খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুবিধাবঞ্চিত ও মধ্যবিত্ত অসহায় পরিবারের পাশে ‘আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
সুবিধাবঞ্চিত ও মধ্যবিত্ত অসহায় পরিবারের পাশে ‘আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন’

প্রাণসংহারী নভেল করোনা (কভিড-১৯) ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও খাদ্য সংকট মোকাবেলায় সুবিধাবঞ্চিত ও মধ্যবিত্ত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন।

এই ফাউন্ডেশনের সদস্যবৃন্দ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে প্রচার চালানোর অংশ হিসেবে প্রায় ১,০০০ সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের মাঝে জীবানু নাশক সাবান ও বিনামূল্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছে।

পাশাপাশি ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও নির্দিষ্ট কিছু সামাজিক শিষ্টাচার পালনের মাধ্যমে সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে পথচারি ও বিভিন্ন বস্তীতে ভাইরাস প্রতিরোধে লিফলেট, হ্যান্ড গ্লাভস ও মাস্ক বিতরণ ও করেছে।

এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর প্রধান নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ আনোয়ার এলাহি ফয়সাল বলেন, “করোনা যেহেতু সাধারণ মানুষের জন্য নতুন ও অনাকাঙ্ক্ষিত একটি বিষয় তাই এ সংকট মোকাবেলায় আমাদের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে যেমনঃ রেল স্টেশন, বস্তি ও মসজিদে সাধারণ মানুষের নিকট সচেতনতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পরিকল্পনাকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন আমরা একদম মাঠ পর্যায়ে থেকে কাজ করছি। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লক ডাউন দেয়ায় বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অনেকের ঘরে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দূর্যোগ দেখা দিয়েছে। অনেক অসহায় খেটে খাওয়া মানুষ না খেয়ে জীবন যাপন করছে কর্মহীনতার কারনে। তাই সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য প্রতিদিন একবেলা খাবার এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের নিকট সাপ্তাহিক বাজার পৌঁছে দিতেই কাজ করছে আমাদের মানবতার সৈনিকরা।

সংস্থার সিনিয়র সহ-সভাপতি মুরাদ শামসুল আলম খাঁন বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে ঘনবসতি বাংলাদেশ। এই দূর্যোগ মোকাবেলায় সর্বপ্রথম রক্ষা করতে হবে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের। আমরা চেষ্টা করেছি স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রসার ঘটাতে, পথশিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, খাদ্য সংকট মোকাবিলায় অসহায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে। এ পর্যন্ত প্রায় ২০৩ পরিবারকে সাপ্তাহিক বাজার পৌঁছানো হয়, আলোর আশা সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আমাদের শুভাকাঙ্খীদের সহযোগীতার মাধ্যমে। সমাজের সকল বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষরা এগিয়ে আসলে সম্ভব হবে বাকি পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর।দেশের ক্রান্তিলগ্নে সবকিছু অচল অবস্থায় মধ্যবিত্তদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছানো সম্ভব হতনা! যদি না এগিয়ে আসতো আগ্রবাদ রাইডারস গ্রুপের সকল সদস্য বৃন্দ। তারা আলোর আশার সদস্যদের সাথে একাত্ম হয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছে মধ্য বিত্তদের জন্য হাট বাজার উপহার।

আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশনের সাধারণ
সম্পাদক শরিফুল ইসলাম বলেন, সারা শহরব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধির প্রাণপণ চেষ্টা করছি এবং সম্মিলিতভাবে সব ধরণের সহায়তা নিশ্চিত করছে আমাদের সেচ্ছাসেবীরা। শহরের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে লোক সমাগমের স্থানে দিনব্যাপী জীবাণু নাশক স্প্রে করছি। এপেক্স বাংলাদেশ জেলা-০৩ এর সহযোগিতায় সবার কাছে পরিস্কারভাবে হাত ধোয়ার জন্য ৫ টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পানির ড্রাম ও সাবানের ব্যবস্থা করেছি।বার্তা পৌঁছে দিয়েছি হাত দোয়ার কোন বিকল্প নেই এ ভাইরাস প্রতিহত করতে। আমাদের রয়েছে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের নিয়ে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এ সংক্রমণ প্রতিরোধে যাবতীয় নিয়ম মেনে আমরা মাঠ পর্যায়ে থেকে কাজ করছি এবং করোনা মোকাবেলায় আমাদের পাঁচটি ইউনিট তৈরী করা হয়েছে।

সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের খাবার বিতরণে রয়েছে তৌফিকুর রহমান ইমন, মানিক আহমেদ, মোহাম্মদ কাইয়ূম। দূর দুরান্তে মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে ঘরে বাজার পৌঁছাতে কাজ করছে-জোবায়েদ হোসেন, কুতুব উল্ল্যাহ শাহ সোহেল, মোরশেদ আহমেদ শান্ত, সুমন দে, রহিম উল্ল্যাহ, মাহফুজুর রহমান সহ আরো অনেকে।

এই দূর দুরান্তে বাজার পৌঁছে দিতে আমাদের বাইক সার্ভিস দিচ্ছে আগ্রাবাদ রাইডারস গ্রুপের সকল সদস্যবৃন্দ।

এছাড়াও মধ্যবিত্ত পরিবারের সার্বিক অবস্থা যাচাই করছে শাহরিয়ার পিপলু ও রিশাত। এছাড়া তথ্য ও ফাইনান্স বিষয় নিয়ন্ত্রণ করছে ওমর ফারুক বিপ্লব, আব্দুল্লাহ আল নোমান, নওশাদ হাসান রাজু ও তৌফিক রবিন। প্যাকিং কার্যক্রমে রয়েছে মুক্তা শিকদারের নেতৃত্বে আলোর আশার অন্যান্য সদস্য বৃন্দ।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ। এছাড়াও যে-কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ফলপ্রসূ কাজ করলে সবার ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে দেশের এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব বলে আমাদের বিশ্বাস। এ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন জনগণের পাশে থাকবে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন।অর্থ সংকটে যেন থেমে না যায় আমাদের এই কার্যক্রম তাই সংস্থার পক্ষ থেকে সকল বিত্তবান মানুষদের এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়েছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…