খুঁজুন
, ,

২১ জুন থেকে সিটি হল কোভিড আইসোলেশন সেন্টারে রোগী ভর্তি শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 18 June, 2020, 6:38 pm
২১ জুন থেকে সিটি হল কোভিড আইসোলেশন সেন্টারে রোগী ভর্তি শুরু

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়ন ও সামগ্রীক ব্যবস্থাপনায় কোভিড-১৯ সনাক্তদের জন্য চিকিৎসা কেন্দ্র আগ্রাবাদস্থ সিটি কনভেনশন হলে প্রতিষ্ঠিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন হাসপাতালে আগামী ২১ জুন রোববার থেকে রোগী ভর্তি কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চিকিৎসক ও নার্সসহ প্রশিক্ষিত জনবল এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে হাসপাতলটির কার্যক্রম শুরুর সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

যারা প্রশিক্ষণ নিয়ে এখানে সেবা দিতে উদ্যেগী হয়েছেন তাদের সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রশিক্ষিত করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় নিয়োজিত সম্মুখ যোদ্ধাদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় নিশ্চিদ্র নিরাপত্তাসহ বর্ধিত বেতন ও ঝুঁকিভাতা প্রদান এবং সরকারি প্রণোদনা প্রাপ্তির সকল ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার সকালে আগ্রাবাদস্থ সিটি হল কোভিড আইসোলেশন সেন্টারে স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ডাক্তার, নার্স ও অন্যাদের সাথে পরামর্শমূলক বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এ সময় চসিক কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী, মেমন মাতৃসদন হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. প্রীতি বড়ুয়া, আইসোলেশন সেন্টারের পরিচালক ডা. সুশান্ত বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সিটি মেয়র আইসোলেশন সেন্টারটি শুরু হওয়ার আগে এখানে যাদের নিয়োজিত করা হবে তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ১০ জন চিকিৎসক ও স্টোর কিপারের অনুপস্থিতিতে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, করোনা আক্রান্তদের সেবা প্রদানে তাদের অনীহা, শপথ ভঙ্গ ও পেশার প্রতি অবমাননা এবং রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যহীনতার সামিল। দেশপ্রেম বর্জিত এ অনৈতিক আচরণের জন্য তাদের তাৎক্ষণিকভাবে চাকুরী থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তাদের বাদ দিয়ে নব উদ্যোগ ও সামর্থ্য নিয়ে চসিক সিটি হল কোভিড আইসোলেশন যথাসময়ে সেন্টারটি চালু হওয়ার পর চট্টগ্রাম মহানগরীতে করোনা প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় কার্যকর ও ইতিবাচক সুফল বয়ে আনবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, করোনা সনাক্তরা যাতে এ আইসোলেশন সেন্টার থেকে উপযুক্ত ও যথাযথ সেবা পান, সে ব্যাপারে দায়িত্বরত কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সর্বাত্নক প্রচেষ্টা চালিয়ে মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হয়ে সারাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন।

সিটি মেয়রের নিকট সিটি কলেজের সাবেক
ছাত্রলীগের চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, ছাত্রলীগ বাংলাদেশ বাঙালির স্বাধীন জাতিসত্ত্বা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, সংগ্রাম, লড়াইয়ে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের হীরকখন্ডক। সর্বপরি রাজনৈতিক, মানবিক ও সামাজিক সংকট উত্তোরণের অগ্রবর্তি বাহিনী। এ গর্বিত ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে ছাত্রলীগের বর্তমান প্রজন্মের নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর আরাধ্য সোনার বাংলা বাস্তবায়নে নিজেদের উৎসর্গ করে মাটি ও মানুষের সাথে মিশে যেতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চসিক সম্মেলন কক্ষে সরকারি সিটি কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর কালে মেয়র এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যত্থান, সত্তরের নির্বাচন, প্রলয়ংকরী ঘুর্ণিঝড়-জলোচ্ছাস, মুক্তিযুদ্ধ, সামরিক স্বেরাচারাবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রলীগের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। ছাত্রলীগের নেতারাই ’৭৫ পরবর্তী দুঃসময়ে’৭১ এর পরাজিত শক্তির দোসর জামাত শিবির প্রতিরোধে দুঃসাহসী ভূমিকা ও অবদান রেখেছেন। সিটি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা তবারক প্রাণ দিয়ে ইতিহাসের অংশ হয়ে আছেন। সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা তাদের পূর্বসুরীদের পথ ধরে আজ মানবসেবায় এগিয়ে এসে নিজেদের ধন্য করায় আমি কৃতজ্ঞ। এই মহামারীকালে ছাত্র যুবকদের মানব সেবা এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মেয়র।

ছাত্রলীগের প্রদত্ত চিকিৎসা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে অক্সিমিটার, ব্লাড প্রেসার মেশিন, থার্মালমিটার, হুইল চেয়ার, স্টেথেস্কুপ, পোর্টেবল স্ট্রেচার, ১৫০ রোগীর ঔষধ ও জীবানু নাশক লিকুইড।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক কাউন্সিলর গোলাম মো. জোবায়ের, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেম, সিটি কলেজ প্রাক্তন ছাত্রলীগের মধ্যে দিদারুল আলম, সৌমিত বড়ুয়া রাসেল, সঞ্চয় মহাজন, মো. আলম, মো. আজাদ খান, মো. শরিফুল ইসলাম, মো. নুর হোসেন অনিক, মো. তৈয়ব খান, মো. আজাদ, অস্থি মজুমদার, মো. আরিফ ও অতি বিশ্বাস প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।

ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:40 pm
ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও প্রতিবন্ধকতা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে মেয়র বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে হকার ব্যবসা পরিচালনার কারণে সাধারণ নাগরিকদের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে হকারদের জীবিকা ও বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। এ কারণে শুধু উচ্ছেদ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, হকারদের জন্য পরিকল্পিতভাবে ইভিনিং মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় ও নির্ধারিত স্থানে হকাররা যাতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন হকারদের জীবিকার সুযোগ অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে নগরীর ফুটপাত ও সড়কে নাগরিকদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে একটি শৃঙ্খলিত, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে। নগরবাসীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো স্থাপনা বা কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে না। তবে হকারদের পুনর্বাসন ও বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অভিযানকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এগুলো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য। অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা কিংবা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চসিক ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। একদিকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে, অন্যদিকে উচ্ছেদ করা জায়গা যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি থাকবে।

মেয়র আরও বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকার ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। ব্যবসায়ীদেরও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং নির্ধারিত জায়গা ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।

নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে বলে জানান মেয়র।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ।