খুঁজুন
, ,

শান্তিপূর্ণ জনসভায় কেন যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব-আমির খসরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 12 October, 2019, 8:48 pm
শান্তিপূর্ণ জনসভায় কেন যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব-আমির খসরু

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, গুম, খুন হত্যার বিরুদ্ধে দেশের মানুষ অবস্থান নিয়েছে। প্রতিবাদের এই জোয়ারকে ভয়ভীতির মাধ্যমে থামিয়ে দেয়া সম্ভব না।

বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ দেশবিরোধী চুক্তির বিরোধিতা করেছে, শুধুমাত্র সেইজন্য তাকে সরকারী দলের সন্ত্রাসীদের হাতে জীবন দিতে হয়েছে। দেশপ্রেমিক নাগরিককে যারা হত্যা করে তারা দেশদ্রোহী।

তিনি আজ শনিবার বিকালে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, দেশবিরোধী চুক্তি ও আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ের সামনে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি আয়োজিত এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষাভ সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ. এম নাজিম উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুর হাশেম বক্কর, সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, সমাবেশে আসতে দেখলাম, পুলিশ যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, মনে হচ্ছে দেশে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। শান্তিপূর্ণ এই জনসভায় কেন এই যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব। এখানে এত পুলিশ কেন? দেশের সংবিধান কি বাতিল হয়ে গেল?

যারা জনগণের পাশে দাঁড়ানোর কথা, যারা দেশ বিরোধী চুক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর কথা, যারা দেশপ্রেমিক নাগরিকদের পক্ষে থাকার কথা তাদের এই অবস্থা কেন?

প্রশাসনের উদ্দেশ্যে আমির খসরু আরো বলেন, যারা সন্ত্রাসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে খুন করে, অবৈধ ব্যবসা করে, জনগণের অধিকার কেড়ে নেয় তাদের পাশে আপনাদের থাকার কথা নয়। আইনশৃংখলা বাহিনী আমরা একে অপরকে সহযোগিতা করার কথা, শ্রদ্ধা করার কথা। আইনশৃংখলা বাহিনীর সাথে নাগরিকদের একটি সুসম্পর্ক থাকার সময় এসেছে, এটা বিবেচনা করতে হবে।

তিনি বলেন, বুয়েটের ভিসি ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী ও পুলিশ সাথে নিয়ে আবরার ফাহাদের বাড়ীতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের অপদস্ত করতে সাহস পায় কিভাবে? যে স্ট্যাটাসের কারণে আবরার ফাহাদকে জীবন দিতে হয়েছে, সেই স্ট্যাটাস সারাদেশের মানুষকে বার বার দিতে হবে। এই স্ট্যাটাস ইতহাসের অংশ হয়ে থাকবে। শেয়ার বাজার, ব্যাংক লুট, বিশ্বজিত হত্যা, আবিদ হত্যার বিচার হয়নি, আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারও হবে কি না সন্দেহ।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র ক্ষমতায় থাকার জন্য দেশ বিরোধী চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়েছে এই সরকার, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেও অবৈধভাবে আটকে রেখেছে সরকার। কিন্তু ক্ষমতার মালিক দেশের জনগণ।

আমির খসরু বলেন, লুটেরেরা ধরা পড়ছে, সেই ভয়ে তাদের মধ্যে নার্ভাসনেস কাজ করছে। তাদের আচরণে সেটা প্রকাশ পাচ্ছে। ভারতের এনআরসি নিয়ে মন্ত্রীরা বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারণে নেই বললেও যৌথ বিবৃতিতে এই বিষয়ে কোন কথা নেই। সীমান্তে হত্যা, রোহিঙ্গা সমস্যা, তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানি চুক্তি নিয়ে যৌথ বিবৃতিতে কিছুই নেই।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ভারতের সাথে দেশবিরোধী চুক্তি করে দেশকে করদ রাজ্যে পরিণত করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এই অবৈধ সরকার। এই অসম চুক্তি দেশের মানুষ মেনে নেবে না। প্রধানমন্ত্রী ভারতে গিয়ে তিস্তা চুক্তির বিষয়টি আলোচনার টেবিলে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে, এটা শুধু প্রধানমন্ত্রীর লজ্জা না, বাংলাদেশের মানুষের লজ্জা।

