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্কুল পর্যায়ে এ ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি হবে এবং সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের উঠে আসার সুযোগ সৃষ্টি হবে। ভবিষ্যতে চট্টগ্রামের স্কুল পর্যায়ের ফুটবলকে আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত করতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমাদের সন্তানরা শুধু ভালো শিক্ষার্থী নয়, ভালো মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে খেলাধুলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাঠে খেলতে গিয়ে একজন শিশু শেখে কীভাবে জয়কে গ্রহণ করতে হয়, পরাজয়কে মেনে নিতে হয় এবং দলগতভাবে এগিয়ে যেতে হয়।

আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের স্কুল পর্যায়ে এত বড় পরিসরে ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। এর মাধ্যমে নতুন প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে।

ফাইনাল খেলায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ এরশাদ উল্লাহ বলেন, স্কুল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার লক্ষ্যেই এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজনের মাধ্যমে চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, বর্তমান প্রজন্মের অনেক শিক্ষার্থী খেলাধুলা থেকে দূরে সরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন গেমসহ বিভিন্ন ধরনের সাইবার আসক্তির দিকে ঝুঁকছে। একই সঙ্গে উঠতি বয়সী অনেক তরুণ-তরুণী মাদকের মতো ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় পড়ালেখার পাশাপাশি সন্তানদের মাঠমুখী করা অত্যন্ত জরুরি।

টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর নিয়াজ মোহাম্মদ খান বলেন, শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’ ঘিরে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ক্ষুদে ফুটবলার, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে ক্রীড়াঙ্গনকে আরও এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে।

ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, ক্রীড়ানুরাগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি ছিল। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচ শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি, প্রাইজমানি ও অন্যান্য পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।