খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে রাস্তায় প্রশাসন থাকলেও জনপ্রতিনিধিদের দেখা নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
লক্ষ্মীপুরে রাস্তায় প্রশাসন থাকলেও জনপ্রতিনিধিদের দেখা নেই

অ আ আবীর আকাশ,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ::: করোনা ভাইরাসের আগ্রাসনের ফলে সারাদেশে চলছে অঘোষিত লকডাউন। গণপরিবহন থেকে শুরু করে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। নিম্ন আয়ের থেকে মধ্যবিত্ত সবাইকে ঘরে থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছে সরকার। যদিও লক্ষ্মীপুরে এই মহামারিতে জনপ্রতিনিধিদের তুলনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসনকে তৎপর দেখা গেছে।

লক্ষীপুরের ৪ সংসদ সদস্যদের মধ্যে এ কে এম শাহজাহান কামাল, ডঃ আনোয়ার হোসেন খান, মেজর (অব:) আবদুল মান্নান, কাজী শহিদুল ইসলাম পাপুল এখন পর্যন্ত তাদের সংসদীয় আসনে আসেননি। তারা সংসদীয় এলাকা থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করছে।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সহ লক্ষ্মীপুরে পাঁচটি উপজেলা চেয়ারম্যান, চারটি পৌরসভার মেয়র ৫৮ টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর মধ্যে হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া অন্যদেরকে মাঠে দেখা যায়নি।

এদিকে উপজেলা চেয়ারম্যানদের মধ্যে সদর উপজেলার একেএম সালাউদ্দিন টিপু, কমলনগর উপজেলার মেজবাহউদ্দিন বাপ্পি, রায়পুর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মারুফ বিন জাকারিয়া ছাড়া অন্য কাউকে এই মহামারী অবস্থায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়নি।

জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন প্রতিদিনই জনসচেতনতা থেকে শুরু করে ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। পুলিশ প্রশাসন প্রতিদিনই জনসচেতনতা, খাদ্য সহায়তা সহ জনসমাগম যেন না ঘটে তা মনিটরিং করে যাচ্ছে।

পুলিশ সুপার ড. এ এইচ কামরুজ্জামান বলেন, গ্রাম-গঞ্জে মানুষের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ জন-সচেতনামূলক কাজ করছে পুলিশ। এ ছাড়া সড়কে পুলিশের মাধ্যমে যানবাহন চালকদের সচেতন করা হচ্ছে। একইসাথে সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক, সাবান, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়।

লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সিভিল প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করছে। সরকারের নির্দেশ মোতাবেক জেলায় নিত্যপণ্য ও ঔষধের দোকান ব্যতিত সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। মানুষকে সচেতন করতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটদের মাধ্যমে জেলা-উপজেলায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় এখনো কোন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নাই। বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারাইনন্টাইন নিশ্চিত করা হচ্ছে। কোয়ারাইনন্টাইন অম্যানকারীদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমান করা হচ্ছে। হাট-বাজারে জন-সচেতনতায় মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সকল উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে। সরকারী পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত করোনা প্রতিরোধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জিয়াউর রহমান বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জন-সচেতনতায় সেনাবাহিনী নিরলস ভাবে কাজ করছে। পরস্পর তিন ফুট সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে নিত্যপণ্য ও ঔষধের দোকানের সামনে লাল বৃত্ত এঁকে দেয়া হচ্ছে, সংক্রমণ সুরক্ষায় হতদরিদ্র ও দিনমজুরদের মাস্ক, সাবানসহ বিভিন্ন উপকরণ দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া হোম কোয়ারাইনন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের কোয়ারাইনন্টাইন মানা হচ্ছে কিনা তাও নিয়মিত তদারকি করছে সেনাবাহিনী টিম। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে নিজ দায়িত্বে সচেতন হওয়ার আহবান জানান এ কর্মকর্তা।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…