খুঁজুন
, ,

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত একটি আদর্শের নাম:সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 12 October, 2019, 10:28 pm
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত একটি আদর্শের নাম:সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী

ইসলাম শান্তি চায়, মতপার্থক্যের চেয়ে আমাদের মাঝে যে মিলগুলো রয়েছে তার ভিত্তিতে আমাদেরকে এগুতে হবে। মাইজভাণ্ডারীয়া ত্বরিকার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার প্রতি সহমর্মিতা ও সদ্ভাব বজায় রাখা। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত একটি আদর্শের নাম। যে আদর্শের মধ্যে আল্লাহ্ ও তাঁর প্রিয় রাসূল (দ.) এবং রাসূলে কারীমের আহলে বাইতগণের আদর্শ চর্চা হয়। তাই বৈরীতা নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা-সম্প্রীতির ভিত্তিতে আমাদেরকে একতাবদ্ধ হতে হবে।

বাংলাদেশে প্রবর্তিত একমাত্র ত্বরিকা, ত্বরিকা-ই-মাইজভান্ডারীয়ার প্রবর্তক গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভান্ডারী(ক.)’র প্রপৌত্র ও অছিয়ে গাউসুল আযম খাদেমুল ফোকারা হযরত সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভান্ডারী (ক.)’র প্রথম পুত্র মাইজভান্ডারীয়া ত্বরিকার উজ্জ্বল নক্ষত্র বিশ্ব অলি শাহানশাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্সুফি সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র ৩১তম উরস উপলক্ষে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর (ক.) পবিত্র রক্ত ও ত্বরিকতের উত্তরাধিকারী ও রওজা শরীফের খেদমতের হকদার, মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মন্জিলের সাজ্জাদানশীন, বিশ্ব অলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর একমাত্র পুত্র ও তাঁরই পবিত্র নামে প্রতিষ্ঠিত ‘এস জেড এইচ এম ট্রাস্ট’-এর মাননীয় ম্যানেজিং ট্রাস্টি আলহাজ¦ হযরত শাহসুফি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.জি.আ) মাহফিলে সভাপতির আশীষবাণীতে উল্লেখ করেন।

তিনি আরো বলেন, সমাজকে কিছু দিতে হলে তাদের জন্য কাজ করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং সমাজের জন্য আমাদের দায়বদ্ধতা হিসেবে বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট (এসজেডএইচএম ট্রাস্ট) ৭ দিনব্যাপী কর্মসূচী পালন করেছে।

এর মধ্যে ছিল, ‘একবিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মুসলিম উম্মাহ্’ শীর্ষক সেমিনার, শাখা কমিটি সমূহের ব্যবস্থাপনায় স্ব স্ব এলাকার মসজিদে কুরআন তেলাওয়াত ও মিলাদ মাহফিল, ট্রাস্ট নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারীর (কঃ) জীবনী আলোচনা, র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ, কবরস্থান ও প্রতিষ্ঠান পরি”ছন্নতা কর্মসূচী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের নীতি নৈতিকতা বিষয়ক আলোচনা, ফটিকছড়ি উপজেলার রেজিস্টার্ড এতিমখানাসমূহের ছাত্র-ছাত্রীদের একবেলা খাবার সরবরাহ, ইসলামের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য সম্বলিত দুর্লভ চিত্র ও ভিডিও প্রদর্শনী, নগরীর মুরাদপুর হতে মাইজভান্ডার শরিফ পর্যন্ত বিআরটিসি’র বিশেষ বাস সার্ভিস, উপদেশমূলক, দিক-নির্দেশনা সম্বলিত প্রচার, বিশুদ্ধ পানীয় জল ও অস্থায়ী টয়লেটের ব্যবস্থা, পরিস্কার-পরি”ছন্ন কর্মসূচি।

১১ অক্টোবর শুক্রবার মাইজভান্ডার শরিফ গাউসিয়া হক মন্জিলে বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর ৩১তম উরস শরিফ যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল বাদ ফজর রওজা শরিফে গিলাফ চড়ানো, দিনব্যাপী খতমে কুরআন, তাওয়াল্লোদে গাউসিয়া, জিকির-আজকার, যিয়ারত, মিলাদ, সেমা মাহফিল, আখেরী মুনাজাত ও তার্বারুক বিতরণ।

বিশ^অলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী(ক.)-এর উরস উপলক্ষে মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মন্জিল, শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী(ক.) ট্রাস্ট ও মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় পর্ষদ নিয়ন্ত্রণাধীন দেশে-বিদেশের শাখা কমিটি সমূহের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। এছাড়াও পবিত্র উরসে মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটির ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, ওমান, কুয়েত, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র সহ বিভিন্ন দেশের আশেক-ভক্তগণ উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচিসমূহ বাস্তবায়ন ও উরস শরিফ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ, মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ-এর সকল পর্যায়ের সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মীবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রিয় মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভারতের আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রফেসর ও আজমির শরিফের গদিনশীন ড. সৈয়দ লিয়াকত হোসাইন মঈনী, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি ঢাকার অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ মহিউদ্দীন। মাহফিলে বক্তব্য রাখেন মাওলানা সৈয়দ আহমদুল হক মাইজভান্ডারী, মাওলানা হাফেজ আবুল কালাম, মাওলানা নুর হোছাইন হেলালী সাহেব।

উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় পর্ষদ সভাপতি আলহাজ¦ রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী, অধ্যাপক এ.ওয়াই.এম জাফর, শেখ মুজিবর রহমান বাবুল, সৈয়দ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন, কাজী মোহাম্মদ ইউসুফ, সৈয়দ জহুরুল কাদের আজাদ, এ.এন.এম.এ মোমিন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মিলাদ, কিয়াম ও সালাতুসালাম শেষে আখেরী মুনাজাতে তিনি দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ সহ পৃথিবীর সকল মানুষের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের অবারিত দয়া আমাদের সকলের উপর বর্ষিত হোক। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল, জাতীয় পর্যায়ে সকল নেতৃবৃন্দ যাতে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে ও এই উন্নয়ন যাতে নির্বিঘ্নে এগিয়ে যেতে পারে স্রষ্টার কাছে সেই তৌফিক কামনা করছি। পারস্পরিক শ্রদ্ধার মনোভাব ও আদর্শগত মিলের ভিত্তিতে আমাদেরকে একতাবদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশে মাইজভাণ্ডারী মতাদর্শের ব্যাপক প্রচার ও প্রসারের ভিত্তিতে যে অসম্প্রদায়িকতা গড়ে উঠেছে তা চিরকাল বজায় থাকুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

Feb2
Feb2

ওআইসি দেশগুলোর উদ্যোগে ১০০০ দুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 9:09 pm
ওআইসি দেশগুলোর উদ্যোগে ১০০০ দুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন মেয়র

সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিপাত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ঢাকায় অবস্থিত অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক মিশন। তাদের সম্মিলিত উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরীর ১৭ নম্বর পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে এক হাজার বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

রোববার আয়োজিত এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ত্রাণ বিতরণ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এ সময় মেয়র বলেন, দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবতা। সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের অনেক পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। এমন সময় ওআইসি সদস্য দেশগুলোর এই আন্তরিক সহযোগিতা দুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবসময়ই আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর এই সহমর্মিতা শুধু ত্রাণ সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি আমাদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, সংহতি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, পানি নিষ্কাশন, স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দেশি বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ দুর্যোগ মোকাবিলাকে আরও কার্যকর করে তুলবে।

তিনি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রসমূহের ঢাকাস্থ দূতাবাস ও হাইকমিশনগুলোর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

ফিলিস্তিন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা বলেন, মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ওআইসি সদস্য দেশগুলোর অন্যতম অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশের মানুষের প্রতি এই সহায়তা সেই অঙ্গীকারেরই বহিঃপ্রকাশ।

ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর ঢাকাস্থ দূতাবাস ও হাইকমিশনের সম্মিলিত উদ্যোগে পরিচালিত এই ত্রাণ কর্মসূচির আওতায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, ফিলিস্তিন দূতাবাসের প্রতিনিধি ড. খালেদ আবুশাউইশ (Dr. Khaled Abushawish) এবং ড. আবদেলরহমান আলসোরাদি (Dr. Abdelrahman Alsoradi), চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা সহ ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পতেঙ্গায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের পাশে মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 9:00 pm
পতেঙ্গায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের পাশে মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে সাম্প্রতিক রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত ও জোয়ারের পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। পতেঙ্গা থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক মানবিক কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে নগরীর উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডের কাটঘর এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেয়র ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় শুকনা খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।

এ সময় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। আমাদের প্রধানমন্ত্রী একজন মানবিক প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় অসহায় মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি এবং ভবিষ্যতেও এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে। বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। তাই দল-মত নির্বিশেষে বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।

তিনি এই মানবিক উদ্যোগ সফল করতে নিরলসভাবে কাজ করা দলীয় নেতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের ধন্যবাদ জানান এবং দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুজিবুল হক, পতেঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, পতেঙ্গা হালিশহর শ্রমিক দলের সভাপতি আবু জাফর, ৪০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হারুন কোম্পানি, ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক মো. লোকমান, সদস্য সচিব মনজুর কাদেরসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মানবতার সেবায় মহানগর বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 8:39 pm
মানবতার সেবায় মহানগর বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান

সাম্প্রতিক অতিভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম আরও বেগবান ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে নগর বিএনপির ত্রাণ কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ও ত্রাণ কমিটির আহ্বায়ক নাজিমুর রহমান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এরশাদ উল্লাহ বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। আমি মহানগর বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সমাজের সামর্থ্যবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা ত্রাণ তহবিলে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে আরও বেশি সংখ্যক অসহায়, দুস্থ ও বন্যাকবলিত মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। অনেক পরিবার আজ কর্মহীন ও খাদ্যসংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের কষ্ট লাঘবে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জরুরি ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করব। মানবিক এই উদ্যোগে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে এলে ইনশাআল্লাহ আমরা আরও বেশি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারব।

সভায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য গঠিত ত্রাণ তহবিলে নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিকভাবে ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। এসময় ৫০ লাখ টাকার ত্রাণ তহবিল গঠনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিজ নিজ অবস্থান থেকে ত্রাণ সংগ্রহ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করবেন। একই সঙ্গে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের ত্রাণ তহবিলে সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানানো হয়। প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ত্রাণ কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক অনুদান গ্রহণ করবেন এবং তা দ্রুত বন্যাদুর্গত ও অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সাইফুল আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, শিহাব উদ্দিন মুবিন, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু ও আহামেদুল আলম রাসেলসহ মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে মানবিক এই কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।