খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনায় হেরে গেলেন আরো এক চিকিৎসক/শেষ যাত্রা নিজ কর্মস্থল মেট্রোপলিটন হাসপাতালেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
করোনায় হেরে গেলেন আরো এক চিকিৎসক/শেষ যাত্রা নিজ কর্মস্থল মেট্রোপলিটন হাসপাতালেই

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : করোনায় হেরে গেলেন চট্টগ্রামের আরো এক চিকিৎসক ডা নূরুল হক। মানুষের জীবন রক্ষার এই করোনাযোদ্ধা ইন্তেকাল করলেন নিজ কর্মস্থল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে। আজ বুধবার সকাল ৬টা ২৫ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। (ইন্নালিল্লাহে … রাজেউন)।

করোনা উপসর্গ থাকা ডা. নুরুল হকের শরীরে অক্সিজেন সিস্যুরেশন কমে গেলে তাকে গত ১৪ জুন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের আইসিও’তে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের সকল চেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি আজ ভোর ৬টা ২৫ মিনিটে চীর বিদায় নিয়েছেন।

চলমান বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস যুদ্ধের ফ্রন্ট লাইনের মৃত্যুবরণ করা ৩৭ তম চিকিৎসা যোদ্ধা ডা নূরুল হক। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ৩৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. নুরুল হক মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম দৈয়ার পাড়ার সন্তান।

তিনি গত ১৯ বছর ধরে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ছিলেন। নূরুল হকের স্ত্রী, ৫ বছর বয়সী সন্তান ও আড়াই বছর বয়সী কন্যা সন্তান ছাড়াও মা, এক ভাই ও ৫ বোন রয়েছে বলে জানা গেছে।

বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন বাংলা চট্টগ্রাম ব্যুরোতে কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক আবুল হাসনাত তথ্যটি নিশ্চিত করেন। তিনি এ চিকিৎসকের মৃত্যুতে দুঃথ প্রকাশ করে তার ফেসবুক টাইমলাইনে লিখেছেন, সহজ-সরল নির্লোভ, তরুণ মানবিক এই চিকিৎসক ছিলেন অনেকের মতো আমারও চিকিৎসক ও চিকিৎসা পরামর্শক।

আর তাঁকে ফোন করা হবে না। বলা হবে না নূরুল হক ভাই কেমন আছেন? এইতো মৃত্যুর দু’দিন আগেও একটু সুস্থ বোধ করলে ফোনে তার সাথে শেষ কথা হয়। জানালেন, এখন কিছুটা ভালো আছেন।

সর্বশেষ ডা. নূরুল হক আমার ফোনের জবাব দিয়েছিলেন হাসপাতাল বেডে শুয়ে মৃত্যুর মাত্র একদিন আগে ১৫ জুন সকাল ১০টা ৫৬ মিনিটে। ৪৩ সেকেন্ড কথা হয় তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে। তখন বলেছিলেন, এখন ভালো লাগছে।

মৃত্যুর সপ্তাহখানেক আগে কথা প্রসঙ্গে করোনা পরিস্থিতিতে নিজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে অনেক অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন এই চিকিৎসক।

মেট্রোপলিটন হাসপাতালের মহাব্যবস্থাপক ডা. মো. সেলিম বলেন, গত ১৪ জুন থেকে করোনা উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন আমাদেরই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. নুরুল হক। গতকাল থেকে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। আজ ভোরে তিনি মারা যান।

তিনি বলেন মৃত্যুর আগে তার করোনা টেস্ট করানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে জানা যাবে তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কিনা। তবে তার মধ্যে করোনার অনেক উপসর্গ ছিল।

প্রসঙ্গত: এই মানুষটা গত আড়াইমাস ধরে করোনা আক্রান্ত অন্তত ২০ জন মানুষের চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ছিলেন। আক্রান্তদের সংস্পর্শ থেকে নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েন করোনা উপসর্গে। সপ্তাহখানেক আগে বলছিলেন, লক্ষণ বলছে আমি করোনা আক্রান্ত। অল্প সময়ের ব্যবধানেই চলে গেলেন।

চমেকের ছাত্র জীবন থেকেই চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের সাথে নিজেকে জড়ান ডা. নূরুল হক। ডাক্তারী পাশের পর ওই হাসপাতালই ছিল বলতে গেলে তার ঘর-বাড়ী। কখনো অপারেশন থিয়েটার, কখনো আইসিইউ ইউনিট, কখনো জরুরী বিভাগে। সবখানে ছিল ডা. নূরুল হক। ফোন ধরতে না পারলে নিজেই ফোন ব্যাক করতেন।

আল্লাহ তাঁকে জান্নাতের মেহমান বানিয়ে দিক। তার অবোধ দুই শিশু সন্তান ও স্ত্রী সহ স্বজনদের ধৈয্য ধারণ করার তওফিক দিক।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব প্রিন্স

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…