খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লামায় গভীর রাতে আগুনে পুড়ল অসহায় নারীর বসতঘর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
লামায় গভীর রাতে আগুনে পুড়ল অসহায় নারীর বসতঘর

বান্দরবানের লামা উপজেলায় গভীর রাতে আগুনে পুড়ে গেল গুন্না নাথ (৫৫) নামের এক অসহায় নারীর কাঁচা বসতঘর।

বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলা সদর ইউনিয়নের মেরাখোলা গ্রামের হিন্দু পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বলে দাবী করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ওই অসহায় নারী।

সূত্র জানায়, মেরাখোলা হিন্দু পাড়ার বাসিন্দা গুন্না নাথের স্বামী সন্তান বলতে কেউ নেই। তিনি ওই ঘরে একা বসবাস করে আসছিলেন।

বুধবার দিনগত রাতে গুন্না নাথ ছোট ভাই পূর্ণ চন্দ্র নাথের বাড়িতে গিয়ে সেখানে ঘুমিয়ে পড়েন। হঠাৎ রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তার ঘরে আগুন জ্বলে ওঠে।

খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে গুন্না নাথের মাটির বসত ও রান্না ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ার কারনে ঘরের কোন মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স’র লামা স্টেশন লিডার মোজাম্মেল হক ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানান, রাত ১টা ৩০মিনিটের সময় আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। কিন্তু ততক্ষণে গুন্না নাথের বসত ও রান্নাঘরটি পুড়ে যায়। তবে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত জানা যায়নি।

ক্ষতিগ্রস্ত গুন্না নাথ ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, মাঝে মধ্যে দিনে কাজকর্ম শেষে ছোট ভাই পূর্ণ চন্দ্র নাথের বাড়িতে ঘুমাতে যাই। ঘরে বিদ্যুতের সংযোগ নেই, তাছাড়া ঘটনার দিন রাতে কোন রান্নাও করিনি। কিভাবে আগুন লাগল বুঝতে পারছিনা। মনে হয় কেউ বা কারা শত্রুতা করে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।

আগুনে পুড়ে গুন্না নাথের বসত ও রান্নাঘর পুড়ে যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন ২৪ ঘন্টা নিউজকে বলেন, ঘটনাটি খুবই দু:খ জনক। ক্ষতিগ্রস্তকে পরিষদের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।

Feb2

এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা

কারিগরি ত্রুটির কারণে এলএনজি সরবরাহকারী একটি ভাসমান টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস কম সরবরাহ হচ্ছে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার এক জরুরি নোটিশে সংস্থাটি জানায়, এই ঘাটতির প্রভাব পড়েছে গজারিয়া, মেঘনা ঘাট, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার দক্ষিণাঞ্চলে। এসব এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় আবাসিক ও শিল্প গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।

তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক (মিডিয়া ও জনসংযোগ) মো. আল আমিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আরএলএনজি সরবরাহের একটি এফএসআরইউ কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় স্বল্পচাপ বিরাজ করছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। তবে সমস্যা পুরোপুরি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক নাও থাকতে পারে।

এ অবস্থায় গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চলগুলোতে উৎপাদনে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা, আর আবাসিক গ্রাহকরাও রান্নার কাজে বিঘ্নের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে, নকল-প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে, নকল-প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি ও সমমানের প্রথমদিনের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং নকল-অনিয়মের তেমন ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, আজকের এসএসসি পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে। আমি নিজে কয়েকটি কেন্দ্রে গেছি, সিসি ক্যামেরায় দেখেছি। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসেরও কোনো ঘটনা নেই। আগামীতে এ ধরনের সুযোগ দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার পর রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এসএসসি পরীক্ষা-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মানিকগঞ্জে পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি কয়েকটি কেন্দ্রে গিয়েছিলাম, ওই এলাকার জনগণ তারাও এ পরীক্ষায় সহযেগিতার জন্য অংশ নিয়েছেন। পরীক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে। এবারের পরীক্ষা সুন্দর হবে, এটা জাতি আগেই জেনেছে। কারণ আমরা সবাইকে সচেতন করেছি। অনৈতিকপন্থা পরিহার করতে অনুরোধ জানিয়ে এসেছি।

পরীক্ষাকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশনার বিষয়ে তিনি বলেন, পরীক্ষার প্রতিটি কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সাতদিন সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছি। প্রয়োজনে সেগুলো আবারও যাচাই করে দেখা হবে।

পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এহছানুল হক মিল বলেন, কেন্দ্রসচিবরা হলেন পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক। শিক্ষার্থীদের কোনো ভুল হলে সেটা কীভাবে সামাল দেবেন এটা তাদের জানার কথা এবং জানেনও। শিক্ষকদের এ ধরনের ট্রেনিং আছে।

ফের বদলাচ্ছে পুলিশের পোশাক, রং নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়ে চিঠি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ফের বদলাচ্ছে পুলিশের পোশাক, রং নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়ে চিঠি

বাংলাদেশ পুলিশের পোশাকে বড় ধরনের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউনিফর্মের রঙ নিয়ে বাহিনীর ভেতরে ও বাইরে নানা আলোচনা-সমালোচনার প্রেক্ষাপটে আবারও পুরোনো ঘরানার রঙে ফেরার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুলিশের পোশাকে এখন থেকে গাঢ় নীল এবং হালকা অলিভ বা জলপাই রঙের সংমিশ্রণ দেখা যাবে।

পুলিশ সদর দপ্তরের লজিস্টিকস শাখা থেকে এই পরিবর্তনের সপক্ষে ‘পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫’ সংশোধনের একটি প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সারোয়ার জাহান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে জানানো হয়, ইতিপূর্বে শার্টের রঙ লোহার মতো এবং প্যান্টের রঙ কফি নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে এই রঙ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ায় এবং সাধারণ মানুষের মাঝেও এটি নিয়ে নেতিবাচক আলোচনা শুরু হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পুনরায় রঙ নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করেন।

পরিবর্তিত নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী, দেশের সকল মেট্রোপলিটন পুলিশের শার্টের রঙ হবে হালকা অলিভ বা জলপাই। অন্যদিকে এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি এবং র‍্যাব বাদে পুলিশের অন্যান্য সকল ইউনিটের জন্য শার্টের রঙ নির্ধারণ করা হয়েছে গাঢ় নীল। তবে উভয় ক্ষেত্রেই প্যান্টের রঙ হবে খাকি (টিসি টুইল)। এই নতুন রূপরেখা কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি বিধিমালা সংশোধনের খসড়া ইতিমধ্যই চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, পুলিশের এই ইউনিফর্ম পরিবর্তনের ফলে সরকারের ওপর অতিরিক্ত কোনো আর্থিক চাপ পড়বে না। যেহেতু ইউনিফর্মগুলো নিয়মিত সরবরাহ ও প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রদান করা হয়, তাই বর্তমান বাজেটের মধ্যেই এই সমন্বয় করা সম্ভব হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে নতুন পোশাকের কার্যক্রম শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। মূলত বাহিনীর সদস্যদের সন্তুষ্টি এবং পেশাগত গাম্ভীর্য বজায় রাখতেই এই রঙ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।