খুঁজুন
, ,

শেখ হাসিনায় প্রেরণায় মানবতা ও দেশপ্রেমিক শক্তিকে সাথে নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে আছি: চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2020, 7:02 pm
শেখ হাসিনায় প্রেরণায় মানবতা ও দেশপ্রেমিক শক্তিকে সাথে নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে আছি: চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন,কবে করোনাকালের থাবা অন্তিম হবে জানিনা। এই ক্রান্তিকালেও মানবতার হাহাকার সুস্থ বিবেককে কষ্ট দেয়। তবে কষ্ট মেনে নিয়ে যদি শুদ্ধাচারী জীবনযাপন করতে পারি তা হলেই শুধু আমি ও আমরা নয় বিশ্ববাসী আবার জেগে ওঠার শক্তি ফিরে পাবে।

তিনি আরো বলেন, অনেক সীমাবদ্ধতা,অর্থ ও জনসংকটের মধ্যেও মুহুর্তের জন্যেও সেবা কার্যক্রম থেমে থাকেনি। তারপরও কিছু সমালোচনা বা দোষ-ত্রুটি থাকতে পারে। যখন আমি দায়িত্ব নিয়ে কথাবলি এর সাথে কাজের মিল আছে এবং থাকবেই।

তিনি আরো বলেন, দু:সময় ও প্রতিকূল পরিস্থিতির সুযোগে যারা মানবতাকে জিম্মি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনায় প্রেরণায় মানবতা ও দেশপ্রেমের শক্তিকে সাথে নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে আছি এবং থাকবই। যারা করোনা মহামারীর এই সংকটকালে মানবিক সহায়তা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তারা অন্যদের জন্য উদাহরণ। করোনা মানুষের মাঝে মানবতাবোধ জাগ্রত করে দিয়েছে। দেশের মানুষের এই মানবিকতা বোধ পরবর্তী প্রজন্মের কাছে শিক্ষনীয় হয়ে থাকবে। এই মানবিকতাবোধ যেন চির জাগ্রত থাকে। বাঙালি সাহসী জাতি, বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে সাহসিকতার সাথে প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও করোনাকে মোকাবেলা করছে।

আজ রবিবার বিকালে চান্দগাঁও দারিদ্র বিমোচন মহিলা সমিতির সদস্য ও আনন্দ স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

সিটি মেয়র আরো বলেন, ত্রাণ নিয়ে সাময়িক কষ্ট লাঘব হলেও তার উপর জীবিকার দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা নির্ভর করে না। জীবিকা ছাড়া জীবন অচল। নিরাপদ ও নিশ্চিত জীবন জীবিকার জন্য সমন্বয়,শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য। তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে হতাশা হচ্ছে আগাম মৃত্যুর অশনি সংকেত, আর আশা হচ্ছে বেঁচে থাকার আলো ও শক্তি। এই আলো দেখতে ও শক্তি অর্জনে জ্ঞান-বিজ্ঞাণ-মেধা ও মনের প্রয়াস থেমে নেই।

চান্দগাঁও দারিদ্র বিমোচন মহিলা সমিতির ৫শ পরিবারের মঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণকালে কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, সমিতির উপদেষ্টা কে এম শহীদুল্লাহ, সভাপতি সিরাজুন নূর বেগম, সাধারণ সম্পাদক রাশেদা বেগম,মো. মিজান ও আনন্দ স্কুলের সাড়ে ৪শ শিক্ষার্থীর মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে স্কুলের শিক্ষিকা শান্তা আক্তার, বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজান, বিপণী বিতান কর্মচারী এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাহাঙ্গীর, এস এম মামুনুর রশিদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

পুষ্টি কর্মী হোমাইরা মাহমুদ এর পরিবারকে
অর্থ সহায়তা তুলে দিলেন মেয়র
সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ কর্মসূচি প্রকল্পে কর্মরত পুষ্টি কর্মী হোমাইরা মাহমুদ এর পরিবারকে সাড়ে ৩ লাখ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

আজ বিকেলে টাইগারপাসস্থ নগরভবনের মেয়র দপ্তরে এই চেক হস্তান্তর করা হয়।

এসময় চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ শফিকুল মান্নান সিদ্দীকি, তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক,আইটি অফিসার ইকবাল হোসেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের ও দারিদ্র্য হ্রাস কর্মসূচি প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার সরোয়ার হোসেন খাঁন, কোহিনুর আকতারসহ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।