খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য মিরসরাই উপকূলীয় অঞ্চল,স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাই আশ্রয় প্রশ্রয় দাতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২০, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য মিরসরাই উপকূলীয় অঞ্চল,স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাই আশ্রয় প্রশ্রয় দাতা

আশরাফ উদ্দিন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার সাহেরখালী ইউনিয়নের উপকূলীয় এলাকায় মাথা চড়া দিয়ে উঠেছে উঠতি বয়সের পাতি নেতার দল। এসব পাতি নেতারা চুরি, চিন্তাই, ইয়াবা ব্যাবসায় থেকে শুরুকরে ডাকাতির সাথেও জড়িয়ে পড়ছে। এদের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে উপকূলিয় এলায় বসবাসকারী অতিসাধারণ জনজীবন। এরা কখনো গোয়াল থেকে পাল সহ গরু-মহিষ চুরি করছে আবার কখনো খোলামাঠে ঘুরে বেড়ানো ছাগল হাওয়া করে দিচ্ছে। পুকুরের মাছ, খোয়াড়ের হাস-মুরগি, জমির ফসল কোন কিছুই বাদ যাচ্ছে না তাদের চুরির তালিকা থেকে।জেলেদের জাল, নৌকার ইঞ্জিন, দোকানিদের মালামাল লুট করে নিচ্ছে রাতের আধারে অথবা প্রকাশ্য দিবালোকে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এসব পাতি নেতাদের আশ্রয় পশ্রয় দেয়ার কারনে এদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহসও পাচ্ছেন না ভুক্তভোগি ক্ষতিগ্রস্থ সাধারণ মানুষ গুলো।

বেশ কয়েক জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা থাকলেও রাজনৈতিক ইশারায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করার সাহস করছেনা বলেও অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্থদের। পুলিশ তাদের ধরার জন্য অভিযান পরিচালনা করলেও গোপন সূত্রে আগ থেকেই খবর পেয়ে গহীন বনাঞ্চলে গা- ঢাকা দেয় এসব পাতি নেতা ছিচকে চোরের দল। মাঝে মধ্যে পুলিশ আটক করতে পারলেও রাজনৈতিক নেতাদের ফোন পেয়ে থানা পর্যন্ত নেওয়ার আগেই ছেড়ে দিতে হয় তাদের। মাঝ পথ থেকে ছেড়ে দেওয়ার এমন কান্ডে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ থেকে ছাড়া পেয়ে এসেই এই সব পাতি নেতারা নির্যাতন চালায় অভিযোগ কারিদের উপর। তাই নিজেদের উপর নির্যাতন বেড়ে আতঙ্কে ও ভয়ে কোথাও অভিযোগ করার সাহস হারিয়ে ফেলেছেন নির্যাতিতা উপকূলবাসি।

সাহেরখালী এলাকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত নিজামপুর ফাড়ির ইনচার্জ এসআই হাসেম এই প্রতিনিধিকে জানান, চুরির ঘটনাগুলো সম্পর্কে পুলিশ অবগত নয়, কেউ অভিযোগও দেয় নাই। তবে যদি এমন হয়ে থাকে তাহলে এলাকার মেম্বার ও চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সাহেরখালী উপকূলিয় এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করে স্থানিয় ব্যবসায়ি, সাধরণ জনগন, ভূক্তভোগি ও ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে আলোচনা করে এলাকায় ব্যাপক চুরি, চিনতাই, হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যায়। বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা কারি ভুক্তভোগিদের চোখে মুখে আতঙ্ক, ভয় আর শঙ্কা দেখা গেছে। নির্যাতন, চুরি, হামলা ও হুমকি ধমকির ঘটনা প্রকাশ করলেও অপরাধিদের নাম মুখে আনতে চান না কোন নির্যাতিতা।

নাম প্রকাশের কারনে গত ৬মাস পূর্বে একটি দোকান পুড়ে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে বেড়িবাধ এলাকায়। নির্যাতনের অভিযোগ করায় রাতের আধারে পথ রোধ করে শাষানোর নজির রয়েছে প্রতিনিয়ত। তাই নির্যাতন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে- আতঙ্কে অপরাধিদের নাম মুখে আনাও পাপ মনে করেন নির্যাতিত অনেকেই।

তবে তথ্য সূত্র গোপন রাখার শর্তে তিন পাতি নেতার নেতৃত্বে সাত সদস্যের উপকূলিয় একটি সন্ত্রাসী চক্রের নাম প্রকাশ করেন তারা। এরা হলো ১) মামুন(২৫) পিতা-মৃত নুরুজ্জামান, ২) কাজি আব্দুর রহমান(২৬) পিতা-আনোয়ার, ৩) ইয়াবা মানিক ( উপকূলিয় এলাকায় ইয়াবার গড়ফাদার নামে পরিচিত) (২৮) পিতা-মহিউদ্দিন

এই তিনজনের নেতৃত্বে তাদের দলে কাজ করে আরো চার জন এরা হলো ৪) নয়ন (২৬) পিতা-মনা দাস, ৫) আবু নুর (২৮) পিতা-চুট্টু মিয়া, ৬) মোশাররফ (২৭) পিতা-জয়নাল ও ৭) শরীফ চৌধুরী (২৮) পিতা-মফিজুর রহমান।(চলবে)

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…