খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৩ বছর পর সৈয়দপুর আ’লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন:পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বের নেতৃত্ব প্রত্যাশা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
১৩ বছর পর সৈয়দপুর আ’লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন:পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বের নেতৃত্ব প্রত্যাশা

দীর্ঘ ১৩ বছর পর সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার।

সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে অনুষ্ঠিতব্য এ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতা রমেশ চন্দ্র, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর এমপি সহ নীলফামারী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মমতাজুল হক প্রমুখ উপস্থিত থাকবেন।

সম্মেলনকে ঘিরে সর্বত্র সরব আলোচনা চলছে। সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। মাঠ সংলগ্ন রেলওয়ে জেলা পুলিশ ক্লাবসহ পুরো শহরকেই সাজানো হয়েছে নতুন সাজে।

এ নিয়ে উপজেলা জুড়ে তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের আওয়ামী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। সারা দেশের মত সৈয়দপুরেও দলের নেতৃত্বে পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বের নতুনদের আগমনের সুযোগ সৃষ্টিতে সারা পড়েছে। দল পরিচালনার দায়িত্ব পালনকারী নেতৃবৃন্দের মধ্যে যারা নিবেদিত প্রাণ ও একনিষ্ঠ তাদের সমন্বয়ে ঢেলে সাজাতে প্রস্তুত কাউন্সিলররা। একদিকে তারা যেমন নতুনত্ব আনতে আগ্রহী, তেমনি নবীন-প্রবীনের যৌথ নেতৃত্বও প্রত্যাশা করছেন অনেকে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী খাঁটি আওয়ামীলীগার ও দেশপ্রেমিক নেতাকেই তাদের আগামী দিনের কর্নধার হিসেবে নির্বাচিত করতে চায় তারা।

এখন পর্যন্ত কাউন্সিলে প্রার্থীতা করার জন্য যারা প্রস্তুতি নিয়েছেন তাদের মধ্যে সভাপতি পদে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন বাদল। তিনি সর্বশেষ ২০০৫ সালে ১৭ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার সাথে সভাপতি হয়েছিলেন আব্বাস আলী সরকার। তিনি ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী মারা যাওয়ার পর থেকে উপজেলা আওয়ামীলীগকে এককভাবে পরিচালিত করে আসছেন আখতার হোসেন বাদল। তিনি ২০০৪ সালে সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আখতার হোসেন বাদল

তিনি বলেন, সাধারণ তৃণমূলের নেতা কর্মীরা এখন অনেক সচেতন। তারা যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনে সঠিক সিদ্ধান্তই নেবেন। তবে যারা উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে যারা টাকার জোরে নেতৃত্ব পেতে চায় তাদেরকে দল পরিচালনার দায়িত্ব দিলে তা দলের জন্য কতটুকু ভালো হবে সে বিষয়ে সকলকে ভাবতে হবে। তবে যেই আসুক দলের প্রয়োজনে তারা যেন নিবেদিত প্রাণ হয় সেটাই আমার প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, আমার কোন প্যানেল নেই আমি এককভাবেই সভাপতি পদপ্রার্থী।

এদিকে ইঞ্জিনিয়ার সেকেন্দার আলী ও মোখছেদুল মোমিন এর প্যানেল এর সভাপতি প্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার সেকেন্দার আলী।

ইঞ্জি:সেকান্দর আলী

তিনি বলেন, দলকে তৃণমূল থেকে সুসংগঠিত করতে সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই সকলকে অতীত ও ভবিষ্যৎ ভাবনায় রেখেই বর্তমান নেতৃত্ব নির্বাচন করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।

সাধারণ সম্পাদক পদে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিনের নাম মুখে মুখে। তিনি রেলওয়ে শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংগঠনের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের পূর্বে তিনি সে পদ ছেড়ে দিয়ে নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার পথ তৈরী করেছেন। এ কারণে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তার প্রতি একটা ইতিবাচক দৃষ্টি ভঙ্গি তৈরী হয়েছে বলে প্রচারণা রয়েছে।

