খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রাম শহরে ৫১ ও উপজেলায় ১০ জনের করোনা শনাক্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 14 May, 2020, 10:51 pm
চট্টগ্রাম শহরে ৫১ ও উপজেলায় ১০ জনের করোনা শনাক্ত

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় ৬১ জনের শরীরে করোনার অস্তিত্ব মিলেছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম শহরে ৫১ জন এবং জেলায় ১০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

চট্টগ্রামের ১ম ল্যাব ফৌজদারহাটস্থ বিআইটিআইডিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৭টি নমুনা পরীক্ষা করে চট্টগ্রামে মহানগরে ২৬,রাঙ্গুনিয়া ১,বোয়ালখালী ১, বাঁশখালী ১ এবং ভিন্ন জেলায় ৪ জনের শরীরে করোনার অস্তিত্ব মিলেছে।

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে (সিভাসু) ৭১ টি নমুনা পরীক্ষা করে চট্টগ্রামের পটিয়ায় ৬ জন এবং ভিন্ন জেলায় ১১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে ৬৬টি নমুনা পরীক্ষা করে নগরীতে ২৫ এবং উপজেলায় ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়া কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে চট্টগ্রাম জেলার ৩০টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো করোনা শনাক্ত হয়নি।

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা: সেখ ফজলে রাব্বি।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ৪২৪টি নমুুুুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এরমধ্যে চট্টগ্রামে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ৬১ জন। চট্টগ্রামের মোট আক্রান্ত বেড়ে ৫৭৩ জন।

চমেক ল্যাবে শনাক্ত নগরীর ২৫ জন হলো:নিউমুরিং এলাকার ১৮ বছর বয়সী যুবতী, ফিরঙ্গিবাজারের ৭১ বছর বয়সী পুরুষ, হালিশহরে ৮৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ, ডবলমুরিং এলাকার ৫৫ বছর বয়সী পুরুষ, লালখানবাজারের ৫০ বছর বয়সী নারী, কর্ণফুলীর ৬০ বছর বয়সী পুরুষ, চান্দগাঁও এলাকার ৪৫ বছর বয়ষী পুরুষ, চমেক হাসপাতালের ৩৬ বছর বয়সী এক মহিলা ডাক্তার, পতেঙ্গার ৩৩ বছর বয়সী পুরুষ ও একই এলাকার ৩৭ বছর বয়ষী নারী, নন্দনকানন এলাকার ৭৫ বছর বয়সী পুরুষ, চকবাজারের ২৭ বছর বয়সী এক নারী ডাক্তার, অক্সিজেন এলাকার ২৭ বছর বয়সী পুরুষ, কোতোয়ালীতে ৫২ বছর বয়সী নারী, ১৬ বছর বয়সী যুবতী ও ৪৫ বছর বয়সী নারীসহ তিনজন, গোসাইলডাঙ্গার ২৩ বছর বয়সী যুবক ও একই এলাকার ৫৫ বছর বয়সী পুরুষ, আসাদগঞ্জের ১৭ বছর বয়সী যুবতী, আগ্রাবাদের ৫৩ বছর বয়সী নারী, টেরীবাজারের ৬২ বছর বয়সী পুরুষ, কোরবানীগঞ্জের ৪৩ বছর বয়সী পুরুষ, বাকলিয়ার ৭২ বছর বয়সী পুরুষ, ৩৩ বছর বয়সী এক পুরুষ ও রাঙ্গুনিয়ার ৩৮ বছর বয়সী পুরুষ করোনায় আক্রান্ত।

বিআইটিআইডি ল্যাবে চট্টগ্রামের শনাক্তরা হলো:সিএমসিএইচ ( CMCH) -১, শিকলবাহা-১, ইন্ডাস্ট্রিল পুলিশ -৩, খেজুরতলা,পতেঙ্গা -১, বড়মা কলোনী বায়েজিদ -১, ফ্রিপোর্ট বন্দর-১, অক্সিজেন -১, কালাপুল অক্সিজেন -১, পাথরঘাটা -১, কাঠগড় -১, নতুন চানগাও থানা -১, ফিরিঙ্গিবাজার-২, ফৌজদারহাট-১, আলকরণ -৫, বন্দর-১, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল -১, মেয়রগলি-১, ফিরোজশাহ কলোনী-১, বিআইটিআইডি -১, বোয়ালখালী-১, রাংগুনিয়া -১ এবং বাঁশখালী -১ জন।

চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে ২৬ জন মারা গেছেন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮০ জন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

শিপইয়ার্ডে ‘শূন্য প্রাণহানি’ নিশ্চিতের তাগিদ চট্টগ্রাম ডিসির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:10 pm
শিপইয়ার্ডে ‘শূন্য প্রাণহানি’ নিশ্চিতের তাগিদ চট্টগ্রাম ডিসির

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় আড়াই লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত। এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি শ্রমিকদের জীবনের পূর্ণ নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ জাহাজ কাটার আগে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিষাক্ত গ্যাস শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আজ রোববার (২৩ আগস্ট) সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এসব কথা বলেন।

গত ১৪ আগস্ট ওই ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে নিহত ১০ শ্রমিকের পরিবারের সদস্যদের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক ও নগদ অর্থ তুলে দিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইকেলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য জাহাজভাঙা শিল্পকে “জিরো ক্যাজুয়ালটি” বা শূন্য প্রাণহানির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। শিল্পটি টিকিয়ে রাখতে হবে। একই সঙ্গে এখানে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের জীবনের পূর্ণ নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।’

দুর্ঘটনাটি হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের কারণে ঘটেছে উল্লেখ করে জাহিদুল ইসলাম বলেন, গ্যাসটি তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপদে অপসারণের মতো প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের ছিল না। স্থানীয় বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের কাছেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ছিল না। বিশেষ করে এলএনজি বা গ্যাসবাহী জাহাজ কেনা ও কাটার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।

