খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কর্ণফুলী নদীর মাঝখানে অবৈধ বরফকল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২০, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
কর্ণফুলী নদীর মাঝখানে অবৈধ বরফকল

আলীউর রহমান : কর্ণফুলী নদীর মাঝখানে অবৈধ বরফকল তৈরি ও গুদাম নির্মান করেছে সোনালী যান্ত্রিক মৎসজীবি সমবায় সমিতি।কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুর মাঝ পিলার বরাবর নদীর মাঝখানে উক্ত স্থাপনা নির্মান করা হয়।

হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা, জেলা প্রশাসন, ভূমি অফিসের নোটিশ কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে করোনার সুযোগে বরফকলটি চালু করতে সম্প্রতি নতুন করে কাজ শুরু করা হয়।

জানা যায়, কর্ণফুলী নদীর শাখা রাজাখালী ও চাক্তাই খালের মোহনার ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ২৬৩ বর্গফুট জেলা প্রশাসনের খাস জায়গা বন্দরের দাবী করে যান্ত্রিক মৎসজীবি সমবায় সমিতি নামের সংগঠনের নামে মাছের আড়ৎ স্থাপন করা হয়।

অবৈধভাবে গড়ে উঠা মাছের আড়ৎ সংলগ্ন কর্ণফুলী নদী দখল করে ২০০০ বর্গফুটের একটি বরফ কল আরো ২০০০ বর্গফুটের একটি গুদাম স্থাপন করা হয়।

অবৈধ বরফকলটির নির্মান কাজ বন্ধ করতে পরিবেশ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, রিট আবেদনকারী এডভোকেট মনজিল মোর্শেদ চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার, সিডিএ চেয়ারম্যান, বন্দর চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

পরিবেশ অধিদপ্তর পরিচালক বরাবরে হাইকোর্টের রিট মামলার রেফারেন্সসহ উক্ত স্থাপনা বন্ধে সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়ে ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল পত্র দেয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগরীর পরিচালক ২৩ এপ্রিল ২০১৮ সালে সোনালী যান্ত্রিক মৎসজীবি সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদককে পরিবেশ অনুমতি ব্যতিত জলাশয় ভরাট করার অপরাধে পরদিন ২৪ এপ্রিল শুনানীতে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়। পরবর্তীতে রহস্যজনক কারণে উক্ত পত্র এবং নোটিশের কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।

প্রশাসনের নিরবতার সুযোগে বরফ কলের পাশে তিন হাজার বর্গফুটের আরেকটি গুদাম তৈরি করা হয়। মৎস বন্দর বরফ কল ও গুদাম স্থাপনার কারণে ঐ এলাকায় ৯০০ ফুট দীর্ঘ কর্ণফুলী নদী ৫০০ ফুট হয়ে খাল হয়ে গেছে।

এই বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগরীর পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল্লাহ নুরী বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি দুই একদিনের মধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সোনালী যান্ত্রিক মৎসজীবি সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক সরকার বাবুল বলেন, এইমাত্র আড়ৎ থেকে ফিরলাম। এক ঘন্টা পরে আপনার সাথে এই বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলবো।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…