খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উপর হামলা করে দেড় লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২০, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
সীতাকুণ্ডে ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উপর হামলা করে দেড় লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি:সীতাকুণ্ডে গারো ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উপর হামলা চালিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।

সীতাকুণ্ড উপজেলার ৭ নং কুমিরা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ৮ টার সময় গারো ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উপর হামলা চালিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ এনে সীতাকুণ্ড মডলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে
উপজেলাধীন কুমিরা এলাকা রহমতপুর (মহলাপাড়া) ৭ নং ওয়ার্ডে পাহাড়ি গারো ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ইউলিয়াম গারো।

তিনি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, সকাল ৮টার সময় কুমিরা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ রফিকসহ ৬/৭ জন মিলে আমাদের গ্রামে গিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। এসময় নারীদেরকেও লাঞ্চিত করে। ঘরের জিনিসপত্র ভাংচুর করে।

ইউলিয়াম গারো আরো বলেন, আমাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন স্থানীয় একটি অক্সিজেন ফ্যাক্টরীতে চাকুরী করে, তারা গতকাল বেতন পেয়েছে। এসময় হামলাকারীরা ঘরে থাকা আমার ৩০ হাজার টাকা, মিতালী গারোর ৩০ হাজার টাকা,বেদনা গারোর ৭০ হাজার টাকা,অনিঞ্জিলের ১৫ হাজার টাকা, রতন গারোর ১৫ হাজার টাকা এবং ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল তারা নিয়ে যায়। তারা ৮টি পরিবারের ঘরে হামলা করে মোট ১লাখ ৫১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য রফিক জানান, ওই এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে মাদক ব্যবসা চলে আসছে বলে আমি স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ পেয়েছি। তারই প্রেক্ষিতে সকালে আমি এবং আমার কয়েকজন সহকারী মিলে সেখানে তদন্ত করতে যাই এবং মাদক বিক্রয়ের ৩০ হাজার টাকা এক মহিলার কাছ থেকে আমি নিয়ে নিই। কিছুক্ষণ পর টাকাগুলো আবার তাদেরকে ফেরত দেওয়া হয়।

অভিযোগগুলো অস্বীকার করে ইউপি সদস্য উল্টো তার উপর
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন হামলা করেছে বলে অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সীতাকুণ্ড মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ মাহবুব আলম বলেন এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনগত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/দুলু

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…