জেলা প্রশাসক জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস ছড়িয়ে থাকায় তদন্তকারীরা শুরুতে ঘটনাস্থলে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে গ্যাস বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে তিন সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়।

জাহাজের ভেতরে গ্যাস কীভাবে জমে ছিল এবং কাটার আগে কেন তা অপসারণ করা হয়নি—এসব বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। মতামত পাওয়ার পর তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত জমা দেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

পরিবার প্রতি ১০ লাখ টাকা

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নিহত প্রত্যেক শ্রমিকের পরিবারের জন্য বিএসবিআরএ ও ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছিল। এর মধ্যে দুর্ঘটনার পরপরই পরিবারগুলোকে এক লাখ টাকা করে দেওয়া হয়। শিল্পনীতির বিধান অনুযায়ী দুই লাখ টাকা করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। আজ বাকি সাত লাখ টাকার চেক নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বিধান অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ডে বসবাসকারী পাঁচ নিহত শ্রমিকের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। অন্য পাঁচটি পরিবার তাদের স্থায়ী ঠিকানার সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে এই অর্থ পাবে।

মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, মানুষের জীবনের কোনো ক্ষতিপূরণ হয় না। তারপরও উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে কোনো পরিবার যেন পথে না বসে কিংবা অন্যের কাছে হাত পাততে বাধ্য না হয়, সে জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আর্থিক সহায়তা দেয়।

দুর্ঘটনার পর আহত শ্রমিকদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, তাঁদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের অন্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকলে ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষকে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে হবে। জেলা প্রশাসন বিষয়টি তদারক করবে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান

জেলা প্রশাসক বলেন, জাহাজভাঙা শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক এবং পরোক্ষভাবে আরও প্রায় দুই লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা কোনোভাবেই ঝুঁকিতে ফেলা যাবে না। শ্রমিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে মালিকপক্ষ এবং শ্রম দপ্তরকে উদ্যোগ নিতে হবে।

শিল্পের কোনো দুর্বলতা বা নিরাপত্তার ঘাটতি থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরই তা চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই শিল্প যেন কোনো ধরনের সংকটে না পড়ে, সে বিষয়েও সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিএসবিআরএর সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন চৌধুরী নিহত শ্রমিকদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি শিল্পে নিয়োজিত সবার শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

দুর্ঘটনার জন্য ক্ষমা চান ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফেরদৌস ওয়াহিদ। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতেও নিহত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে থাকবে। এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করা হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বিসহ জাহাজভাঙা শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

গত ১৪ আগস্ট ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে ‘এমটি রাসি’ নামের একটি স্ক্র্যাপ জাহাজের ব্যালাস্ট ট্যাংকে কাজ করার সময় শ্রমিকেরা বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসে আক্রান্ত হন। ঘটনাস্থলে নয়জনের মৃত্যু হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান।

মাইজভাণ্ডারী আশেকান সোসাইটির উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 7:42 pm
মাইজভাণ্ডারী আশেকান সোসাইটির উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত

দপ্তরে মাইজভাণ্ডারী আশেকান সোসাইটির উদ্যোগে শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট মোড় মিউনিসিপ্যাল স্কুল হতে পবিত্র মহান ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা ও জশনে জুলুস বের করা হয়। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে র‌্যালীটি পূনরায় স্কুল মাঠে ফিরে যায়।

৩০তম আওলাদে রাসুল (দ.), শাহসুফি সৈয়দ ওসমান কাদের মাইজভাণ্ডারী (মাঃ) এর সদারতে, শাহজাদা সৈয়দ মারুফ বিন কাদের মাইজভাণ্ডারী (মাঃ)’র সভাপতিত্বে এতে প্রধান মেহমান ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আহমদুল আলম চৌধুরী রাসেল, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির পরিচালক ইসরাফিল খসরু।

এডভোকেট মীর মুহাম্মদ ফেরদৌসুল আলমের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন খান, কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ জাহেদ, আব্দুল কুদ্দুস মাইজভাণ্ডারী, নুরুল ইসলাম চৌধুরী, আল্লামা সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আল্লামা সৈয়দ জাফর সাদেক, মুফতি সালেহ সুফিয়ান ফরহাদাবাদী, সৈয়দ আবুল হাসেম, আল্লামা শহীদুল্লাহ চিশতি, সুমন মাহমুদ চৌধুরী, আল্লামা রবিউল প্রমুখ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মীর সোহাইব, নাসির ফকির, কবির ফকির, তারেক হায়দার, ইমরান হোসাইন বাপ্পি, মোক্তার হোসাইন, কবির, রবিন, সুমন, রাজু, আলভী, শাকিল, হান্নান, নজু ভান্ডারের আওলাদগন।

এতে অংশ নেন হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। সবশেষে বা’দ জুমা দেশ ও জাতির কল্যাণে আখেরী মোনাজাত দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 5:02 pm
চবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার অনলাইন আবেদন আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। তবে ২০২৭ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হবে এবারের ভর্তি পরীক্ষা।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার এস. এম. আকবর হোছাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৯ জানুয়ারি ২০২৭ (শুক্রবার)। ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৩০ জানুয়ারি (শনিবার)। ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৫ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) এবং ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৬ ফেব্রুয়ারি (শনিবার)।

এ ছাড়া ‘বি১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৩ ফেব্রুয়ারি (বুধবার), ‘বি২’ উপ-ইউনিটের ৪ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) এবং ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিভাগীয় শহরের একই তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।