তিনি বলেন, ক্যাসিনো দুর্নীতির মাধ্যমে যুবলীগ ছাত্রলীগ থেকে এখন দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। সম্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদের যখন দেশের রাঘব বোয়ালদের নাম বেরিয়ে আসছিল ঠিক তখনি দেশপ্রেমিক বুয়েট মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে হত্যা করলো। দেশের
মানুষ একদিন এ হত্যাকারীদের জনতার আদালতে বিচার করবে।

প্রধান বক্তা মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, সরকারের শত বাঁধা বিপত্তি উপেক্ষা করে আজকে ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশ জনতার দখলে। চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। আবরার হত্যার প্রতিবাদে রাজপথ আজ উত্তাল। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটকে রেখেছে সরকার। দেশনেত্রী শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। তাকে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে। সরকার তার জামিন প্রক্রিয়ায় বাঁধাগ্রস্ত করে তার মুক্তিতে বাঁধা দিচ্ছে।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকার জন্য দেশের মানুষকে ক্ষমতাসীনরা হত্যা করছে। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন ২৯ তারিখ রাতে করেছে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য দেশবিরোধী চুক্তি করা হয়েছে। সেই চুক্তির প্রতিবাদ করায় আবরারকে প্রাণ দিতে হয়েছে। শহীদ জেহাদের রক্ত দানের মাধ্যমে যেমন স্বৈরাচারী এরশাদের পতন হয়েছিল, তেমনি ভাবে আবরারের রক্ত বৃথা যাবে না। গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হলে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। এ জন্য দেশ প্রেমিক জনতাকে ঐক্য গড়তে হবে।

এ. এম নাজিম উদ্দিন বলেন, আবরার হত্যার বিচারের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কথা বিশ্বাস করা যায় না। কারণ সাগর-রুনি, বিশ্বজিত ও চট্টগ্রামের আবিদ হত্যার বিচার এ পর্যন্ত হয়নি। আওয়ামীলীগের এ বিচার করার ক্ষমতাও নেই।

আবু সুফিয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রী মা হিসেবে আবরার হত্যার বিচার করবেন বলে যে প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন, ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী হিসেবে তা জাতির সাথে প্রতারণা। আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের বিচার হয় না। খুনীদেরকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করে দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন ও সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলামের পরিচালনায় সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সামশুল আলম, হাজী মোহাম্মদ আলী, জয়নাল আবেদীন জিয়া, নাজিমুর রহমান, আশরাফ চৌধুরী, মাহবুবুল আলম, এডভোকেট মফিজুল হক ভুঁইয়, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, অধ্যাপক নুরুল আমিন রাজু, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আবদুল মান্নান, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, জাহাঙ্গির আলম দুলাল, কাউন্সিলর আবুল হাসেম, মনজুর আলম মঞ্জু, আনোয়ার হোসেন লিপু, শাহেদ বক্স, সামশুল হক, সহসাধারণ সম্পাদক মো. সালাহ উদ্দিন, সামশুল আলম, ইসহাক চৌধুরী আলিম, আবু জহুর, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মুবিন, সম্পাদকবৃন্দ মোহাম্মদ আলী মিঠু, এড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, এম আই চৌধুরী মামুন, ফাতেমা বাদশা, এইচ এম রাশেদ খান, হামিদ হোসেন, নুরুল আকবর কাজল, মোহাম্মদ আলী, অধ্যাপক ঝন্টু কুমার বড়ুয়া, শহিদুল ইসলাম শহীদ, জিয়া উদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আবদুল বাতেন, আবদুল মান্নান রানা, থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমন চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, হাজী হানিফ সওদাগর, ডা. নুরুল আবছার, মো. সেকান্দর, সরফরাজা কাদের রাসেল, আবদুল্লাহ আল হারুন, নগর বিএনপির সহসম্পাদকবৃন্দ সালাহ
উদ্দিন কায়সার লাবু, রফিকুল ইসলাম মো. ইদ্রিস আলী, অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম, খোরশেদ আলম কুতুবী, এড. নেজাম উদ্দিন খান, এড. সেলিম উদ্দিন শাহীন, অধ্যাপক রনজিত বড়ুয়া, জেলী চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন বুলু, আজাদ বাঙালী, আবু মুসা, সফিক আহমেদ, আবুল খায়ের মেম্বার, আবদুল হাই, আলী আজম, সালাহ উদ্দিন লাতু, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, আফতাবুর রহমান শাহীন, হাজী বাদশা মিয়া, মনির আহমেদ চৌধুরী, মো. শাহাব উদ্দিন, জাহিদুল
হাসান, হাবিবুর রহমান, নূর হোসাইন, মাঈন উদ্দিন চৌধুরী মাঈনু, রোকন উদ্দিন মাহমুদ, জাহাঙ্গির আলম, আবদুল কাদের জসিম, নগর সদস্য ইউসুফ সিকদার, জাকির হোসেন, আলী ইউসুফ, জমির আহমদ, কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, আতিকুর রহমান, রেজিয়া বেগম মুন্নি, মেজবাহ উদ্দিন রাজু, কামাল পাশা নিজামী, সখিনা বেগম, খোরশেদ আলম, তাহের আহমদ, হাজী নুরুল হক, মনিরুজ্জামান টিটু, শাহনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, গাজী আলা উদ্দিন, এড. আবদুল আজিজ, মনিরুজ্জামান মুরাদ, মনিরুল ইসলাম মনুসহ প্রতিটি ওয়ার্ড বিএনপি ও অংগ সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে পুলিশী বাঁধা উপেক্ষা
করে মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন।

