খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বাবা-ছেলেকে হাতুড়িপেটা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২০, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
যশোরে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বাবা-ছেলেকে হাতুড়িপেটা

নিলয় ধর,যশোর প্রতিনিধি:যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার জহুরপুর খবির-উর-রহমান কলেজের এক কর্মচারী ও কলেজের জন্য তার জমিদাতা বাবাকে হাতুড়িপেটা করেছে দুর্বৃত্তরা।

অভিযোগ, কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি নূর মোহাম্মদ পাটোয়ারী ও তার ভাই স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান দিলু পাটোয়ারীর নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলো, ওই কলেজের ৫৫ শতক জমিদাতা শেখ আবু বক্কার (৬৭) ও তার ছেলে কলেজটির কর্মচারী শেখ মো. রিপন (৪২)।
তবে ইউপি চেয়ারম্যান দিলু পাটোয়ারী অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো কলেজের আহত কর্মচারী শেখ রিপনকে ঘটনার জন্য দায়ী করছে।

আহত শেখ রিপন জানান, মঙ্গলবার সকাল দশটার দিকে তিনি কলেজগেটে ছিলেন। এ সময় কলেজের সভাপতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ, তার ভাই জহুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিলু পাটোয়ারী ও সহযোগী ডা. মিজানুর রহমান খোকনসহ ১৪-১৫ জন কলেজ চত্বরে ঢুকে তাকে হাতুড়ি ও রড দিয়ে বেদম পেটায়। খবর পেয়ে তার বৃদ্ধ বাবা শেখ আবু বক্কার ঘটনাস্থলে এলে তাকেও বেদম পেটানো হয়েছে। পরে খাজুরা ক্যাম্পের পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার এবং হাসপাতালে ভর্তি হতে সাহায্য করে।

বর্তমানে বাবা ছেলে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

রিপন অভিযোগ করে, গত শনিবার সকাল ১০টার দিকে সভাপতি নুর মোহাম্মদ লোকজন নিয়ে কলেজের ভেতর সভা করতে আসেন। ওই সময় তিনি ডিউটিতে ছিলেন। করোনা পরিস্থিতিতে ‘অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়া গেট খোলা যাবে না, বলে শেখ রিপন তাদের জানিয়েছেন। এরপর সভাপতিসহ অন্যরা সেখান থেকে ফিরে যান।

মঙ্গলবার কলেজে ৮৫ লাখ টাকার বহুতল ভবন নির্মাণের জন্যে প্রকৌশলীরা জমি মাপতে এসেছিলেন। তারা ফিরে যাওয়ার পর এ হামলা চালানো হয়।

কলেজের অধ্যক্ষ শামছুর রহমান জানান, তার কলেজের নারীঘটিত একাধিক ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিক্ষক আনিছুর রহমান। তার সঙ্গে শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন, প্রদীপকুমার ও বেল্লাল হোসেন রয়েছেন। ওই চক্রকে হাত করে মোটা টাকার বিনিময়ে আনিছুর রহমান অধ্যক্ষ পদে আসীন হতে চান। এই সব ষড়যন্ত্র নিয়ে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি নূর মোহাম্মদ পাটোয়ারী অঘটন ঘটাচ্ছেন।

এদিকে, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিলু পাটোয়ারী।

গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, কলেজের নতুন ভবনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তার ভাই কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি নূর মোহাম্মদ পাটোয়ারী কর্মচারী রিপনকে ডেকে অধ্যক্ষের সামনে শনিবার কলেজের কক্ষ খুলে না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চান। ওই সময় কর্মচারী তর্ক শুরু করে। তখন আওয়ামী লীগ নেতা নূর মোহাম্মদ পাটোয়ারীর মোটরসাইকেল-চালক একই উপজেলার হলিহট্ট গ্রামের সোবহানের ছেলে জিয়া থাপ্পড় মারেন রিপনকে। তখন রিপনও পাল্টা হামলা করায় উপস্থিতদের রোষের শিকার হন। একপর্যায়ে রিপন দৌঁড়ে কলেজ চত্বর থেকে বেরিয়ে প্রায় ২০০শত গজ দূরে তার বাবা আবু বক্কারের কাছে গিয়ে আশ্রয় নেন। আবু বক্কার ওই সময় কাচি দিয়ে ঘাস কাটছিলেন। রিপনকে ধাওয়াকারীদের সঙ্গে তার (আবু বক্কার) ধস্তাধস্তি হয়। এতে বক্কার রক্তাক্ত জখম হন।

ধাওয়াকারীদের মধ্যে জিয়া ও বেতালপাড়ার জয়নালের ছেলে শাহিনও জখম হন দাবি করে চেয়ারম্যান বলেছেন, এর মধ্যে জিয়া যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।

এদিকে খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (এসআই) জুম্মন জানিয়েছেন, কলেজে হট্টগোলের খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান। তখন আহত বাবা-ছেলেকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য গাড়িতে তোলা হচ্ছিল। তিনি আহতদের স্বজনদের কাছে হামলাকারীদের পরিচয় জানতে চান। তাকে জানানো হয়, হামলাকারীরা চলে গেছে।পরে অধ্যক্ষকে খাজুরা পর্যন্ত পৌঁছে দেন এই পুলিশ কর্মকর্তারা।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।