খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিমলায় সরকারি কাজে বাধায় ৪ পুলিশ সদস্য আহত,আটক ২ (ভিডিও)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
ডিমলায় সরকারি কাজে বাধায় ৪ পুলিশ সদস্য আহত,আটক ২ (ভিডিও)

নীলফামারী প্রতিনিধি:করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় ও প্রাদূর্ভাব রোধে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে হোটেল খোলা রাখাকে কেন্দ্র করে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় থানা পুলিশের এক এসআই ও তিন কনস্টেবল সহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।এ ঘটনায় রাতে সে বাজার থেকে আলম(৪৫)নামের এক লেথ ব্যবসায়ী ও শুক্রবার (৫ জুন) সকালে উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই এলাকা থেকে জড়িত মুল ব্যক্তি হোটেল মালিককে আটক করেছে পুলিশ।

বর্তমানে ওই এলাকার ব্যবসায়ীসহ সাধারন মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা হোক এটা সকলের কাম্য তবে নিরাপরাধ কোনো মানুষের নামে মামলা ও তারা যেন কোনো রকম হয়রানীর শিকার না হন।

জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার মনিটরিংয়ের ধারাবাহিকতায় উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের টুনিরহাট বাজারে থানা পুলিশকে সাথে নিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জয়শ্রী রানী রায়।

এ সময় ওই বাজারের মিম হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্টটি সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিকেল ৪টার পরও খোলা দেখতে পেয়ে ইউএনও তা বন্ধ করতে বলে সেখান থেকে চলে যান।কিন্তু দীর্ঘ প্রায় এক ঘন্টা পরও সন্ধ্যায় এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুনরায় ফিরে সেই হোটেলটি খোলা দেখে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অপরাধে একই ইউনিয়নের দোহলপাড়া গ্রামের মৃত,মিনুর ছেলে ও হোটেলটির মালিক মিলন আহম্মেদ(৩৮)ওরফে বিটিশের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয় অন্যথায় তাকে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করার কথা বলা হয়।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দোকানটির মালিক দোকানে থাকা মোগলাই ও পুড়ি কাটা একটি ছোরা হাতে নিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারকের উপড় চড়াও হয়ে বাধা প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত জাহাঙ্গীর নামের এক পুলিশ কনস্টেবল তাকে শান্ত হতে বললে হোটেল মালিক বিটিশ ছোরা নিয়ে ওই পুলিশ সদস্যকে ধাওয়া করেন। পরে এসআই বাকিনুর ইসলাম ওই পুলিশ কনস্টেবলকে বাঁচাতে গেলে দোকানের বারান্দার একটি বাঁশের খুটি ভেঙ্গে তার কান ছুয়ে ঘাড়ে পড়লে তার কান ফেটে রক্ত ক্ষরন হয় ও তিনি ঘারে প্রচন্ড আঘাত পায়।

একই সময় হোটেলের মালিক বিটিশ ও তার ছোট ভাই আলম(২২)সহ অপর দুই পুলিশ কনস্টেবল আউয়াল ও সফিকুল ইসলামের উপড় হামলা চালিয়ে তাদেরও লাঞ্চিত করে আহত করেন। আহত এসআই বাকিনুর ইসলামের কানে চারটি সেলাই ও তিন পুলিশ কনস্টেবল সহ চার পুলিশ সদস্য ডিমলা উপজেলা সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

রাতেই পুলিশ ওই বাজারে অভিযান চালিয়ে এক ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ী ও শুক্রবার(৫জুন)সকালে উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন থেকে উক্ত হোটেল মালিককে আটক করতে সক্ষম হন।

তবে অভিযুক্তদের পরিবার ও বেশকিছু এলাকাবাসীর দাবি ঘটনার সময় হোটেল মালিককে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখার দায়ে ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক মৌখিক ভাবে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছিল।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ বলেন,এ ঘটনায় থানা পুলিশের এক এসআই ও তিন কনস্টেবল সহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। রাতে ঘটনায় জড়িত একজন ও শুক্রবার সকালে ঘটনার মুল অপরাধীসহ দুইজনকে আমরা আটক করতে সক্ষম হই।এ ব্যাপারে মামলার চলমান রয়েছে।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জয়শ্রী রানী রায় বলেন,ওই হোটেল মালিককে বিকেলে হোটেল বন্ধ করার কথা বলা হলেও তিনি সন্ধ্যা পর্যন্ত সরকারি নির্দেশ অমান্য করে হোটেল খোলা রাখার খবরে পুনরায় সেখানে গিয়ে তার দোকান এখনও খোলা কেনো তা জানতে চেয়ে তাকে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করতে চাইলে তিনি পুলিশ সহ আমাদের উপড় ক্ষিপ্ত হয়ে ছোরা হাতে নিয়ে সরকারি কাজে বাধা প্রদান সহ পুলিশকে ধাওয়া করেন।এ সময়ে ওই পুলিশ সদস্যকে বাচাতে গিয়ে দোকানের বারান্দার একটি বাশ খুলে পড়ে থানা পুলিশের এসআই বাকিনুরের কান ফেটে রক্ত ক্ষরন হয়ে ও তিনি ঘারে আঘাত পেয়ে আহত হন।আমি ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা প্রদানের কারনে থানায় একটি জিডি(সাধারন ডায়েরী) করেছি।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,আমরা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার প্রসেস করার আগেই ওই হোটেল মালিক আমাদের উপড় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠায় তা করা সম্ভব হয়নি।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/সুজন

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…