Feb2
Feb2

সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 September, 2026, 12:16 pm
সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেওয়ার পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনাতেও অংশ নেবেন তিনি।

এ ছাড়া, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা, স্বস্তি ফেরেনি মাছ-মুরগিতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 September, 2026, 12:05 pm
ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা, স্বস্তি ফেরেনি মাছ-মুরগিতে

নগরের বাজারে মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। মুরগি, মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় ডজন প্রতি ডিমে ১০ টাকা কমেছে। আর পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছে কিনতে প্রতি কেজিতে গুনতে হবে কমপক্ষে ২৩০ টাকা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। আবার মাছের দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। কোনো মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। আবার কোনো মাছের দাম ১০-২০ টাকা কমেছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির গত সপ্তাহের মতো আজকে ১৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা মাছ পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ২৬০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

পাহাড়তলী বাজারে মো. মিজানুর রহমান নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে মাছ, মুরগি ও মাংসের দাম আগের অবস্থাতেই রয়েছে, বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে আমাদের মতো মধ্যবিত্তের মাছ পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি কমপক্ষে ২৩০ টাকা গুনতে হচ্ছে। মুরগি ও মাংসের দামেও উল্লেখযোগ্য কোনো কমতি নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা খোকন বলেন, মাছের দাম ঠিক নাই। এখন একদর, বিকেলে আরেক দর। মাছ বেশি আসলে দাম কমে, কম আসলে দাম বাড়ে। ক্রেতা, সরবরাহ ও আবহাওয়ার উপরও দাম অনেক সময় নির্ধারণ হয়। আজকে কাতলা মাছ ৪৫০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৭০০ টাকা কেজি আর শিং ৩৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। আজকে মাছও আছে, ক্রেতাও আছে।

এদিকে মাছের দাম বাড়ায় সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ। বাজারে তুলনামূলক কম দামের পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রতি কেজি পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে ২৫০ টাকা। ফলে বাড়তি দামের কারণে অনেক নিম্নবিত্ত পরিবার মাছের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছেন, কেউ কেউ আবার নিয়মিত মাছ কেনাই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

মুরগি বিক্রেতা মাহবুব আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও ১৯০ টাকায় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করছি। সোনালি মুরগির দাম ২১০ টাকা ছিল, আজকেও ২১০ টাকাতেই বিক্রি হচ্ছে।

ডিম ব্যবসায়ী কাদের বলেন, ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমেছে। আজকে ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা, আর ব্রাউন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।

সারাদেশে একযোগে ৯৯ জন বিচারক বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 17 September, 2026, 10:51 pm
সারাদেশে একযোগে ৯৯ জন বিচারক বদলি

দেশের অধস্তন আদালতের ৯৯ জন বিচারককে একযোগে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে জুডিসিয়াল সার্ভিসের ৪৪ জেলা জজ, ২৬ অতিরিক্ত জেলা জজ, ২৫ যুগ্ম জেলা জজ, দুই সিনিয়র সিভিল জজ ও দুই সিভিল জজসহ মোট ৯৯ বিচারককে বদলি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনগুলোতে জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারকদের বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এসব বদলি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনগুলোতে উল্লেখ রয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বদলি হওয়া বিচারকদের আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দায়িত্বভার নির্ধারিত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। তবে প্রশিক্ষণ বা ছুটিতে থাকা বিচারকদের প্রশিক্ষণ বা ছুটি শেষ হওয়ার পর নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।