খুঁজুন
শনিবার, ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাবির সাবেক উপাচার্য ড. এমাজউদ্দীন আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২০, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ
ঢাবির সাবেক উপাচার্য ড. এমাজউদ্দীন আর নেই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, গবেষক, লেখক অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোর সোয়া ৫টায় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

বিএনপি প্রেস উইং সদস্য শামছুদ্দিন দিদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, ভোরে স্ট্রোক করার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এমাজউদ্দিনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

প্রফেসর ড. এমাজউদ্দিন আহমদ ১৯৩২ সালের ১৫ ডিসেম্বর তৎকালীন মালদাহ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ভারতের কিছু অংশ) জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের ‘গোহাল বাড়ি’ এলাকায় পরিবারসহ দীর্ঘদিন বসবাস করেন প্রফেসর এমাজউদ্দিন। তিনি শিবগঞ্জের আদিনা সরকারি ফজলুল হক কলেজ ও রাজশাহী কলেজের প্রাক্তণ ছাত্র।

মহান ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে, ১৯৫২ এর পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রনেতা হিসেবে অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ কারাবরণও করেন।

শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান এবং সৃজনশীল লেখার জন্য তিনি দেশ-বিদেশে বিশেষভাবে সম্মানিত হয়েছেন। সৃষ্টিশীল গবেষণা ও আলেখ্য রচনার জন্য ‘মহাকাল কৃষ্টি চিন্তা সংঘ স্বর্ণপদক’, জাতীয় সাহিত্য সংসদ স্বর্ণপদক, জিয়া সাংস্কৃতিক স্বর্ণপদক অর্জন করেন। শিক্ষাক্ষেত্রে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৯২ সালে একুশে পদক, মাইকেল মধুসূদন দত্ত গোল্ড মডেল, শেরে বাংলা স্মৃতি স্বর্ণপদক, ঢাকা সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট গোল্ড মেডেল, রাজশাহী বিভাগীয় উন্নয়ন ফোরাম স্বর্ণপদকসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বহু পুরস্কার-সম্মাননা অর্জন করেন তিনি।

প্রায় আড়াই দশক তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল সায়েন্স বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। বিভাগীয় প্রধান, মহসিন হলের প্রভোস্ট, প্রক্টর, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর এবং সবশেষে ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ঢাবির ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন। এরপর ছয় বছরের কর্মবিরতি শেষে ২০০২ সালে যোগ দেন ইউনিভার্সিটি অব ডেভলপমেন্ট অলটারনেটিভের ভাইস চ্যান্সেলর পদে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

দেশেই লন্ডন-ইউরোপের মতো স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
দেশেই লন্ডন-ইউরোপের মতো স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সরকার দেশেই লন্ডন ও ইউরোপের মতো স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২ মে) সিলেটের চাঁদনীঘাট এলাকায় সুধী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

জলাবদ্ধতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতি বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা রোধে ও শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রাখার জন্য খাল খনন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা মাটির নিচ থেকে পানি তুলছি, কৃষিকাজের জন্যও পানি তুলছি। এটি ধীরে ধীরে ভয়াবহ অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হলে আমাদের প্রথম কাজটি হচ্ছে খাল খনন।

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স আড়াই মাসের মতো। এরই মধ্যে আমরা দেশের মানুষের সামনে যেসব প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করেছিলাম সেগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।

তিনি বলেন, সিলেটের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল দ্রুত চালু করে এক হাজার ২০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। মানুষকে শারীরিকভাবে সুস্থ রাখাই মানুষের লক্ষ্য।

এ সময় ঢাকা-সিলেট রেললাইন ডাবল লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিসহ অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত করতে বন্ধ কল কারখানা চালু করারও আশ্বাস দেন তিনি।

এর আগে শনিবার সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে সরকারপ্রধান। এক দিনের এই সফরে সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।

দিনের কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ত্যাগ করার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।

ইরানে বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরণে ১৪ আইআরজিসি সদস্য নিহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ইরানে বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরণে ১৪ আইআরজিসি সদস্য নিহত

ইরানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জানজানে একটি অবিস্ফোরিত বোমা অপসারণের সময় হঠাৎ করেই সেটি বিস্ফোরিত হয়েছে। এত নিহত হয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ১৪ জন সদস্য এবং আহত হয়েছেন আরও ২ জন।

আইআরজিসির আনসার আল মাহদি ইউনিট এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, বিস্ফোরিত বোমাটি কী ধরনের— তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতরা সবাই সেই ইউনিটের সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের সদস্য ছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

জানজান শহরে যে এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটেছে— সেখানে বেশ কিছু ক্লাস্টার বোমা এবং এয়ার-ড্রপড মাইন রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ওই এলাকায় বেশ কিছু বোমা ফেলেছিল মার্কিন বিমানবাহিনী— যেগুলো অবিস্ফোরিত থেকে গেছে।

টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। জানজান শহরের ঘটনাকে চলমান যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতিতে আইআরজিসির সবচেয়ে বড় ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোতে।

যুদ্ধবিরতির পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে অবিস্ফোরিত বোমার অনুসন্ধান এবং সেগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ শুরু করে রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সদস্যরা। আইআরজিসির তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত ১৫ হাজারেরও বেশি অবিস্ফোরিত বোমা নিষ্ক্রিয় করেছে বাহিনীর বোমা বিশেষজ্ঞ টিম।

জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন: রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ
জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এ দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পাহাড়-সমতল প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যকে সংহত করে সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তা সমুন্নত রাখেন। জাতির যা কিছু সাফল্য, অর্জন তা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার।

শুক্রবার (১ মে) বিকেলে বঙ্গভবনে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের প্রধান পুরোহিত ধর্মপ্রিয় মহাথের, বৌদ্ধ ধর্মের অন্যান্য সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রপতি এ সময় বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, গৌতম বুদ্ধের মানবতা, সাম্য ও অহিংসার বাণী বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’− মূলনীতির ভিত্তিতে প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পারস্পরিক সৌহার্দ ও সম্প্রীতি বজায় রেখে একটি সমতাভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এ দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পাহাড়-সমতল প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যকে সংহত করে সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তা সমুন্নত রাখেন।’ তিনি আরও বলেন, জাতির যা কিছু সাফল্য, অর্জন তা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার।

রাষ্ট্রপতি এ সময় বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও যুদ্ধ-সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সবাইকে ধৈর্য্য, সংযম এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান।

পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা আগত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, ধর্ম সচিব ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।