মোখছেদুল মমিন

এ ব্যাপারে কথা হয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিনের সাথে। তিনি জানান, এটি দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের সম্মেলন। এখানে একটা নিয়মতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা হচ্ছে মাত্র। প্রতিপক্ষ বলে কিছু নেই। আমরা সবাই প্রতিযোগি এবং সবাই আওয়ামী পরিবারের সদস্য। সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ থাকবেন। তারা যেভাবে পরামর্শক্রমে নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করতে কাউন্সিলরদের সুযোগ দেবেন সেভাবেই হবে। আশা করি নেতা-কর্মীরা সার্বিক দিক বিশ্লেষন করে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন।

তিনি বলেন, যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে তাতে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশেই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে যদি কেউ কোন অপ্রীতিকর কথা প্রচার করে তা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। যাদের কর্মকান্ডই নেতিবাচক বা যাদের ইতোপূর্বে গন্ডগোল করার রেকর্ড আছে তারাই সম্মেলনকে ঘিরে ভীতি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এতে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। সকলের সহযোগিতায় সম্মেলন সফল করার মাধ্যমে আগামীর নেতৃত্ব যেন দলের সার্বিক কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালিত করতে পারে সে প্রত্যাশাই করছি।

এর পাশাপাশি সাবেক এমপি মরহুম আলীম উদ্দিন ও বর্তমান সংরক্ষিত মহিলা এমপি রাবেয়া আলীম এর ছেলে পেট্রো মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম মোঃ রাশেদুজ্জামানের নাম শোনা যাচ্ছে প্রার্থী হিসেবে। কিন্তু তিনি সভাপতি না সম্পাদক পদের প্রার্থী তা সুনির্দিষ্ট করে বলেননি। এ ব্যাপারে তার সাথে কথা হলে তিনি জানান, শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। দেখেন কি হয়।

হিটলার চৌধুরী ভুলু

এদিকে একটি সূত্র মতে, রাশেদুজ্জামান সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী না হলে উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জিকো আহমেদ প্রার্থী হবেন। পাশাপাশি সাবেক পৌর প্যানেল মেয়র হিটলার চৌধুরী ভলুও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন।

জিকো

সম্মেলনে উপজেলার ২৫৪ জন কাউন্সিলর তাদের মতামত দিয়ে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে ভূমিকা রাখবেন। এর মধ্যে উপজেলার ৫ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১৮৬ জন, উপজেলা কমিটির ৫২ জন এবং অন্যান্য ১৫ জন। তবে গত ২০ অক্টোবর উপজেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান আলী মারা যাওয়ায় মোট ২৫৩ জন কাউন্সিলর রয়েছে।

Feb2

চট্টগ্রাম বন্দরে কোটি টাকার কনটেইনার ‘গায়েব’, গ্রেফতার ২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম বন্দরে কোটি টাকার কনটেইনার ‘গায়েব’, গ্রেফতার ২

চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ড থেকে কোটি টাকার গার্মেন্টস কাপড় ভর্তি একটি কনটেইনার গায়েব হওয়ার ঘটনায় বন্দরের দুই কর্মচারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) বন্দর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতাররা হলেন মিজানুর রহমান (৩৫) ও আবু সুফিয়ান (৪০)।

মিজানুর রহমান পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার উলুবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি চট্টগ্রাম বন্দরে উচ্চমান বহিঃসহকারী হিসেবে কর্মরত। আবু সুফিয়ান নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাসিন্দা। তিনি বন্দরের কিপ ডাউন এসসি-১৮৮ পদে কর্মরত।

পুলিশ ও বন্দর সূত্র জানায়, চীন থেকে আমদানি করা গার্মেন্টস কাপড় ভর্তি একটি ৪০ ফুট কনটেইনার গত বছরের ৪ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ২ এপ্রিলের মধ্যে কোনো একসময় বন্দরের জে আর ইয়ার্ড থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। কনটেইনারটির নম্বর টিসিএলইউ-৮৫৫৭৩০৪। এতে কয়েক কোটি টাকার কাপড় ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

গাজীপুরের মোয়াজউদ্দিন টেক্সটাইল লিমিটেড কনটেইনারটি আমদানি করেছিল। বন্দরে পৌঁছানোর পর সেটি জাহাজ থেকে খালাস করে ইয়ার্ডে রাখা হয়। পরে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এস জামান অ্যান্ড ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেড শুল্ককর পরিশোধ শেষে কনটেইনারটি খালাস নিতে গেলে সেটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা করা হয়।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম বলেন, তদন্তে বন্দরের দুই কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। এরপর তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ভেতর থেকে একটি কনটেইনার উধাও হওয়ার ঘটনায় বন্দর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বন্দরের কনটেইনার ব্যবস্থাপনায় নজরদারি জোরদার না হলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আরও ঘটতে পারে।

