সাংবাদিকরা চেতনার সমুজ্জ্বল বাতিঘর-আমিনুল ইসলাম
আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘সকল দল ও মতের উর্ধ্বে উঠে সাংবাদিকদের কাজ করতে হবে। কারণ তারা হলেন জাতির বিবেক। চেতনার সমুজ্জ্বল বাতিঘর।
সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে জাতি অন্ধকারের মধ্যেও আলোর পথ দেখে। তাই সমস্যার পাশাপাশি সম্ভাবনার প্রতিও সমান দৃষ্টিপাত রাখা উচিত। সাংবাদিকরা এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে যেমন ভুমিকা রাখেন তেমনি আর্থসামাজিক উন্নয়নে রয়েছে তাদের অপরিসীম ভূমিকা। তবে কাজ করতে হবে ঐক্যবদ্ধভাবে। যে কোনো প্রয়োজনে পাশে থাকবো সবসময়।’
সাতকানিয়া লোহাগাড়া সাংবাদিক ফোরাম, চট্টগ্রামের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শনিবার (১২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে ফোরামের সভাপতি ও চট্টগ্রাম প্রতিদিন সম্পাদক হোসাইন তৌফিক ইফতিখারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক ও যুগান্তরের সিনিয়র রিপোর্টার মিজানুল ইসলাম। আলোচনায় অংশ নেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জামাল উদ্দিন ইউসুফ, নাজিম মুহাম্মদ, এসএম রানা, ওমর ফারুক, আহমেদ মুসা, ইফতেখার ফয়সাল প্রমুখ।
ইয়াবা ব্যবসায়ী বড় অপরাধী নাকি দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী বড় অপরাধী এ প্রশ্ন তুলে আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে সে-ই বড় অপরাধী যে ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছে। টেকনাফের মানুষজন সাংস্কৃতিকভাবে এতটাই নিম্নশ্রেণীর যে তারা ইয়াবা ব্যবসাকে অপরাধই মনে করছে না।
ইয়াবা ধরার পর বলে, আমি কী দোষ করলাম? আমি কী কাউকে ঠকাচ্ছি? আমি তো এটা কিনে বিক্রি করতেছি। বাবা-মা সবাই মিলে করতেছে কাজটা। তারা এটাকে হালাল ব্যবসা মনে করে। কেউ এক হাতে টাকা দিচ্ছে, আর কেউ এক হাতে ইয়াবা নিচ্ছে। যে যাই বলুক, তারা কিন্তু নিজেদের বিবেকের কাছে পরিষ্কার যে, তারা অন্যায় করছে না।
কিন্তু বুয়েট থেকে পাশ করা যে প্রকৌশলীরা জেনে-বুঝে ঠিকাদারদের কাছ থেকে ঘুষ নিচ্ছেন, অবশ্যই তারা আমার চোখে বড় অপরাধী।’
অনুষ্ঠানের শেষভাগে সাতকানিয়া লোহাগাড়া সাংবাদিক ফোরাম, চট্টগ্রামের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি আমিনুল ইসলামকে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন