খুঁজুন
রবিবার, ১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে দুটি মার্কেটের ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে, শতাধিক দোকান পুড়ে নিঃস ব্যবসায়ি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯, ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে দুটি মার্কেটের ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে, শতাধিক দোকান পুড়ে নিঃস ব্যবসায়ি

চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহাসিক জহুর হকার্স মার্কেট ও জালালাবাদ মার্কেটের ভয়াবহ আগুন প্রায় আড়াই ঘন্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণের আগে দুটি মার্কেটের অন্তত ১৩০টির মত ছোট বড় কাপড়ের দোকান ও গোডাউন পুড়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে জহুর হকার্স মার্কেট সংলগ্ন জালালাবাদ মার্কেটে।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. জসীম উদ্দীন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানান, শনিবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে প্রথমে নগরীর আগ্রাবাদ, নন্দনকানন, চন্দনপুরা ষ্টেশন থেকে ১৩টি গাড়ি এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পরে আগুনের ভয়াবহতা দেখে কালুরঘাট ফায়ার স্টেশনের আরো দুটি গাড়ি ঘটনাস্থলে এসে প্রায় আড়াই ঘন্টার চেষ্টায় সকাল ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

তিনি বলেন, মার্কেটের বিভিন্ন কাপড়ের দোকান ও গোডাউন ছাড়াও দাহ্য বস্তুু রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে জহুর হকার্স মার্কেটের কোন একটি দোকানে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে। তবে এ ব্যাপারে কমিটি গঠন ও অনুসন্ধ্যানের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণ করা হবে বলে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন জানান।

এদিকে আগুনে শতাধিক দোকান পুড়ে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে আশকা করছেন জহুর হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন বাবুল। তিনি ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, প্রায় আড়াই ঘন্টার আগুনে জুহুর হকার্স মার্কেট ও জালালাবাদ মার্কেটের অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং কাপড়ের গোডাউন পুড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে অনেক ব্যবসায়ি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপনের জন্য শনিবার মার্কেট বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।

অন্যদিকে মধ্যবিত্তদের বৃহৎ ঐতিহ্যবাহি এ মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর চুরি ও কৌতুহলী মানুষের ভিড় ঠেকাতে সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন কোতোয়ালি থানা পুলিশের একাধিক টিম।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, ভোরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জহুর হকার্স মার্কেট ও জালালাবাদ মার্কেটের অন্তত ১৩০টির মতো দোকান আগুনে পুড়ে গেছে। আগুনের খবর পেয়ে দুটি মার্কেটের শত শত দোকান মালিক ও কর্মচারিরা আসতে শুরু করে।

এতে কে দোকান কর্মচারী কে মালিক বোঝা কষ্টসাধ্য। তাই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চোরের উপদ্রপ ঠেকাতে এবং কৌতুহলী মানুষের ভিড় রোধে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে।

আরো খবর : চট্টগ্রামের জহুর হকার্স মার্কেটে আগুন

Feb2

এবার বর্ষাকালে শহর ৮০ ভাগ জলাবদ্ধতামুক্ত থাকবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
এবার বর্ষাকালে শহর ৮০ ভাগ জলাবদ্ধতামুক্ত থাকবে: মেয়র

এবার বর্ষাকালে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ জলাবদ্ধতামুক্ত শহর আপনারা পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, কাজেই এখানে আমি কোনো নিরাশা দেখি না। শুধু একটা বিষয়কে ভয় পাচ্ছি ওই জোয়ার, যেটা আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণে নেই।

শনিবার (৯ মে) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে আয়োজিত চট্টগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতা : সংকটের উৎস ও নাগরিক দায়বদ্ধতা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, আপনাদের কি মনে নেই সেই ২২-২৩ এমনিক ২৪ সালও যখন বর্ষা হয়েছে, বহদ্দারহাট থেকে রেজাউল করিম সাহেব বের হতে পারেননি কিংবা দেখেননি? তো ২৫ সালে বহদ্দারহাটে পানি উঠেছিল? উন্নতি হয়েছে তো, নাকি হয়নি? হয়েছে। আমি আপনাদেরকে কিন্তু এটা স্পষ্ট বলতে চাই, আপনারা যারা স্বচক্ষে দেখেছেন ২৩-২৪ সালে বদ্দারহাট, মুরাদপুর, মির্জাপুর, চকবাজার পানির জন্য মানুষ বের হতে পারে নাই, ২৫ সালে মানুষ বের হতে পেরেছিল কিনা, পানির জন্য কষ্ট পেয়েছে কিনা? পায়নি। কাজেই আমাদের এত নিরাশ হওয়ার কী আছে? উন্নতি তো হয়েছে। শুধু এটুকুই বলছি চিন্তার কিছু নেই।

নগরবাসীর সেবায় আমি কোনো কম্প্রোমাইজ করিনি উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বহদ্দারহাটের যে বড় মার্কেট থেকে ২০ লাখ টাকা ভাড়া পেতাম, যেটা নালার উপর দিয়ে মার্কেট করেছিল, সেটা আমি এক বাক্যে ভেঙে দিয়েছিলাম। যার কারণে বহদ্দারহাটে পানি নেই। এছাড়া আমাদের প্রস্তুতি হচ্ছে আগামী ৬ মাসের জন্য। কারণ আমাদের যে ষড়ঋতুর দেশ এখন আর ষড়ঋতুর দেশ নাই। গ্রীষ্মের পর বর্ষা, বর্ষার পরে শরৎ আর হেমন্ত আসে নাই গত বছরে। শরৎ হেমন্ত বর্ষার মধ্যে ঢুকে গেছে। ছয় মাস আমরা বর্ষাকাল দেখেছি। জুন, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত কিন্তু বৃষ্টি পড়েছে। কাজেই এবারও আমরা ওই চিন্তা করে ছয় মাস নিয়ে আমরা চিন্তা করছিলাম যে জুনের ফার্স্ট উইক থেকে আমাদের নভেম্বর।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সেমিনার উদ্বোধন করে দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার নুরুল করিম এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এনটিভির ব্যুরো প্রধান শামসুল হক হায়দরী।

প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, যুগ্ম সম্পাদক মিয়ার মো. আরিফ ও চ্যানেল ওয়ানের ব্যুরো প্রধান শাহনেওয়াজ রিটনের যৌথ সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. আল আমিন, চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আয়েশা খানম ও বিজিসি ট্রাস্ট ইউনির্ভাসিটির ভিসি ড. মনজুরুল কিবরিয়া।

সিটি মেয়র আরও বলেন, আজকে আমাদের মূল সমস্যা ওইখানেই, যারা সেদিন ৬ হাজার কোটি টাকা, ৯০০০ কোটি টাকা চুরি করে সিটি কর্পোরেশনকে এড়িয়ে জোর করে প্রকল্প নিয়েছিল। পরে তাদের সক্ষমতা নেই বলে তারা ভাড়া করেছে সেনাবাহিনী। সিডিএ চেয়ারম্যান মাত্র এসেছেন জুলাই-আগস্টের পরে, উনিও একজন বৈপ্লবিক নেতা, অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে উনি কিন্তু এসেছেন। সততার ব্যাপারে আমি বলতে পারি উনি অত্যন্ত অনেস্ট। কাজে আমি মনে করি এখানে আসলে কারো দোষ নেই।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে জনগণকে কীভাবে আরও সচেতন করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দিকনির্দেশনা এই সেমিনার থেকে পাওয়া গেছে। খাল-নালা দখলমুক্ত করা ও খালের পাড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা অপসারণে বিশেষজ্ঞ নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে খাল ও নালায় ময়লা-আবর্জনা না ফেলার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এস এম নসরুল কদির, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি জেরিনা হোসেন, নগর পরিকল্পনাবিদ ইঞ্জি. দেলোয়ার মজুমদার, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসি ও ফোরাম ফর প্ল্যনড চট্টগ্রামের সভাপতি প্রফেসর ড. সিকান্দর খান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহ নওয়াজ, কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসেসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি মনসুর, রাশিয়ান অনারারী কনসালটেন স্থপতি আশিক ইমরান, ঈসা আনসারী, অভিক ওসমানসহ অন্যরা।

সেমিনারে বক্তরা বেশকিছু সুপারিশ তুলে ধরেন। এরমধ্যে রয়েছে- নালা-খালে ময়লা ফেললে জরিমানা ও শাস্তির আওতায় আনা, শহরের গুরুত্বপূর্ণ নালা-খালে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, নগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডাস্টবিন স্থাপন, নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলতে নগরবাসীর মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং পলিথিনমুক্ত শহর গড়ে তোলা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সেমিনার আয়োজন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সেলিম ও আবুল হাসনাত এবং উপ-কমিটির সদস্য ডেইজি মওদুদ, মো. শহিদুল ইসলাম, আরিচ আহমেদ শাহ, আবু মোশারফ রাসেল, ফারুক আবদুল্লাহ, মুহাম্মদ আজাদ, জামাল উদ্দিন হাওলাদার, জাহাঙ্গীর আলম, তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, মনিরুল ইসলাম মুন্না ও বাকি বিল্লাহ প্রমুখ।

মব সহিংসতা-মাদক বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর হতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
মব সহিংসতা-মাদক বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর হতে হবে

মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং ও মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার (৯ মে) এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান। বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে বড় আয়োজন পুলিশ সপ্তাহ শুরু হচ্ছে রোববার (১০ মে)।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলছে। তবে ঘরে-বাইরে জনমনে নিরাপত্তা, স্বস্তি না থাকলে লক্ষ্য অর্জন দুরূহ হয়ে উঠবে। এজন্য পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই এই মুহূর্তে আমাদের অগ্রাধিকার।’

তিনি উল্লেখ করেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন ও জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে পুলিশের উন্নয়ন নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণে পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি।

রোববার সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে বার্ষিক প্যারেডের মধ্য দিয়ে পুলিশ সপ্তাহ শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুলিশের বিভিন্ন কনটিনজেন্ট ও পতাকাবাহী দলের সুশৃঙ্খল, দৃষ্টিনন্দন ও বর্ণিল প্যারেড পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করবেন। সেই সঙ্গে তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেবেন।

ধর্মীয় টার্গেটিং বন্ধে ভারতকে জামায়াত আমিরের আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
ধর্মীয় টার্গেটিং বন্ধে ভারতকে জামায়াত আমিরের আহ্বান

ভারতে কোনও ধর্ম-বর্ণ বা গোত্রকে টার্গেট করে যেন কারও কোনও ক্ষতি করা না হয় সে বিষয়ে ভারত সরকারকে আহ্বান জানাবেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এমনকি বিশ্বের যেকোনো স্থানে ধর্ম, বর্ণ বা পরিচয়ের ভিত্তিতে নিরীহ মানুষের ওপর নির্যাতনের বিরোধিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৯ মে) জাপান সফর শেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “পশ্চিমবঙ্গসহ পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় নিরীহ মানবগোষ্ঠীর ওপর জুলুম করা হলে আমরা তার বিপক্ষে থাকবো। যে স্থানেই হোক, সবসময় মজলুমের পক্ষেই থাকবো আমরা।”

তিনি আরও বলেন, কোনো ধর্ম-বর্ণ বা গোত্রকে লক্ষ্য করে যেন কারও ক্ষতি না করা হয়, সে বিষয়ে ভারত সরকারকে আহ্বান জানানো হবে।

জাপান সফর প্রসঙ্গে তিনি জানান, আট দিনের সফরে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টারসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরও জোরদার করা, দক্ষতা উন্নয়ন, নগর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ভূমিকম্প মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।