খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভিন্ন ছুটি এবং সকল প্রকার আন্তঃজেলা পরিবহন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখার আহ্বান সুজনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২০, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
অভিন্ন ছুটি এবং সকল প্রকার আন্তঃজেলা পরিবহন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখার আহ্বান সুজনের

বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে কমিউনিটি সংক্রমণ বন্ধ করতে হলে আসন্ন ঈদুল আযহায় অভিন্ন ছুটি বজায় রাখা এবং সকল প্রকার আন্তঃজেলা পরিবহন বন্ধ রাখার উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ শনিবার (১৮ জুলাই) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহবান জানান।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। আর এ সংক্রমণের মধ্যে এ মাসের শেষেই বাংলাদেশে উদযাপিত হতে যাচ্ছে মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা। ঈদুল আযহার ছুটিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে একেক সময় একেক রকম সংবাদে জনগণ বিভ্রান্ত হচ্ছে। তাই ঈদের ছুটির অভিন্নতা বজায় রাখার আহবান জানান তিনি।

তিনি বলেন, এবারের ঈদের ছুটির মূল লক্ষ্য হতে হবে স্বল্প পরিসরে ঈদুল আযহা পালন এবং কমিউনিটি সংক্রমণ থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করা। আর কমিউনিটি সংক্রমণ থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হলে অবশ্যই অবশ্যই ঈদুল আযহার ২ দিন আগে থেকে আন্তঃজেলা পরিবহন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখতে হবে। তাছাড়া ঈদের আগে এবং পরে মিলিয়ে ৯ দিন সারাদেশে পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। এতে করে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর সংকট সৃষ্টি হয়ে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। আর জনগন ভোগান্তিতে পড়তে পারে। তাই এ বিষয়টি নিয়ে আরো বিশ্লেষণও প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, জনসাধারনের প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে যে যেখানে আছেন, সেখানেই অবস্থান করে যাতে ঈদের নামাজ আদায় করে। পরিবার বাড়িতে অবস্থানকালীন সময়ে পশু কোরবানির প্রয়োজনে আগেভাগেই বাড়িতে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। এবারের ঈদুল আযহা যেনো শুধুমাত্র নিয়ম রক্ষার ঈদ হয়। ঈদুল আযহার চাকচিক্য পরিহার করতে পারলেই আমরা সংক্রমণের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পাবো।

এছাড়া বলা হচ্ছে যে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বাড়িতে না যাওয়ার জন্য। যদি ঈদুল আযহার ছুটি দেওয়া হয় আর গণপরিবহনও চালু থাকে সেক্ষেত্রে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বাড়ী অভিমুখী স্রোত কোনভাবেই ঠেকানো সম্ভব নয়। তাছাড়া গার্মেন্টস শ্রমিকদের মধ্যে শতকরা ৭৫ ভাগই হচ্ছে মহিলা। আর এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মুসলমান সম্প্রদায়। যেহেতু মহিলারা ঈদের জামাতে শরীক হন না সেহেতু এ পরিস্থিতিতে তাদের বাড়িতে যাওয়া কিংবা নিজ নিজ অবস্থানে থাকার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। তাই আমাদের অনুরোধ থাকবে প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মচারীর জন্য ঈদের ছুটি যেন অভিন্ন থাকে। ঈদের ছুটি নিয়ে যেন কোন প্রকার দ্বৈত নীতি অনুসরণ করা না হয়।

শহরের মধ্যে বড় পশুর হাটকে অনুৎসাহিত করে আঞ্চলিক পশুর হাটকে উৎসাহিত করারও আহবান জানান তিনি। কেননা বর্তমান পরিস্থিতিতে কোরবানির পশুর হাটই হচ্ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের একটি উৎকৃষ্ট স্থান। তাই অনলাইনে পশু ক্রয় বিক্রয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ইতিমধ্যে যারা অনলাইনে পশু ক্রয় বিক্রয় শুরু করেছে এবং নিষ্ঠা ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কোরবানির পশু জবাই করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তাদেরকেও নাগরিক উদ্যোগের পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানান তিনি।

এছাড়া নগরীর অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশু জবাই করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করার অনুরোধ জানান সুজন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…