খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাসে আগুন লেগে সৌদি আরবে ৩৫ ওমরাহযাত্রী নিহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯, ৬:৩২ পূর্বাহ্ণ
বাসে আগুন লেগে সৌদি আরবে ৩৫ ওমরাহযাত্রী নিহত

সৌদি আরবে ওমরাহযাত্রী বহনকারী একটি বাসে আগুন লেগে ৩৫ জন নিহত হয়েছেন।

বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটি গাড়ির সঙ্গে ওমরাহযাত্রী বহনকারী বাসটির ধাক্কা লাগলে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা সবাই বিদেশি হলেও কোনো বাংলাদেশি আছেন কিনা, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

মদিনার ১৭০ কিলোমিটার দূরে আল-আখাল গ্রামের হিজরা রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে আরব নিউজ।

স্থানীয় পুলিশের বরাতে খবরে বলা হয়, এশিয়ান ও আরব দেশের নাগরিকদের বহনকারী বাসটিতে ৩৯ জন যাত্রী ছিলেন। বেসরকারি পরিবহনের বাসটি একটি ভারী যানবাহনের সঙ্গে ধাক্কা খায়।

এতে সঙ্গে সঙ্গে বাসটিতে আগুন ধরে যায় এবং ঘটনাস্থলেই ৩৫ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে নিকটস্থ আল-হামনা হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে গেছে রেড ক্রিসেন্টসহ অন্যান্য জরুরি সেবা সংস্থা।

Feb2

চট্টগ্রাম বন্দরে কোটি টাকার কনটেইনার ‘গায়েব’, গ্রেফতার ২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম বন্দরে কোটি টাকার কনটেইনার ‘গায়েব’, গ্রেফতার ২

চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ড থেকে কোটি টাকার গার্মেন্টস কাপড় ভর্তি একটি কনটেইনার গায়েব হওয়ার ঘটনায় বন্দরের দুই কর্মচারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) বন্দর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতাররা হলেন মিজানুর রহমান (৩৫) ও আবু সুফিয়ান (৪০)।

মিজানুর রহমান পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার উলুবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি চট্টগ্রাম বন্দরে উচ্চমান বহিঃসহকারী হিসেবে কর্মরত। আবু সুফিয়ান নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাসিন্দা। তিনি বন্দরের কিপ ডাউন এসসি-১৮৮ পদে কর্মরত।

পুলিশ ও বন্দর সূত্র জানায়, চীন থেকে আমদানি করা গার্মেন্টস কাপড় ভর্তি একটি ৪০ ফুট কনটেইনার গত বছরের ৪ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ২ এপ্রিলের মধ্যে কোনো একসময় বন্দরের জে আর ইয়ার্ড থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। কনটেইনারটির নম্বর টিসিএলইউ-৮৫৫৭৩০৪। এতে কয়েক কোটি টাকার কাপড় ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

গাজীপুরের মোয়াজউদ্দিন টেক্সটাইল লিমিটেড কনটেইনারটি আমদানি করেছিল। বন্দরে পৌঁছানোর পর সেটি জাহাজ থেকে খালাস করে ইয়ার্ডে রাখা হয়। পরে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এস জামান অ্যান্ড ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেড শুল্ককর পরিশোধ শেষে কনটেইনারটি খালাস নিতে গেলে সেটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা করা হয়।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম বলেন, তদন্তে বন্দরের দুই কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। এরপর তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ভেতর থেকে একটি কনটেইনার উধাও হওয়ার ঘটনায় বন্দর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বন্দরের কনটেইনার ব্যবস্থাপনায় নজরদারি জোরদার না হলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আরও ঘটতে পারে।

দেশের ইতিহাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
দেশের ইতিহাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এক নতুন ঐতিহাসিক রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২০ মে) রাত ৯টায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি) সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এর আগে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ছিল ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট, যা গত ২০২৫ সালের ২৩ জুলাই অর্জিত হয়েছিল।

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাধারণত সন্ধ্যার পর থেকে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সর্বোচ্চ চাপ বা ‘পিক লোড’ তৈরি হয়। বিশেষ করে গরমের মৌসুমে আবাসিক খাতে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা এসির ব্যবহার ব্যাপক বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা এভাবে বৃদ্ধি পায়।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমানে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। তবে বাস্তব উৎপাদন মূলত জ্বালানি সরবরাহ, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও চাহিদার তারতম্যের ওপর নির্ভর করে।

খাতভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের সবচেয়ে বড় অংশটি আসে আবাসিক খাত থেকে। বাসা-বাড়ির ফ্যান, লাইট, এসি ও অন্যান্য দৈনন্দিন কাজের জন্য এই খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়। এর পাশাপাশি শিল্প কারখানায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাপও উল্লেখযোগ্য। মোট ব্যবহারের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ আসে শিল্প খাত থেকে, যার মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি), টেক্সটাইল ও ভারী শিল্প অন্যতম।

এছাড়া বাণিজ্যিক খাত যেমন—মার্কেট, অফিস ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় প্রায় ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় এবং বাকি অংশ কৃষি, সেচ কার্যক্রম, রাস্তার আলোসহ অন্যান্য জনসেবামূলক কাজে ব্যবহৃত হয়।

চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন ডিসি জাহিদ

জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চট্টগ্রাম হিসেবে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার ৬ মাসপূর্তি উপলক্ষে আজ ২০ মে বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে একটি প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়।

বিগত ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর তারিখে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চট্টগ্রাম হিসেবে যোগদান করেন তিনি।

প্রেস কনফারেন্সে মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের বিগত ছয় মাসের সার্বিক কর্মযজ্ঞের চিত্র উপস্থাপন করা হয়।

প্রেস কনফারেন্সে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, জেলা প্রশাসক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এই জেলার দায়িত্বে থেকে এখানকার মানুষের চাহিদা পূরণ করতে পারছি কি না, কিংবা আমাকে আরও কিছু করণীয় আছে কি না, তা জানতে সমাজের দর্পণ হিসেবে যারা কাজ করেন তাদের পরামর্শ নিতেই এই প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন। এই দায়িত্বশীল জায়গায় মানুষের প্রত্যাশা পূরণে আরও বেশি কার্যকরী ভূমিকা পালনের সুযোগ থাকবে। প্রত্যেক মানুষের মাঝে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, আমিও মানুষ হিসেবে তার ব্যতিক্রম নই। এ দেশ আমাদের, আপনাদের, সকলের। আপনারা চট্টগ্রামের মানুষকে যেভাবে ভালোবাসেন, ঠিক জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বে থেকে নিজেদেরকে শতভাগ উজাড় করে দিয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মাধ্যমে কাজ করতে চাই। বর্তমান সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীতে জেলার সার্বিক উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জেলা প্রশাসক।

ডিসি বলেন, চট্টগ্রামে যোগদান করার পর থেকে জেলাবাসীর কাঙ্খিত প্রত্যাশা পূরণে চেষ্টা করে যাচ্ছি। আপনারা আগামীতে কি ধরণের প্রশাসন চান, আপনাদের কি কি পরামর্শ আছে, আপনাদেরকে কতটুকু সেবা দিতে পারছি, কাজের যে ব্যাপকতা বাড়ছে, সামর্থ্যরে সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আরও কি কি করা দরকার-সে বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে সার্বিক উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে নাগরিকের চাহিদা পূরণ করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান (উপসচিব), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল.এ) মোঃ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সৈয়দ মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকতসহ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।