খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ফটিকছড়ির ডাঃ আব্দুল বাসেত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২০, ৩:৫২ পূর্বাহ্ণ
করোনায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ফটিকছড়ির ডাঃ আব্দুল বাসেত

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:::করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ফটিকছড়িতে প্রথম শনাক্ত করোনা রোগী ডাঃ আবদুল বাসেত হাসান (২৯)। তিনি ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত অবস্থায় করোনা পজেটিভ হন।

শুক্রবার (১ মে) চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওই চিকিৎসকের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় এ উপজেলা লকডাউন ঘোষণা করে উপজেলা প্রশাসন।

গত ২৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৩টা থেকে এ লকডাউন কার্যকর মর্মে এক গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সায়েদুল আরেফিন।

গত ২২ এপ্রিল (বুধবার) রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফ্লু কর্ণারের চিকিৎসক ডাঃ আব্দুল বাসেত হাসান (২৯) এর করোনা পজেটিভ হয়েছিল।

আক্রান্ত ওই চিকিৎসকের বাড়ী সাতকানিয়া উপজেলা বাজালিয়ায়। তিনি চাকরীর সুবাদে পরিবার নিয়ে নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উত্তর পাশে ভাড়া বাসায় থাকেন। আড়াই মাস আগে তিনি একই হাসপাতালের অপর চিকিৎসক এবং ফটিকছড়ির কন্যা ডাঃ তানজিলাকে বিয়ে করেন। গত ২২ এপ্রিল (বুধবার) রাতেই তার বাসা লকডাউন করা হয় এবং তার সঙ্গে থাকা স্ত্রী ও সংস্পর্শে আসা অন্যান্য চিকিৎসকদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়।

গত ২৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) আক্রান্ত চিকিৎসককে ‘আল মানাহিল ফাউন্ডেশন’র একটি এম্বুলেন্স যোগে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। এছাড়া তার স্ত্রী ও ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকল চিকিৎসকের নমুনা পরীক্ষা করা হলেও কারোরই করোনা পাওয়া যায়নি।

ফটিকছড়ির ওই একজন চিকিৎসকের করোনা পজেটিভ হবার প্রেক্ষিতে গত ২৩ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত যে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে; তা এখনো বলবৎ আছে। তবে ওই চিকিৎসক সুস্থ হবার পরও লকডাউন বহাল থাকবে কিনা- ভেবে দেখা উচিত মনে করে অভিজ্ঞ মহল।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/জুনায়েদ

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…