খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোয়ালখালীতে এনজিওর চাপে দিশেহারা নিন্ম আয়ের মানুষ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২০, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
বোয়ালখালীতে এনজিওর চাপে দিশেহারা নিন্ম আয়ের মানুষ

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
বোয়ালখালীতে এনজিও সংস্থার ক্ষুদ্র ঋণ আদায়ের চাপে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষজন। এই মানুষগুলো বেশিরভাগই কৃষি কাজের সাথে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে। এছাড়া রয়েছেন পোশাক কারখানা, শিল্প কারখানার শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

বেশ কয়েকজন ঋণ গ্রহীতা জানান, গত মার্চ মাসের ২৫ তারিখ থেকে মে মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ছিলো। আয় রোজগারের পথ ছিলো বন্ধ। এরই মাঝে অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে পরিবারগুলোকে। সরকারি, বেসরকারি, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ত্রাণ সহায়তা এবং নিজেদের হাতেপাতে থাকা অর্থ দিয়ে কোনো রকমে দিনাতিপাত করছেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে।

ঋণ গ্রহীতা পোশাক শ্রমিক আরতি, ফেরদৌসী বেগম বলেন, গত সপ্তাহ থেকে কিস্তি আদায়ের লোকজন বাড়িতে এসে বসে থাকছে, কিস্তি দিতে না পারলে পুলিশে দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছেন। তাদের বলেছি হাতে টাকা পয়সা একদম নেই জুন মাসের বেতন পেলে দেবো। তারা তা মানছেন না।

একই অভিযোগ করে কৃষক সুমন দে বলেন, এই দুঃসময়ে তারা একপ্রকার চাপ সৃষ্টি করছে। স্বাস্থ্য বিধি না মেনে মানুষের বাড়ি বাড়ি পাড়ার মহিলাদের একত্রিত করে কিস্তি দাবী করছেন। অনেকে ধান বিক্রি করতে পারেনি, টাকা যোগাড় না হওয়া পর্যন্ত কিস্তি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বিউটি পার্লারের মালিক প্রিয়া চৌধুরী বলেন, গত দুই মাস পার্লার বন্ধ রাখতে হয়েছে। এখন খোলার চেষ্টা করছি। দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া হয়ে গেছে। জমানো টাকা শেষ। পার্লার খুলেও লাভ হবে বলে মনে হচ্ছে না। ঋণ নিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার আশায় কাজ শিখে এ ব্যবসায় এসেছিলাম। বিয়েসহ সামাজিক আনন্দ আয়োজনে যা কাজ ছিলো তা বন্ধ হয়ে গেছে করোনার প্রাদুর্ভাবে। কাজ না থাকলে খাবো কি সেই চিন্তায় রয়েছি। এর মধ্যে কিস্তি ওয়ালার চাপে দিশেহারা হয়ে পড়েছি। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে জানি না।

এপ্রিল মাসে এনজিও সংস্থাগুলো কিস্তি আদায় বন্ধ রাখলেও মে মাস থেকে মুঠো ফোনে চাপ দিতে থাকে। চলতি জুন মাসের শুরু থেকে পাড়ায় পাড়ায় বাড়ি বাড়ি কিস্তি আদায়ের লোকজন ঘুরছেন।

তবে এ সংক্রান্ত বিষয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি সুনির্দিষ্ট নিদের্শনায় বলা হয়েছে ‘ জুন মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত কিস্তি আদায়ে চাপ সৃষ্টি বা বাধ্য করা যাবে না। উল্লেখিত সময়ে কেউ যদি স্বেচ্ছায় কিস্তি প্রদান করেন তা গ্রহণ করা যাবে।’ এছাড়া কিস্তি না দিলে তা বকেয়া অথবা খেলাপী হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

নিদের্শনা থাকা স্বত্বেও এনজিওর লোকজন পুলিশে দেওয়ার ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসন ও সরকারী কমিশনার (ভূমি) ফেসবুক আইডিতে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির নিদের্শনা তুলে ধরেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এনজিও কর্মকর্তা জানান, মালিক পক্ষের চাপে পড়ে চাকুরী বাঁচাতে এক প্রকার বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে কিস্তি আদায়ে গ্রামে গ্রামে যেতে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন বলেন, জুন মাস পর্যন্ত কিস্তি আদায়ে ঋণ গ্রহীতাদের বাধ্য করা যাবে না। স্বেচ্ছায় কেউ ঋণ পরিশোধে কিস্তি প্রদান করলে নিতে পারবে এনজিও সংস্থাগুলো। না দিলেও তা বকেয়া বা খেলাপী হিসেবে গণ্য করতে পারবে না। এ সংক্রান্ত নিদের্শনা সংশ্লিষ্ট দপ্তর দিয়েছে। সংস্থাগুলোকে সরকারি নির্দেশনা মানার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…