দেশের ইতিহাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
দেশের ইতিহাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এক নতুন ঐতিহাসিক রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২০ মে) রাত ৯টায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি) সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এর আগে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ছিল ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট, যা গত ২০২৫ সালের ২৩ জুলাই অর্জিত হয়েছিল।

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাধারণত সন্ধ্যার পর থেকে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সর্বোচ্চ চাপ বা ‘পিক লোড’ তৈরি হয়। বিশেষ করে গরমের মৌসুমে আবাসিক খাতে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা এসির ব্যবহার ব্যাপক বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা এভাবে বৃদ্ধি পায়।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমানে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। তবে বাস্তব উৎপাদন মূলত জ্বালানি সরবরাহ, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও চাহিদার তারতম্যের ওপর নির্ভর করে।

খাতভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের সবচেয়ে বড় অংশটি আসে আবাসিক খাত থেকে। বাসা-বাড়ির ফ্যান, লাইট, এসি ও অন্যান্য দৈনন্দিন কাজের জন্য এই খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়। এর পাশাপাশি শিল্প কারখানায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাপও উল্লেখযোগ্য। মোট ব্যবহারের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ আসে শিল্প খাত থেকে, যার মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি), টেক্সটাইল ও ভারী শিল্প অন্যতম।

এছাড়া বাণিজ্যিক খাত যেমন—মার্কেট, অফিস ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় প্রায় ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় এবং বাকি অংশ কৃষি, সেচ কার্যক্রম, রাস্তার আলোসহ অন্যান্য জনসেবামূলক কাজে ব্যবহৃত হয়।

চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন ডিসি জাহিদ

জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চট্টগ্রাম হিসেবে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার ৬ মাসপূর্তি উপলক্ষে আজ ২০ মে বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে একটি প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়।

বিগত ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর তারিখে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চট্টগ্রাম হিসেবে যোগদান করেন তিনি।

প্রেস কনফারেন্সে মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের বিগত ছয় মাসের সার্বিক কর্মযজ্ঞের চিত্র উপস্থাপন করা হয়।

প্রেস কনফারেন্সে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, জেলা প্রশাসক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এই জেলার দায়িত্বে থেকে এখানকার মানুষের চাহিদা পূরণ করতে পারছি কি না, কিংবা আমাকে আরও কিছু করণীয় আছে কি না, তা জানতে সমাজের দর্পণ হিসেবে যারা কাজ করেন তাদের পরামর্শ নিতেই এই প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন। এই দায়িত্বশীল জায়গায় মানুষের প্রত্যাশা পূরণে আরও বেশি কার্যকরী ভূমিকা পালনের সুযোগ থাকবে। প্রত্যেক মানুষের মাঝে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, আমিও মানুষ হিসেবে তার ব্যতিক্রম নই। এ দেশ আমাদের, আপনাদের, সকলের। আপনারা চট্টগ্রামের মানুষকে যেভাবে ভালোবাসেন, ঠিক জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বে থেকে নিজেদেরকে শতভাগ উজাড় করে দিয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মাধ্যমে কাজ করতে চাই। বর্তমান সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীতে জেলার সার্বিক উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জেলা প্রশাসক।

ডিসি বলেন, চট্টগ্রামে যোগদান করার পর থেকে জেলাবাসীর কাঙ্খিত প্রত্যাশা পূরণে চেষ্টা করে যাচ্ছি। আপনারা আগামীতে কি ধরণের প্রশাসন চান, আপনাদের কি কি পরামর্শ আছে, আপনাদেরকে কতটুকু সেবা দিতে পারছি, কাজের যে ব্যাপকতা বাড়ছে, সামর্থ্যরে সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আরও কি কি করা দরকার-সে বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে সার্বিক উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে নাগরিকের চাহিদা পূরণ করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান (উপসচিব), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল.এ) মোঃ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সৈয়দ মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকতসহ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।